• ই-পেপার

ফেসবুকে রাশেদ খান

হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে

শিবির কি ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায় : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
শিবির কি ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায় : রাশেদ খান
সংগৃহীত ছবি

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদরা যেসময় ক্যাম্পাসে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়েছেন, তখনো শেখ মুজিবুর রহমান ফ্যাসিবাদের আইকন ছিলেন, এখনো ফ্যাসিবাদের আইকন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান ওই পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানকে ফ্যাসিবাদের আইকন জানার পরেও কেন তার নামে স্লোগান দেওয়া হলো? আর এখন কেন তার নামে থাকা হলের নাম পরিবর্তনের জন্য শিবির নেতারা আন্দোলন শুরু করেছেন? শেখ মুজিবুর রহমান কি গণ-অভ্যুত্থানের সময় জীবিত হয়ে ফিরে এসে সাদিক কায়েম বা ফরহাদের গালে থাপ্পড় মেরেছিলেন?’

পোস্টে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘নিশ্চয়ই এস এম ফরহাদ যখন ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম লেখান তখন শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ মেনেই নাম লিখিয়েছিলেন? গণ-অভ্যুত্থানের পরে শেখ মুজিবুর রহমান কি এমন দোষ করলেন যে, ফরহাদ সেই আদর্শ থেকে দূরে সরে এসে স্বয়ং তার নামে থাকা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জনক হতে চাচ্ছেন?

‘শিবির কি এখন শেখ মুজিবুর রহমানের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’ এমন প্রশ্ন উত্থাপন করে তিনি আরো লেখেন, ‘প্রকৃতপক্ষে শিবির শেখ মুজিবুর রহমানের থেকে শহীদ ওসমান হাদিকে বড় করতে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির কাছে আরো প্রাসঙ্গিক করে তুলছে। আর ওসমান হাদিকে আরো হালকা করছে।’

হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার
সংগৃহীত ছবি

পেশায় দিনমজুর মহিউদ্দিন। রাজনীতির জটিল সমীকরণ তেমন বোঝেন না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির বিপক্ষে বিএনপির শরিক দল গণঅধিকারের ট্রাক মার্কায় এজেন্ট হওয়ার অপরাধে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেন তার ওপর। মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানী টিমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব চিত্র।

হামলার শিকার মহিউদ্দিন জানান, জাতীয় নির্বাচনের দিন নিজ আত্মীয়ের কাছে ট্রাক মার্কায় ভোট চান তিনি। এ সময় এনসিপির নেতারা শাপলা কলিতে ভোট দিতে জোর করেন ভোটারকে। পরে ঘটনার এক পর্যায়ে মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থিত নেতাকর্মীদের। নির্বাচনের পরের দিন রাতে স্থানীয় বাজারে এনসিপি নেতা আল-আমিনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল মহিউদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান তিনি। এ সময় তার কাছে থাকা সন্তানের চিকিৎসা বাবদ ১১ হাজার টাকা লুট করেন এনসিপি নেতা আল আমিন ও তার লোকজন।

মহিউদ্দিনের স্ত্রী হ্যাপি বেগম জানান, বিএনপির রাজনীতি করার অভিযোগ দিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করার চেষ্টা করে হামলাকারীরা। তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ জনের ওপরে হবে। তারা ব্যারিকেড দিয়ে ৩ থেকে ৪ জন শুধু মারছে। আমার হাজবেন্ডের মাথায় গাই দিছে। আমার স্বামী বলছেন, ভাই আমি কিছু করি নাই। তারা কোনো কিছু শুনছে না, শুধু মারছে। তাকে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’

হ্যাপি বেগম আরো বলেন, ‘বিএনপিকে তারা শেষ কইরা দিবো। তাদের এতটুকুই ক্ষোভ। তারা বিএনপি চায় না। তারা চায় নতুন কিছু।’ 

হামলার শিকার মহিউদ্দিনের বড় ভাই জানান, এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে সেটি না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বলা হয় আগুন নিয়ে খেলবেন না। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেও দেবীদ্বারে আওয়ামী পুনর্বাসনে সরাসরি কাজ করেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এক হাসনাত আবদুল্লাহ দেবীদ্বারে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন।’

থানায় গিয়ে মামলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে হামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী মহিউদ্দিনের বাবা মনু মিঞা। সেখানেও হুমকি দেন হাসনাতের পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী বলে অভিযোগ তার।

মনু মিঞা বলেন, ‘যেটা হওয়ার হয়ে গেছে, আমরা এখন মিলেমিশে চলতে চাই। কিন্তু তারা একেকজন একেক রকম কথা বলে। তাদের ভাষাই আলাদা। তারা হুমকি দেয় আমরা এনসিপির লোক, দেইখ্যা দিমু। হাসনাত আবদুল্লাহর লোক এনসিপি করছে। তারা এখনো মানুষের ওপর জোর-জুলুম করছে। আমরা হাসনাতের বিচার চাই।’

এদিকে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ও হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী আল-আমিন মোল্লাকে ফোন দিলে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। কে বা কারা মহিউদ্দিনকে মেরেছে, তাদেরও নাকি তিনি চেনেন না।

তিনি বলেন, ‘মারামারিতে ছোট ছেলেপুলে ছিল। টাকা নিছে কি নিছে না, আমি জানি না।’

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে তিনি জানেন না এবং এ বিষয়ে কোনো মামলা করতেও কেউ আসেনি। নির্বাচনের দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। কেউ মামলা করতে আসছিল বলে আমার মনে পড়ে না।’

ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম

অনলাইন ডেস্ক
ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম
ছাত্রদল নেতা হামিম। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদকে ‘ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারি হামিম। তিনি দাবি করেন, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানীর ‘ধারা’ অনুসরণ করছেন ফরহাদ।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন হামিম।

তিনি বলেন, ‘এস এম ফরহাদ তার এক বক্তব্যে দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট রাতে নাকি ছাত্রদল হল দখল করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো—৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে সকলে মিলে যখন বিভিন্ন আনন্দ-উচ্ছ্বাস করছে, কেউবা স্বজন হারানোর বেদনায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে শোকরান আদায় করছে কোনো কিছুকে না দেখে ওই দিন দুপুরবেলায় তাদের সুদূর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা হলে অবস্থান নিয়ে হলগুলোকে দখল করেছিল ইসলামী ছাত্রশিবির।’

হামিমের দাবি, পরদিন বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তিনি ও তার সহপাঠীরা হলে উঠতে গেলে তাদের জানানো হয়, নতুন করে আবেদন ও ভাইভার মাধ্যমে হলে উঠতে হবে। প্রথমে তারা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলেও কয়েক মাস পর তাদের অনেকেই ছাত্রশিবিরের নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, যদি কোনো পুরুষ পুরুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নারীতে রূপান্তরিত হয় বা কোন নারী যদি নারী হিসেবে জন্ম লাভ করে ইচ্ছা করে পুরুষে রূপান্তরিত হয় এটা যেমন ইসলামে হারাম, আমরা একইভাবে মনে করি যারা কখনো নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থী, কখনো বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বলে আবার কিছুদিন পর রূপান্তরিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা বুনে যায় এটাও হয়তোবা হারাম।’

শেখ তানভীর বারি হামিম বলেন, ‘আমরা একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।’

শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?
সংগৃহীত ছবি

সবুজ ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে মাটির আলপথ। সেই পথ ধরে একটি গন্ধগোকুলকে জরিয়ে ধরে হেঁটে যাচ্ছে ছোট এক শিশু। তাকে পেছন পেছন অনুসরন করছে বিশাল এক সজারু। রূপকথার মতো এমন একটি দৃশ্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকেই ভেবেছিলেন, দৃশ্যটি বাংলাদেশের। তবে প্রকৃতপক্ষে দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়।

ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে সজারু এমন দৃশ্যের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, শ্রীলঙ্কার এক ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গত ১২ জুন মূল ভিডিওটি প্রথম প্রভাত সিলভা নামে শ্রীলঙ্কান এক ব্যক্তির ফেসবুক প্রোফাইলে পাওয়া যায়। শ্রীলঙ্কার সিংহলিজ ভাষার ক্যাপশনে ভিডিওটি সম্পর্কে লেখা হয়, “যে ছোট ভাই তার বোনের সাথে কুবুরুতে যায়।”

বাংলাদেশের প্রকৃতি, পরিবেশের সঙ্গে অনেকটা মিলে যাওয়ায় অনেকে এটিকে বাংলাদেশের মনে করলেও এটি মূলত শ্রীলঙ্কার। তবে ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট সীমানা নেই। শিশুটির এমন দৃশ্য শ্রীলঙ্কার হলেও দৃশ্যটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা।