• ই-পেপার

রামিসার মায়ের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন ডা. রফিক

মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত জরুরি : ডিসি ফরিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত জরুরি : ডিসি ফরিদা

একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি ফরিদা বলেন, সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাদের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং তারা সন্তানদের নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত হবেন। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালসহ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো সুস্থ ও সবল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।

যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসির সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসির সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্রতত্র ময়লা-বর্জ্য ফেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বিডি ক্লিন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৩ টায় নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলের ২২টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুরো এলাকাকে ১০টি ব্লকে বিভক্ত করে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বা হটস্পটে কাজ করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সপ্তাহে সাত দিনই বিডি ক্লিনের ৭০ জন এবং রেড ক্রিসেন্টের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে থাকবেন। তারা নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যাপারে সচেতন করবেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাবেন, ওয়েস্টবিনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন এবং সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনকে জরিমানা করার সুপারিশও করবেন তারা।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’

​তিনি আরো বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার যে লক্ষ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গ্রহণ করেছে, এই যৌথ উদ্যোগ তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই পরিচ্ছন্নতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।’

​অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব জনাব মো. জয়নুল আবেদীনসহ করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিডি ক্লিন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির আড়াই হাজার মামলা

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির আড়াই হাজার মামলা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৫৩৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মধ্যে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০টি বাস, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ১২টি সিএনজি ও ৪৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০৬টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি সিএনজি ও ৯৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮৪টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৫টি বাস, ২টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৮৪ টি সিএনজি ও ২৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৯৭টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩২টি বাস, ২৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩১ টি সিএনজি ও ৮২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৯টি বাস, ২টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ৩৯টি সিএনজি ও ৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৪টি বাস, ১৭টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ৬৮টি সিএনজি, ৩৪১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫৩৩টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৬০টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৭৭টি সিএনজি ও ২০০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৮১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩৫টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৫১টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৬টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানকালে মোট ৫৪৬টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪১৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ লক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, রাজধানীর ধানমন্ডি, শাহবাগ, আবরার ফাহাদ এভিনিউ, বাংলামোটর, কাওরান বাজার, শেরেবাংলা নগর ও মহাখালীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবি মোতায়ন করা হলো।

এর আগে দেশের ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর ও মৌলভীবাজার। সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবি সদর দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

এ ছাড়া, দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েনের লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা স্ট্যান্ডবাই রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, দিবসটিতে যেকোনো নাশকতা রোধে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। মধ্য রাত থেকেই টহলে নামে সেনাবাহিনী। নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ, র‍্যাব।