• ই-পেপার

মেধাবীদের খোঁজে ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচদিন বজ্রসহ ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝার ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান রাষ্ট্রীয় সফরে যোগ দিতে আজ রাতে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই সরকারি সফরে তথ্যমন্ত্রী রাত ১০টা ৩০ মিনিটে এয়ার চায়নার একটি নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন।

তথ্যমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠেয় উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় অংশ নেবেন।

সফরের অন্যতম প্রধান দিক হিসেবে চীনের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গণমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হবে।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন চীনের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)’ এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বিষয়ক বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করবেন। চীনের পক্ষে দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এসব সমঝোতা স্মারকে সই করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ সরকারের আরো কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন।

লিবিয়া থেকে ফিরছেন ১৭০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
লিবিয়া থেকে ফিরছেন ১৭০ বাংলাদেশি
সংগৃহীত ছবি

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর যৌথ সহযোগিতায় বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

জানা গেছে, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে (ফ্লাইট নং UZ222) রওনা হয়ে বুধবার সকাল ৫টায় তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।

প্রত্যাবাসনকৃতদের একটি বড় অংশই লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে (আটক কেন্দ্র) বন্দি ছিলেন। এর মধ্যে ৮৬ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৩৫ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এছাড়া বাকি ৪৯ জন বাংলাদেশি ত্রিপলীর বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল অবস্থায় ছিলেন, যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার আবেদন জানান। ফেরত আসা অভিবাসীদের মধ্যে ৫ জন শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ বলে জানা গেছে।

দেশে ফেরার আগে ত্রিপলীতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রত্যাবাসনপ্রার্থীরা। এ সময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) এবং প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসনের ভয়াবহ ঝুঁকি ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করেন। তিনি ফিরে যাওয়া নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দেশে ফিরে অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখুন। একই সঙ্গে যারা আপনাদের এই বিপদে ফেলেছে, সেই মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।’

দূতাবাস জানিয়েছে, লিবিয়ায় আটকে থাকা এবং ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ত্রিপলীর বাংলাদেশ দূতাবাস।

সংসদে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

ঢাকায় ভূমিকম্প-সহনশীল ৪৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকায় ভূমিকম্প-সহনশীল ৪৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা
সংগৃহীত ছবি

সরকার ঢাকায় ভূমিকম্প-সহনশীল ৪৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৫৬ ও উত্তর সিটি এলাকায় ১৮৯ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এসব স্থানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমিকম্প-সহনশীল আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণার জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখার জন্য একটি সমন্বিত ভলান্টিয়ার ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য নিয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ভূমিকম্প ও সুনামি পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ ভূমিকম্প ও সুনামি-প্রবণ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় প্রস্তুতি ও ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প-সহনশীল অবকাঠামো নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মেনে চলার বিষয়টিও কঠোরভাবে জোরদার করা হচ্ছে।’