• ই-পেপার

বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল কার্যকর, সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন বেতন কত?

প্রচলিত নিরাপত্তা নয়, ডিজিটাল সক্ষমতাই ভবিষ্যতের মূল শক্তি : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রচলিত নিরাপত্তা নয়, ডিজিটাল সক্ষমতাই ভবিষ্যতের মূল শক্তি : তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তা আর শুধু সীমান্ত পাহারা বা প্রচলিত প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের ফলে নিরাপত্তা, যোগাযোগ ও তথ্য ব্যবস্থাপনার ধারণায় মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় ডিজিটাল নেতৃত্ব, সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাই ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রধান ভিত্তি।

আজ বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মিডিয়া সেল ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি সরকারের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল রূপান্তরের বৃহত্তর মহাপরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সময়োপযোগী ও উদ্ভাবনী চিন্তার পরিচয় দিয়ে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা দেশের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিপুল জনবলকে প্রচলিত ধারণার গণ্ডিতে আটকে না রেখে আধুনিক প্রযুক্তি, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল যোগাযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে রাষ্ট্র ও সমাজের উন্নয়নে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। 

মন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক বিশ্বে বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধু ভৌত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং তথ্যভাণ্ডার ও ডিজিটাল অবকাঠামোকে সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখাই এখন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা আমাদের শিখিয়েছে যে নিরাপত্তার ধারণা এখন সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা পেয়েছে।’

তিনি ডিজিটাল যুগে পুরনো মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে পরিবর্তনকে গ্রহণ করাকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এনালগ চিন্তা থেকে ডিজিটাল চিন্তায় রূপান্তর এবং ডিজিটাল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রযুক্তির জগৎ কখনো স্থির নয়; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আজ যা আধুনিক, আগামীকাল তা পুরনো হয়ে যেতে পারে। এজন্য ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’-কেও ধারাবাহিকভাবে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সড়ক যোগাযোগ ও মহাসড়ক এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আনসারের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এম সাজ্জাদ মাহমুদ। 

প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সঠিক, যাচাইকৃত ও জনস্বার্থভিত্তিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ দায়িত্বশীল গণযোগাযোগের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী প্রান্তিক কণ্ঠস্বরের স্টুডিও ও প্রোডাকশন হাউস ঘুরে দেখেন।

বিকেলে প্রথম বৈঠকে বসছে দুদকের সার্চ কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
বিকেলে প্রথম বৈঠকে বসছে দুদকের সার্চ কমিটি
সংগৃহীত ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে গঠিত সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সার্চ কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, গত ২২ জুন দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়ে। নিয়ম অনুযায়ী, সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত নিয়োগ দিবেন।

সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘নজরুল ইসলাম খান গত ২৫ জুন সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় ফেরেন। পরে গতকাল ৩০ জুন তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

সকালে তাকে  হাসপাতালে দেখতে যান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে শায়রুল কবির খান ছিলেন।

শায়রুল কবির খান বলেন, ‘এমপি শিমুল বিশ্বাস চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, নজরুল ইসলাম খানের কাছে সাক্ষাৎপ্রার্থীরা যেন না উপস্থিত হন।’

দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেওয়া হবে না : শামা ওবায়েদ

অনলাইন ডেস্ক
দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেওয়া হবে না : শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।

বুধবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে ঢাকার ইতালি দূতাবাসের স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার শিকার ৯ জন ইতালীয় নাগরিকসহ ২৪ জনেরও বেশি নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং এই ক্ষেত্রে দেশটির অর্জনের কথা স্মরণ করেন।

ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বরাবরই শক্ত অবস্থানে। হলি আর্টিজানের ঘটনার পর হামলায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস দমনে কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করেছে বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিসান বেকারিতে একটি নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়, যা ২৪ জনের (২০ জন জিম্মি ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা, এবং ৬ জন হামলাকারী) প্রাণ কেড়ে নেয়। ১২ ঘণ্টার এই অবরুদ্ধ দশা ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা।