• ই-পেপার

কঠোর ভিসানীতির চাপে জাপানে বসবাসকারী বিদেশিরা

জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য অতিরিক্ত ছুটি চালু করল ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক
জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য অতিরিক্ত ছুটি চালু করল ফ্রান্স

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ দেশের কমে যাওয়া জন্মহার বাড়ানোর লক্ষ্যে মা ও বাবা উভয়ের জন্য নতুন বেতনসহ ছুটির ব্যবস্থা চালু করেছেন। ২০২৪ সালে ম্যাখোঁ জন্মহার হ্রাস ও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা মোকাবেলায় একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। 

তার ভাষায়, এটি ফ্রান্সের জনসংখ্যাগত পুনর্গঠন এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। আগে ফ্রান্সে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েরা প্রায় চার মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি পেতেন, আর বাবারা সন্তানের জন্মের পর ২৮ দিনের ছুটি পেতেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মা ও বাবা এখন বিদ্যমান ছুটির পাশাপাশি আরো এক বা দুই মাসের অতিরিক্ত ছুটি ভাগাভাগি করে নিতে পারবেন। এই সময়ে প্রথম মাসে তারা মোট বেতনের ৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় মাসে ৬০ শতাংশ পাবেন।

নিয়মটি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বা এর পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের অভিভাবকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। দত্তক নেওয়া সন্তানদের অভিভাবকরাও এই সুবিধা পাবেন।

ইউরোপজুড়েই জন্মহার কমছে। ফ্রান্সের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো গত বছর দেশটিতে জন্মের সংখ্যা মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে কম ছিল। তবে নারীবাদী সংগঠনগুলো বলছে, নতুন এই সংস্কার যথেষ্ট নয়। তাদের মতে, এতে নারী-পুরুষের সমতা খুব বেশি বাড়বে না, কারণ সাধারণত কম আয় করা সঙ্গী অতিরিক্ত ছুটি নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

ট্রাম্পের আয় বেড়েছে, বছরে কত?

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের আয় বেড়েছে, বছরে কত?
সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে নেওয়ার পর প্রথম বছরেই শতকোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্রিপ্টোকারেন্সি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থেকে তিনি এই আয় করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও হোয়াইট হাউসের দাবি, প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে তিনি কোনও ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা নেননি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ২০২৫ সালের বাধ্যতামূলক আর্থিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

৯২৭ পৃষ্ঠার ওই আর্থিক প্রতিবেদনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিন আগে চালু করা তার ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ থেকে রয়্যালটি বাবদ ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন। যদিও চালুর পর থেকে ওই মিম কয়েনের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

এ ছাড়া তার দুই ছেলে এবং তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’ থেকে ৫০ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন ট্রাম্প। রিয়েল এস্টেট, ট্রাম্প-ব্র্যান্ডের বাইবেল, ঘড়ি এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি থেকেও তিনি কয়েক কোটি ডলার আয় করেছেন।

ট্রাম্পের আয়ের বড় অংশ এসেছে ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’ থেকে। এ প্রতিষ্ঠানের নিট আয়ের ৭৫ শতাংশ ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যরা পান।

যদিও একটা সময় ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সির কড়া সমালোচক ছিলেন। তিনি বিটকয়েনকে ‘প্রতারণা’ এবং ‘ভবিষ্যতের বড় বিপর্যয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তার আয় আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের প্রতিবেদনে তিনি ৬০ কোটি ডলারের বেশি আয়ের তথ্য দিয়েছিলেন।

তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ট্রাম্প কোনো ব্যক্তিগত অর্থ অর্জন করেননি। হোয়াইট হাউসের উপপ্রেস সচিব আনা কেলি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানীতে’ পরিণত করেছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবারের সদস্যরা কখনও স্বার্থের সংঘাতে জড়াননি এবং ভবিষ্যতেও জড়াবেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের সব সিদ্ধান্তই আমেরিকান জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থে নেয়া হয়। যারা ভিন্ন দাবি করছেন, তারা গত এক দশক ধরে ডেমোক্র্যাট ও মূলধারার গণমাধ্যমের প্রচারিত একই পুরোনো ও ভিত্তিহীন বক্তব্যই পুনরাবৃত্তি করছেন।’

এদিকে বড় অঙ্কের ক্রিপ্টো আয় ছাড়াও প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, বিভিন্ন ডিজিটাল ওয়ালেটে থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অন্যান্য ডিজিটাল সম্পদ বিক্রি করেও ট্রাম্প কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।

পাশাপাশি ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও তার গত বছরের আয়ের হিসাব এ প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছেন। তিনি গত বছর মুক্তি পাওয়া ও তাকে নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রের লাইসেন্স চুক্তি থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছেন। এ ছাড়া অনলাইনে বিক্রি হওয়া ডিজিটাল ছবি বা এনএফটি (নন-ফাঞ্জিবল টোকেন) বিক্রিসংক্রান্ত আরেকটি চুক্তি থেকে তার আরও ৬০ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

