• ই-পেপার

নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশীয় মৌসুমি ফলের প্রতি শিশু-কিশোরদের আগ্রহ বৃদ্ধি, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজধানীর ভাটারা থানায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফল উৎসবে মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশীয় ফল উপভোগ করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মো. রশিদুল হাসান।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার সভাপতি মো. সাব্বির হোসেন রুপকের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি কাজী এহসানুল হক জিহাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফাইয়াজ রশিদ, কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক গাজী মশিউর রহমানসহ সংগঠনের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, পেয়ারা, কলা, আনারস, তরমুজ, পেঁপে ও মাল্টাসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. রশিদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ফলের দেশ। মৌসুমি ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, মানবদেহের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। শিশু-কিশোরদের ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীরা জানান, একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ফল খাওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজন দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় বলেও তারা মত প্রকাশ করে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ফল উৎসব ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ফুটবলে মাতল লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

জহিরুল ইসলাম লালমাই, কুমিল্লা
ফুটবলে মাতল লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় যখন মেতেছে সারা বিশ্বের ক্রীড়াপ্রেমীরা, তখন সেই আনন্দে শামিল হয়েছেন বসুন্ধরা শুভসংঘের কুমিল্লার লালমাই উপজেলা শাখার সদস্যরাও। খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও সুস্থ বিনোদনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে আয়োজন করা হয় এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দত্তপুরে বাগমারা ফুটবল এরিনা অ্যান্ড প্লেগ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে অংশ নেন বসুন্ধরা শুভসংঘ, লালমাই উপজেলা শাখার সদস্য ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দৈনিক কালের কণ্ঠের লালমাই-সদর দক্ষিণ (কুমিল্লা) উপজেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক লালমাই বার্তার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বাগমারা ফুটবল এরিনা অ্যান্ড প্লেগ্রাউন্ডের সভাপতি মো. রায়হানুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে মুখোমুখি হয় বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমাই উপজেলা শাখার সভাপতি ডেন্টিস্ট মফিজুল ইসলাম মুন্নার দল এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কাজী ইয়াকুব আলী নিমেলের দল।

খেলায় অংশ নেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. কাউছার আহমেদ জুয়েল, আল ইসরা মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মো. ইয়াকুব আলী, নাহিদুল ইসলাম, ফিজিওথেরাপিস্ট মিজানুর রহমান, ব্যবসায়ী হারেস আহমেদ, সাংবাদিক প্রদীপ মজুমদার, আনোয়ার হোসেন, সালামত উল্লাহ, শাহরিয়ার ইমন, সংগঠনের সহ-সভাপতি নাফিউ জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ সিরাজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক রিফাত, সাজ্জাদ হোসেন ছোটন, সাজ্জাদুল ইসলাম রাফসান, শাহাদাত হোসেন নয়ন, কেফায়েত উল্লাহ, ইভেন্ট সম্পাদক ইয়ামিন এবং বাগমারা ফুটবল এরিনা অ্যান্ড প্লেগ্রাউন্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক রাব্বি ইসলাম। প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি গোল শূন্যতে ড্র হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমাই উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ও আল ইসরা মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাছুম বিল্লাহ মুহাজির বলেন, গত কয়েক বছরে লালমাই উপজেলায় বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন বিতরণ, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ফ্রি মেডিক্যাল ও দন্তসেবা, নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা, অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা, হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার, বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক বর্জ্যের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ এবং মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে কর্মশালাসহ নানা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। শিক্ষা ও কর্মের পাশাপাশি আনন্দময় পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও সংগঠনটি নিয়মিত এমন আয়োজন করবে বলে আশা করছি।

বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমাই উপজেলা শাখার সভাপতি ডেন্টিস্ট মফিজুল ইসলাম মুন্না বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবীমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। খেলাধুলা মাদক, সহিংসতা ও অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

লালমাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ও সারিন টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, সামাজিক সংগঠনগুলোর এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করে। বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এই আয়োজনও প্রশংসার দাবি রাখে।

লালমাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উদ্দীপন বাগমারার প্রতিষ্ঠাতা মো. কামাল হোসেন বলেন, সংবাদকর্মী, শিক্ষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও তরুণদের একসঙ্গে নিয়ে এমন আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরো সুদৃঢ় করে। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও খেলাধুলার সমন্বয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অন্য সংগঠনগুলোর জন্যও অনুকরণীয়।

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার বৃক্ষরোপণ ও ফলদ চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার বৃক্ষরোপণ ও ফলদ চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও ফলদ গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) উত্তরার বিজয়নগর শান্তিনগর পল্লীর চন্দ্রবিন্দু পাঠশালার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ করা হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং আইইউবিএটির সহযোগী অধ্যাপক সাদেকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবিএটি শাখার উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক সামনান ওলি।

সাদেকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আজ রোপণ করা একটি গাছই আগামী প্রজন্মের জন্য নির্মল পরিবেশের ভিত্তি হতে পারে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’

মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের কর্মসূচি তরুণদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং তরুণদের সবুজায়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সম্পাদক দীপ সাহা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জাহার কবির, আইটি সেক্রেটারি তানজিল চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য আইশা, সায়েম, রাইমুন বিশ্বাস এবং সাধারণ সদস্য মো. শাহনেওয়াজ, সাদিয়া আফরিন দিয়া, ফাইরুজ, তারিকুল ইসলাম, স্নেহাসহ বসুন্ধরা শুভসংঘ আইইউবিএটি শাখার বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক।

আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

ohg

অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘পৃথিবীকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য রাখতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এই কলেজের প্রায় ৪০ থেকে ৪২ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে যদি একটি করে গাছ লাগায় কিংবা দুজন মিলে একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে বিশাল একটি সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা সম্ভব। গাছ আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই অপরিহার্য।’

ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, ‘দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের দেশব্যাপী সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আমাদের এই আয়োজন। ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোকে আরো সবুজ করে তুলতেই এসব চারা রোপণ করা হয়েছে।’

www

পরিবেশ সংরক্ষণে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে শুভসংঘের উপদেষ্টা প্রভাষক আসাদুল্লাহ আল গনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক অভিঘাত মোকাবেলায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজ ক্যাম্পাস এবং দুটি ছাত্রী হলে পেয়ারা, জাম, লেবু, বাদাম, মাল্টা, তেঁতুল, আম, লিচু ও জলপাইসহ শতাধিক ফলদ গাছের পাশাপাশি কৃষ্ণচূড়া, জবা, বকুল, গাঁদা ও গন্ধরাজসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

গাছের চারা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরাও। বেগম রোকেয়া হলের শিক্ষার্থী বর্ষা বলেন, ‘এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক শামসুল আলম এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার উপদেষ্টা ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আসাদুল্লাহ আল গনি, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিবুল ইসলাম শাকিল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম বিপ্লব, সদস্যসচিব রাফিউল ইসলামসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সায়েম নিশাত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালহা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-প্রচার সম্পাদক রাশেদুল আহসান মনির, সদস্য মো. মেহেদী হাসান, আল ইমরান, রাকিবুল হাসান, ফাহিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।