• ই-পেপার

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেলে অন্তর্ভূক্তি নিয়ে কাজ চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেলে অন্তর্ভূক্তি নিয়ে কাজ চলছে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেলে অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন  শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। সব সমস্যার সমধান হয়নি, হবেও না। পে স্কেলে তাদের অন্তর্ভূক্তি নিয়ে কাজ চলছে।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, কোনোরকম প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ছাড়াই এবারের এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে আগামী ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সংগীতসহ সব ধরনের প্রতিযোগিতা করছি। শিক্ষার্থীদের কালচারারি ডেভেলপ করার জন্য করছি। নৈতিকতা, ফ্যামিলি ভ্যালুজ সব শেখানো হচ্ছে।

মোবাইল ব্যাংকিং যাচাইকরণ না হলে বন্ধ থাকবে উপবৃত্তি

বাসস
মোবাইল ব্যাংকিং যাচাইকরণ না হলে বন্ধ থাকবে উপবৃত্তি
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি ও সমমানের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দ্বারা ভ্যালিডেশন সম্পন্ন করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের স্কিম পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ আসাদুল হক স্বাক্ষরিত এক পত্রে দেশের সকল উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে নিবন্ধিত উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেসব শিক্ষার্থীর মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এখনও অভিভাবকের এনআইডি দ্বারা ভ্যালিডেশন করা হয়নি, সেসব তথ্য সংশোধনের সুযোগ দিতে ‘মোবাইল ব্যাংক তথ্য আপডেট’ অপশন ১৭ জুন থেকে ২০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিভাবকের এনআইডি’র মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ভ্যালিডেশন সম্পন্ন না হলে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। ফলে উপবৃত্তির অর্থ প্রাপ্তিতে যে কোনো ধরনের জটিলতা এড়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় ভ্যালিডেশন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ধাপ :

প্রথমে এইচএসপি-এমআইএস-এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে লগ ইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ডে ‘বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী’ অপশনে ক্লিক করে ‘মোবাইল ব্যাংক তথ্য আপডেট’ মেনুতে যেতে হবে। সেখানে ‘খুঁজুন’ বাটনে ক্লিক করলে সক্রিয় উপকারভোগী শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রদর্শিত হবে।

পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর তথ্যের পাশে থাকা ‘সম্পাদনা’ অপশনে ক্লিক করে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) নির্বাচন করতে হবে।সেবা প্রদানকারী হিসেবে রকেট, বিকাশ, নগদ, উপায় অথবা এমক্যাশের মধ্যে যে কোনো একটি নির্বাচন করে হিসাবধারীর নাম ও মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে। সবশেষে ‘হালনাগাদ’ অপশনে ক্লিক করে তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আরও জানিয়েছে, এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীর অভিভাবকের যে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংরক্ষিত রয়েছে, সেই এনআইডি নম্বরের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরের সিম নিবন্ধিত থাকতে হবে এবং একই এনআইডি ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা থাকতে হবে। অন্যথায় ভ্যালিডেশন সম্পন্ন হবে না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, উপবৃত্তির অর্থ সঠিক উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানো, জালিয়াতি প্রতিরোধ ও ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি অভিভাবকের নিয়ন্ত্রিত মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে নিরাপদে পৌঁছানো সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দেশের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে দীর্ঘদিন ধরে উপবৃত্তি সহায়তা প্রদান করে আসছে। নতুন এই ভ্যালিডেশন কার্যক্রম উপবৃত্তি ব্যবস্থাপনাকে আরো স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

দেশের একমাত্র ‘কিউ-২’ জার্নাল বাকৃবির ‘জাভার’, এশিয়ায় দশম স্থান

বাকৃবি প্রতিনিধি
দেশের একমাত্র ‘কিউ-২’ জার্নাল বাকৃবির ‘জাভার’, এশিয়ায় দশম স্থান
ছবি: কালের কণ্ঠ

আন্তর্জাতিক গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন এক মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে প্রকাশিত গবেষণা সাময়িকী ‘জার্নাল অব অ্যাডভান্সড ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল রিসার্চ (জাভার)’। স্কোপাসভুক্ত বাংলাদেশের জার্নালগুলোর মধ্যে এটিই বর্তমানে একমাত্র ‘কিউ-২’ জার্নাল।

সম্প্রতি স্পেনভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশনস র‍্যাঙ্কিংস ‘সিমাগো জার্নাল র‌্যাঙ্ক-২০২৫’ প্রকাশ করেছে। ওই র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, স্কোপাসভুক্ত বাংলাদেশের সব গবেষণা সাময়িকীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বাকৃবি থেকে প্রকাশিত ‘জাভার’। একই সঙ্গে ভেটেরিনারি সায়েন্স বিষয়ে এশিয়ার মধ্যে দশম স্থান লাভ করেছে সাময়িকীটি।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের মেডিসিন কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন জার্নালটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক অধ্যাপক ড. কে. এইচ. এম. নাজমুল হুসাইন নাজির।

অধ্যাপক ড. নাজির বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত ১৪টি গবেষণা সাময়িকী স্কোপাস ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করেছে ‘জাভার’। অন্যদিকে, ভেটেরিনারি বিজ্ঞান বিষয়ে এশিয়ার ৪৪টি সাময়িকীর মধ্যে দশম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে নতুন মর্যাদা লাভ করেছে বাংলাদেশি এই জার্নাল। বাকৃবির মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগ থেকে পরিচালিত এবং নেটওয়ার্ক ফর দ্য ভেটেরিনারিয়ানস অব বাংলাদেশ (বিডিভেটনেট) কর্তৃক প্রকাশিত এই জার্নালটি গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশের একমাত্র ‘কিউ-২’ জার্নাল হিসেবে স্বীকৃতি ধরে রেখেছে। আমরা আর মাত্র দুটি জার্নালকে পেছনে ফেলতে পারলে ‘কিউ-১’ শ্রেণিতে উন্নীত হতে পারব। এটি কঠিন হলেও আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু এশিয়াতেই নয়, বৈশ্বিক পর্যায়েও উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছে ‘জাভার’। সিমাগো জার্নাল র‌্যাঙ্ক-২০২৫ অনুযায়ী, বিশ্বের ২০৪টি ভেটেরিনারি বিজ্ঞান সাময়িকীর মধ্যে এর অবস্থান ৫৪তম। বর্তমানে সাময়িকীটির এসজেআর স্কোর ০.৪৬২, উদ্ধৃতিভিত্তিক স্কোর ৩.০ এবং মানসূচক শ্রেণিতে ‘কিউ-২’ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া এর এইচ-ইনডেক্স ২৯, ইমপ্যাক্ট স্কোর ১.৫ এবং পাঁচ বছরের গড় ইমপ্যাক্ট স্কোর ১.৯।”

ড. নাজির জানান, প্রাণিসম্পদ, ভেটেরিনারি চিকিৎসা, প্রাণিস্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গবেষণা প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে ‘জাভার’। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত জার্নালটি প্রতি বছর মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর—এই চারটি সংখ্যায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়। প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায়, ২০১৮ সালে এটি প্রথমবারের মতো স্কোপাসে অন্তর্ভুক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত জার্নালটিতে ১ হাজার ৭০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যার সবগুলোই স্কোপাস ইনডেক্সভুক্ত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য ‘জাভার’-এ জমা দেওয়া হচ্ছে।

জার্নালটির সম্পাদক প্যানেলের সদস্যরা জানান, ‘জাভার’-এর এই অর্জন দেশের গবেষণা প্রকাশনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গবেষণার নতুনত্ব, কঠোর রিভিউ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, মানসম্পন্ন সম্পাদকীয় ব্যবস্থাপনা এবং প্রকাশনার গুণগত মান নিশ্চিত করার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে জার্নালটি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মকবুল হোসেন, সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলমসহ ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং জার্নালের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা।

নোবিপ্রবিতে নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবন-১ থেকে বিবি খাদিজা হল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের (সি গ্রেড) ইট এবং ঘাস ও মাটি মিশ্রিত বালু ব্যবহার করা হচ্ছিল। এর আগে ব্যবহৃত ইটের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী সংশ্লিষ্ট ইটগুলো ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিছু ইট সরিয়ে নিলেও বাকি অংশের উপর পুনরায় কাজ শুরু করে।

সকালে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি লক্ষ্য করে আপত্তি জানালে একপর্যায়ে তাদের বাধার মুখে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে উপাচার্য এবং উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা দপ্তর (ডিপিডি) এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ডিপিডির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বলেও উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন।

পরিদর্শনের সময় ঘাস ও মাটি মিশ্রিত বালু সরিয়ে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ব্যবহৃত ইট ও বালুর গুণগত মান পরীক্ষা করতে সেগুলোর নমুনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পরীক্ষাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্যের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ডিপিডি দপ্তরের একজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই নিম্নমানের ইটের ওপর মসলা প্রয়োগ করা হয়েছে এবং নিম্নমানের বালু ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ডিপিডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরমানুল কবির বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরপরই আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রতিবেদনে ইটের মান নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হলে তা অবিলম্বে পরিবর্তনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পাওয়ার পর কাজের গুণগত মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে ডিপিডিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ইট পরিবর্তন করা হলেও শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট না হওয়ায় বিষয়টি আরো যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডিপিডি দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার অবহেলা ও দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’