ফোর্বসের হিসাবেও ট্রাম্পের সম্পদ বেড়েছে

ফোর্বস সাময়িকীর বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে এই সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করেছে।

মেক্সিকোতে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

অনলাইন ডেস্ক
মেক্সিকোতে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

মেক্সিকোর বাজা ক্যালিফোর্নিয়া উপদ্বীপের কাছে ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৬ মাইল (প্রায় ১০ কিলোমিটার) গভীরে। এর কম্পন মেক্সিকোর সিনালোয়া রাজ্যের লস মোচিস ও কুলিয়াকান শহরে হালকাভাবে অনুভূত হয়। 

এ ছাড়া বাজা ক্যালিফোর্নিয়া সুর রাজ্যের রাজধানী লা পাজেও কম্পন অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইউএসজিএস জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা মানুষের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মেক্সিকো বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। কারণ দেশটি তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৬০ দিনের সমঝোতা শেষে কী করবে ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
৬০ দিনের সমঝোতা শেষে কী করবে ইরান?

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নামের ওই চুক্তির ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ করছে দুই দেশ। এতে দফায় দফায় ভেস্তে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মতো এবার কি চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে? এই প্রশ্ন নিয়েই এখন দেখার বিষয়—সমঝোতা স্মারকে দেওয়া দু’দেশের প্রতিশ্রুতি এখন কোন পথে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত কথা বলেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

যুদ্ধ শুরুর পর পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিকে ‘সবচেয়ে বড় হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করেছে ইরান। সমঝোতা স্মারকে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির বিষয়ে তিনি বলেছেন, এ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে এবং কোনো পরিস্থিতিতেই এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না তেহরান।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান তার সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। এ ছাড়া সমঝোতা স্মারকে শুধু ৬০ দিনের জন্য ওই সমুদ্রপথে সামুদ্রিক সেবার ফি থেকে সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়েছে।

প্রেস টিভির বরাতে গালিবাফ বলেন, ‘এগুলো আমাদের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা। ইরান হরমুজ প্রণালিকে সামরিকীকরণ করেছে—এমন দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো বিতর্ক বা বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ আমরা দেব না। কোনো পরিস্থিতিতেই ইরান এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না।’

গালিবাফ হরমুজ প্রণালিকে ‘যুদ্ধের সময় আল্লাহর দেওয়া উপহার’ এবং ‘ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী হাতিয়ার’ বলেও উল্লেখ করেন। তার দাবি, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার পর দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ইরান ৪ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি করেছে।

সাক্ষাৎকারে গালিবাফ আরো বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া প্রমাণ করে যে, সামরিক সক্ষমতার সমর্থন থাকলে কূটনীতির মাধ্যমেও বাস্তব ফল অর্জন করা সম্ভব।

তবে তিনি বলেন, ইরানের একমাত্র প্রকৃত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা তার সামরিক শক্তি। তাই ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও সামরিক সক্ষমতা কোনও অবস্থাতেই আলোচনার বিষয় হবে না। 

একই সঙ্গে ইরান তার পরমাণু অধিকার থেকেও সরে আসবে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ আমাদের বৈধ এবং অখণ্ডনীয় অধিকার।’

গালিবাফ আরো বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সমঝোতা স্মারকে নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা প্রয়োজনে বাড়ানো যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আরোপিত সব প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেওয়া পর্যন্ত আলোচনা চলবে।

হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক সেবা পরিচালনা সংক্রান্ত সব আইনি ও সেবা বিষয়ে ইরান ও ওমান ইতোমধ্যে একমত হয়েছে জানিয়ে গালিবাফ বলেন, সমঝোতা স্মারকের পাঁচটি ধারা বাস্তবায়নের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এগোবে না। এসব ধারার মধ্যে লেবাননে যুদ্ধবিরতি, ইরানের তেল রপ্তানি নিশ্চিত করা এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করার মতো বিষয়ও রয়েছে।

এদিকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন একটি ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ গঠনে সম্মত হয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিনিধি নিয়োগ করেছে। সেলটি কার্যকর হওয়ার আগে বৈরুতও প্রতিনিধি নিয়োগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

লেবাননের উদ্দেশ্যে গালিবাফ বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য লেবাননের স্বাধীনতা রক্ষা করা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন-ইসরায়েলের পৃথক কাঠামোগত চুক্তির লক্ষ্য ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের ক্ষেত্রে কোনো শর্ত থাকার কথা নয় বলে দাবি করেছেন তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলী আকবর দারেইনি।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দায়িত্ব রয়েছে কোনো শর্ত ছাড়াই দ্রুত ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করার। কিন্তু ওয়াশিংটন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি।

দারেইনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কোনো শর্ত ছাড়াই ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবিলম্বে ছাড়তে বাধ্য। কিন্তু তারা তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করেনি।’

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি দুটি ধাপে বিভক্ত। প্রথম ধাপে রয়েছে পারস্পরিক আস্থা তৈরির পদক্ষেপ এবং দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা।