• ই-পেপার

কক্সবাজার বিমান ঘাঁটি পরিদর্শন করলেন বিমান বাহিনী প্রধান

মৌলভীবাজারে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেট কার উদ্ধার

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
মৌলভীবাজারে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার, প্রাইভেট কার উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার, রামদা, ছোরা, সুইস গিয়ার ছুরি ও কাটারসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মোট ৪৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ৩৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্নার নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল উপজেলার ১১ নম্বর শরীফপুর ইউনিয়নের মানগাঁও ত্রিমোহনী সড়কে অভিযান চালায়। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পূর্ব সৈয়ারপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মো. কাউছার মিয়া (৩২), বেরিরচক গ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে জসিম মিয়া (৩৫), কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বিলেরপাড় গ্রামের মৃত ইসমাইল আলীর ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৯) এবং কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগরের সতিজিরগ্রাম গ্রামের আসুক আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম মামুন (২৮)।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি করোলা প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ-১৩-৪৫৯৮), একটি হলুদ হাতলযুক্ত কাটার, একটি স্টিলের সুইস গিয়ার ছুরি, একটি লোহার রামদা এবং একটি লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ তালিকাভুক্ত করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এর আগের রাতে (২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুলাউড়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর যৌথ অভিযানে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হাসপাতাল রোড এলাকা থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আরেক সদস্য দেলোয়ার হোসেন ওরফে আহাদ মিয়া (৪৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজনগর উপজেলার কদমহাটা গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়া কাউছার মিয়ার বিরুদ্ধে ১১টি, জসিম মিয়ার বিরুদ্ধে ১২টি, সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ৯টি এবং দেলোয়ার হোসেন ওরফে আহাদের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার অধিকাংশই চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি-সংক্রান্ত।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে আন্তঃজেলা অপরাধচক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন সড়ক, গ্রামীণ জনপদ ও নির্জন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুলাউড়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পরিচালিত এসব অভিযানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না।

পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হাতাহাতি, পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হাতাহাতি, পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রংপুরের পীরগাছায় পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনায় চান মিয়া (৫০) নামের এক পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী মিথুন মিয়াকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের দিগটারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

চান মিয়া ওই গ্রামের আজগার আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ের বিয়ে হয়েছে।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, চান মিয়া ঢাকায় চাকরি করার সময় তার স্ত্রী মুক্তি বেগম প্রতিবেশী দুলু মিয়ার ছেলে মিথুন মিয়ার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক বছর আগে কৌশলে চান মিয়াকে দিয়ে প্রায় আড়াই বিঘা জমি নিজের নামে লিখে নেন বলেও পরিবারের অভিযোগ।

স্বজনদের দাবি, গত ঈদুল আজহার কয়েক দিন আগে ঢাকায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে চান মিয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে তিনি আর ঢাকায় না গিয়ে বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্তের কথা স্ত্রীকে জানান। এর কিছুদিন পর মুক্তি বেগম পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। যাওয়ার সময় তিনি বাড়ির আসবাবসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার দিন চান মিয়া জানতে পারেন, তাকে তালাক না দিয়েই তার স্ত্রী প্রতিবেশী মিথুন মিয়াকে বিয়ে করে সুন্দরগঞ্জের ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। বিষয়টি জানতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি ইটভাটার কাছে মিথুন মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে যান তিনি। এসময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির সময় চান মিয়া মাটিতে পড়ে যান। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় মিথুন মিয়া দৌড়ে পাশের জিয়ার বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে স্থানীয়দের হাতে আটক মিথুন মিয়াকেও থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতেই নিহতের ভাগ্নে আলম মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনাস্থলে একজনকে স্থানীয় লোকজন আটকে রেখেছিলেন। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নাচোলে পুকুরে ডুবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
নাচোলে পুকুরে ডুবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে বিবি হাওয়া (১২) নামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে নাচোলের শানপুর গ্রামের মো. নুরুজ্জমানের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নানার বাড়ি নাচোলের ফতেপুর গ্রামে বেড়াতে গিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসলে নামে বিবি হাওয়া। এক পর্যায়ে পানিতে তলিয়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে।

নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যব্স্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যা মামলাকে ‘মিথ্যা মামলা’ দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন মামলার এক পলাতক আসামি। ওই পোস্টে তিনি মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নিজেকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেন, যা স্থানীয়ভাবে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

পলাতক ওই আসামির নাম আল ইমরান খান। তিনি গৌরীপুর থামায় দায়েরকৃত মানিক মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি লেখা পোস্ট করে এই দাবি জানান আল ইমরান খান।

ফেসবুকের ওই পোস্টে আল ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করে সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছু জানানো হবে সে কথাও ফেসবুকের ওই পোস্টে  জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টের ওই লেখার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিহত মানিক মিয়ার ভাই সুখ মিয়ার কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন এই পলাতক আসামি। 

ফেসবুক পোস্ট তিনি লিখেছেন- ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই। মানিক মাদক ব্যবসায়ী জনরোসে না রোড এক্সিডেন্টে মৃত্যুবরণ করেছে তা আমরা জানি না। তার ভাই সুখমিয়া ও হীরা জুলাই হত্যা মামলার আসামি (তারা এখনো গ্রেপ্তার হচ্ছে না) পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র রফিকের সন্ত্রাসী বাহিনী অন্যতম ক্যাটার ছিল তারা। তারা এমন কোনো জঘন্য অপরাধ নাই তারা করেনি, মানিক মাদক ব্যবসায়ী অনেককেই মাসোয়ারা দিত, তারা কারা গৌরীপুরবাসী জানতে চায়, আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করুন সত্য প্রকাশ করুন।

অবশ্যই সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছুই জানানো হবে ইনশাআল্লাহুল আজিজ।’

এর আগে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয় সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল ইমরান খানসহ নাম উল্লেখ করা ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শোয়েব মুন্সী ও তার সহযোগীরা মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পরপরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য আল ইমরান খান এবং গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান ফেসবুক স্ট্যাটাস নজরে এসেছে এ নিয়ে কাজ করছি। অভিযুক্ত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।