• ই-পেপার

ভক্তদের দুঃসংবাদ দিলেন জার্মান গোলরক্ষক নয়্যার

ব্রাজিলের একাদশে পরিবর্তন আনছেন আনচেলত্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের একাদশে পরিবর্তন আনছেন আনচেলত্তি
ছবি : রয়টার্স

মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করায় বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে প্রথম ম্যাচের এই ধাক্কায় একেবারেই আতঙ্কিত নন সেলেসাওদের মাস্টারমাইন্ড কার্লো অ্যানচেলত্তি। আগামীকাল শুক্রবার ভোরে গ্রুপ ‘সি’র ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল আগের ভুলগুলো শুধরে নেবে বলেই মনে করেন তিনি। 

নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ইসমায়েল সাইবারির গোলে মরক্কো শুরুতে এগিয়ে গেলে বড় বিপদে পড়েছিল ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত ভিনিসিউস জুনিয়রের জাদুকরী এক ঝলকে কোনোমতে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

এবার ফিলাডেলফিয়ায় শুক্রবার ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের অন্যতম পুঁচকে দল হাইতি, যারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরেছে। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে ব্রাজিলের বড় জয় অনুমেয় হলেও আনচেলত্তি মূলত দলের সামর্থ্য ও উন্নতির দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন।

ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড ব্রাজিলের একাদশ কেমন হবে তা খোলসা না করলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, দলে একঝাঁক পরিবর্তন না এনে কিছু জায়গায় সমন্বয় করা হবে। 

তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছি... আমাদের ভারসাম্য এবং খেলার ধরণ আরো উন্নত করতে হবে। আমরা এর চেয়েও ভালো করতে পারি এবং আমাদের আরও ভালো করতেই হবে।’

প্রথম ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ঘাটতির পেছনে ঐতিহাসিক ‘হলুদ জার্সি’র বাড়তি চাপকে অন্যতম কারণ মনে করছেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘প্রথম হাফটা কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল। উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে চাপানোর মানসিক চাপ হয়তো খেলোয়াড়দের অবচেতন মনে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘শুরুটা ভালো করা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটাই সব নয়। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথমার্ধে যারা ভালো করতে পারেনি, তাদের আমি আরো সুযোগ দিতে চাই। সে ম্যাচে আমাদের দলের কেউই নিজেদের সেরাটা দিতে পারেনি। তবে আমি মনে করি না প্রথম ম্যাচগুলো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণ করে দেবে।’ 
 

ঐতিহাসিক জয়েও কানাডার বিষাদ, ক্যারিয়ার নিয়ে ঝুঁকিতে পা ভাঙা তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
ঐতিহাসিক জয়েও কানাডার বিষাদ, ক্যারিয়ার নিয়ে ঝুঁকিতে পা ভাঙা তারকা
ছবি : রয়টার্স

মুহূর্তটি হতে পারত পরম আনন্দ আর বাঁধভাঙা উদযাপনের। ঠিক ৪০ বছর আগে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছিল কানাডা। চার দশক পর ঘরের মাঠে, কানায় কানায় পূর্ণ ভ্যানকুভার স্টেডিয়ামের গর্জনের সামনে কাতারকে ৬-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়ল তারা। এই জয়ে শেষ ৩২-এর টিকিটও প্রায় নিশ্চিত ‘দ্য রুকস’দের। কিন্তু এমন এক ঐতিহাসিক ও গৌরবময় দিনকে ম্লান করে দিল ইসমায়েল কোনের এক ক্যারিয়ার হুমকিতে ফেলা ভয়ংকর চোট। পুরো কানাডা শিবিরে এখন আনন্দের চেয়ে কান্নার রোলই বেশি।

ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে, কানাডা তখন ৩-০ গোলে এগিয়ে। ২৪ বছর বয়সী তারকা মিডফিল্ডার কোনে বল রিসিভ করার পরপরই কাতারের আসিম মাদিবো অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে তাকে চ্যালেঞ্জ করেন।

কোনে এবং তার আশেপাশের খেলোয়াড়দের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াই বুঝিয়ে দিচ্ছিল কতটা ভয়াবহ ছিল সেই ফাউল। মাঠে লুটিয়ে পড়া কোনের চোখে-মুখে তখন তীব্র যন্ত্রণার ছাপ, পা ভেঙে যাওয়ার দৃশ্যটি ছিল স্পষ্ট। 

সতীর্থরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে ছুটে আসেন, রেফারি দ্রুত খেলা থামিয়ে মেডিকেল টিমকে মাঠে ডাকেন। ওদিকে অপরাধবোধে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন কাতার ডিফেন্ডার মাদিবো। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, হাতাহাতির উপক্রম হয়।

চোটের ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে, চলতি বিশ্বকাপ তো বটেই, কোনের ফুটবল ক্যারিয়ারই এখন বড় শঙ্কায়। তবে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়ার সময়ও গ্যালারির দিকে তাকিয়ে বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে দর্শকদের সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় এই অকুতোভয় ফুটবলারকে।

ম্যাচ শেষে অশ্রুসিক্ত চোখে কানাডার কোচ জেসি মার্শ বলেন, ‘ঘটনাটি একদম আমাদের চোখের সামনে ঘটেছে। হাড় ভেঙে যাওয়ার শব্দ আমরা সবাই শুনতে পেয়েছি। আমি এখনো ইসমায়েলের সঙ্গে কথা বলতে পারিনি, ও হাসপাতালে আছে। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে।’ 

মার্শ আরো বলেন, ‘চোটের ধরন দেখে দলের সবাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কোনে আমাদের দলের হৃদপিণ্ড। ওকে হারানো আমাদের জন্য এক বিশাল ক্ষতি।’

তবে কোনের সেই স্ট্রেচারে শুয়ে সমর্থকদের হাত নাড়ার দৃশ্যটি ছুঁয়ে গেছে কোচকে। তিনি বলেন, ‘এটিই ইসমায়েল। আর এই দলটার চরিত্রও অসাধারণ। আমি বছরের পর বছর ধরে এই দলটার মানসিক শক্তির কথা বলে আসছি। সবাই ভেতরে ভেতরে চূর্ণ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু আমাদের খেলায় মনোযোগ ধরে রাখতেই হতো।’

মনোযোগ তারা ধরে রেখেছিল ঠিকই। কোনের বিদায়ের পর স্তব্ধ গ্যালারি আর মাঠের খেলোয়াড়রা যেন এক সুতোয় গেঁথে গেলেন। কানাডা আরও তিনটি গোল করে কাতারের জাল ছিন্নভিন্ন করে দেয়। 

দ্বিতীয়ার্ধের পানিবিরতির (হাইড্রেশন ব্রেক) সময় ডাগআউটে কেঁদে ফেলেন কোচ মার্শ। আর কোনের বদলি হিসেবে নামা নাথান সালিবা দলের চতুর্থ গোলটি করার পর কোনের জার্সি উঁচিয়ে ধরে সতীর্থের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করেন।

মার্শ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘ও আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে এবং দুর্দান্ত ক্যারিয়ার গড়বে। ওয়াটার ব্রেকের সময় আমি ছেলেদের বলেছিলাম—কোনে চাইত আমরা ম্যাচটা শেষ করি, ছেলেরা সেটাই করেছে।’

মার্শ নিশ্চিত করেছেন যে, কাতারের মাদিবো ম্যাচ শেষে কানাডার ড্রেসিংরুমে এসে কোনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। মার্শের বলেন, ‘ও ড্রেসিংরুমে এসেছিল দুঃখপ্রকাশ করতে। আমার মনে হয় না ও ইচ্ছা করে এত ভয়ংকর ফাউল করেছে। আমি ওকে দোষ দিচ্ছি না, তবে ওদের ড্রেসিংরুমের বেঞ্চের আচরণ আমি বুঝতে পারিনি।’ 

এই ফাউলের কারণে মাদিবো লাল কার্ড দেখেন। এর আগে প্রথমার্ধে তাজন বুকাননকে ফাউল করে লাল কার্ড পেয়েছিলেন হোমাদ আল আমিন। ফলে ৯ জনের দল নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে হয় কাতারকে। 

যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা ভক্তদের ওপর গুলি, নিহত ১

ক্রীড়া ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা ভক্তদের ওপর গুলি, নিহত ১
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের মাঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জয়জয়কার। কিন্তু মাঠের বাইরের এক রক্তক্ষয়ী ঘটনা এবার বিষাদের ছায়া ফেলল ফুটবল বিশ্বকাপে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গুলির ঘটনায় আর্জেন্টিনার একদল আমেরিকান সমর্থককে বহনকারী উবারচালক আহত হয়েছেন। এছাড়া পৃথক গুলির ঘটনায় আরো তিনজন আহত ও একজন নিহত হয়েছেন। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে শহরের প্রায় পাঁচ মাইল এলাকায় পাঁচটি পৃথক গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে তিনটি হামলা হয় ইন্টারস্টেট-৭০ ও ইন্টারস্টেট-৬৭০ মহাসড়কে।

ঘটনাস্থলগুলো আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়া অ্যারোহেড স্টেডিয়াম থেকে অন্তত চার মাইল দূরে ছিল।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওনকে দুই আর্জেন্টিনা সমর্থক জানান, তারা উবারে করে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছিলেন।

এ সময় একটি গাড়ি তাদের পাশ দিয়ে গিয়ে দুটি গুলি ছোড়ে। এতে উবার চালকের পায়ে গুলি লাগে। প্রথমে তারা মনে করেছিলেন গাড়ির টায়ার ফেটে গেছে। পরে চালককে আহত অবস্থায় দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন।
ঘটনার পর পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে জবানবন্দি নেয়। পরে টহল গাড়িতে করে তাদের স্টেডিয়ামে পৌঁছে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আহত উবার চালকের অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে সংঘটিত তিনটি গুলিবর্ষণের সময় সব গাড়িই পূর্ব দিকে যাচ্ছিল। বাকি দুটি ঘটনা ঘটে শহরের প্রধান সড়ক ট্রুম্যান রোডে।

এ ঘটনায় তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক ও এক কিশোর আহত হয়েছেন। সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ট্রুম্যান রোডে একটি গাড়ি খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। চালককে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার শরীরে গুলির আঘাত শনাক্ত করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

পুলিশ কর্মকর্তা জ্যাকব বেকিনা জানান, ভুক্তভোগীদের সবাই জানিয়েছেন, তারা সড়ক বা মহাসড়কে গাড়ি চালানোর সময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল।

তদন্তকারীদের ধারণা, অল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত এসব গুলিবর্ষণের পেছনে একই সন্দেহভাজনের হাত রয়েছে।

পরে পুলিশ শহরতলি ইনডিপেনডেন্সের একটি বাড়িতে সন্দেহভাজনের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়। তবে বুধবার সকাল ৮টার দিকে সেখানে প্রবেশ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, কানসাস সিটি পুলিশ জানিয়েছে, ১১ জুনের একটি অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের মামলায়ও ওই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে ‘মধুর সমস্যা’ আর্জেন্টিনার

ক্রীড়া ডেস্ক
অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে ‘মধুর সমস্যা’ আর্জেন্টিনার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনটা দুর্দান্তভাবে শুরু করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে আগামী সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এক ‘মধুর সমস্যা’য় পড়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। বিশেষ করে আক্রমণভাগে লাউতারো মার্টিনেজ নাকি হুলিয়ান আলভারেজ—কাকে দিয়ে শুরুর একাদশ সাজাবেন, তা নিয়ে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ইন্টার মিলানের স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ। মাঠে জালের দেখা না পেলেও তার অবিশ্বাস্য শারীরিক ফুটবল ও কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেছেন খোদ স্কালোনি। তবে ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে লাউতারোকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামিয়েছিলেন হুলিয়ান আলভারেজকে।

মজার বিষয় হলো, এই দৃশ্যটি কাতার বিশ্বকাপের সেই চেনা স্মৃতিকেই যেন ফিরিয়ে এনেছে। সেবারও প্রথম দুই ম্যাচে লাউতারোকে দিয়ে শুরু করলেও চোট ও ফর্মহীনতার কারণে তৃতীয় ম্যাচ থেকে তার জায়গা কেড়ে নিয়েছিলেন আলভারেজ। গোড়ালির চোট কাটিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের আলভারেজ এখন পুরোপুরি ফিট, যা স্কালোনির জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি একাদশ গড়ার ক্ষেত্রে বড় ভাবনারও।

আর্জেন্টাইন পরাশক্তি বোকা জুনিয়র্সের সাবেক গোলরক্ষক কার্লোস নাভারো মন্তোয়া এই প্রতিযোগিতাকে দলের জন্য বড় আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, ‘মার্টিনেজ হলো একজন জাত ফিনিশার, বক্সের ভেতরের বাঘ। অন্যদিকে হুলিয়ান বক্সের ভেতরে ও বাইরে সমান কার্যকর এবং প্রতিপক্ষকে হাই-প্রেসিং করার ক্ষেত্রে তার সক্ষমতা অনেক বেশি।’

আক্রমণভাগের পাশাপাশি রক্ষণভাগেও কিছু পরিবর্তনের আভাস মিলছে। আলজেরিয়া ম্যাচে রাইট-ব্যাকে শুরুতে খেলেছিলেন গনজালো মন্তিয়েল, তবে দ্বিতীয়ার্ধেই তার জায়গায় নামানো হয় স্কালোনির নিয়মিত ভরসা নাহুয়েল মলিনাকে। অস্ট্রিয়ার গতিময় উইঙ্গারদের রুখতে মলিনা শুরুর একাদশে ফিরছেন—এটা প্রায় নিশ্চিত।

এদিকে কাফ ইনজুরির কারণে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নির্ভরযোগ্য লেফট-ব্যাক নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, তার জায়গায় খেলেছিলেন ফাকুন্দো মেদিনা। তবে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) আশার বাণী শুনিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তাগলিয়াফিকো মাঠে ফিরেছেন এবং ইতিবাচকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

দল নির্বাচন নিয়ে স্কালোনি সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘দল গঠন করতে ১১ জন খেলোয়াড় লাগে এবং আমি সবসময় নিখুঁত কম্বিনেশনের খোঁজ করি।’ 

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সোমবার জিতলেই এক ম্যাচ হাতে রেখে শেষ ১৬ বা নক-আউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাবে আলবিসেলেস্তেদের। এখন দেখার বিষয়, এই মধুর সমস্যা সামলে কেমন একাদশ মাঠে নামান মাস্টারমাইন্ড স্কালোনি।