• ই-পেপার

সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে

হাদিসের বাণী

থুথু ফেলার ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)-এর বিশেষ সতর্কতা

ইসলামী জীবন ডেস্ক
থুথু ফেলার ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)-এর বিশেষ সতর্কতা
সংগৃহীত ছবি

আনাস (রা.)-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার মহানবী (সা.) একজনকে কিবলার দিকে থুথু ফেলতে দেখতে পেলেন। এটা দেখে নবিজির খুব খারাপ লাগল। তার চেহারায়ও সেই চিহ্ন ফুটে উঠল। তিনি দাঁড়িয়ে নিজ হাতে তা ঘষে উঠিয়ে ফেললেন। তারপর বললেন, তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে আল্লাহর সাথে কথোপকথন করে। আর তার ও কিবলার মধ্যে আল্লাহ থাকেন। সুতরাং তোমাদের কেউ যেন কিবলার দিকে থুথু নিক্ষেপ না ফেলে। একান্তই যদি থুথু চলে আসে, তাহলে বামে কিংবা পায়ের নিচে ফেলবে। তারপর মহানবী (সা.) তার চাদরের এক কোণ ধরে তাতে থুথু ফেলে এক অংশকে অন্য অংশ দিয়ে রগড়ে দিয়ে বললেন, তোমরা চাইলে এমনও করতে পারো। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৪৭৫, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১২৩৩০)

হাদিসের শিক্ষাসমূহ 
১. সালাত শুধু কিছু শারীরিক কর্মকাণ্ডের নাম নয়; বরং এটি বান্দা ও আল্লাহর মাঝে এক গভীর আধ্যাত্মিক যোগাযোগ। তাই সালাতে পূর্ণ মনোযোগ ও বিনয় থাকা উচিত।
২. কিবলা মুসলমানদের জন্য সম্মানিত দিক। তাই কিবলার দিকে থুথু, কফ বা শ্লেষ্মা নিক্ষেপ করা আদবের পরিপন্থী এবং গুনাহের কাজ।
৩. মসজিদের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা ঈমানের অংশ। কেননা মহানবী (সা.) নিজ হাতে কিবলার দেয়াল থেকে থুথু পরিষ্কার করেছেন। 
৪. নেতৃত্বের আদর্শ হলো নিজে কাজ করে দেখানো। তাইতো মহানবী (সা.) শুধু নির্দেশ দেননি; বরং নিজেই অপবিত্রতা পরিষ্কার করেছেন। 
৫. সালাতে দাঁড়িয়ে এমন কোনো কাজ করা উচিত নয় যা সালাতের মর্যাদা বা একাগ্রতা নষ্ট করে। তাই সালাতে আদব ও শিষ্টাচার বজায় রাখা জরুরি। 
৬. খোলা জায়গায় সালাত আদায়ের সময় যদি থুথু চলে আসে, তবে ডান দিকে বা কিবলার দিকে নয়; বরং বাম দিকে অথবা বাম পায়ের নিচে ফেলার অনুমতি রয়েছে।
৭. বর্তমান যুগে মসজিদে কার্পেট, টাইলস ইত্যাদি থাকায় মেঝেতে থুথু ফেলা সমীচীন নয়। এ অবস্থায় রুমাল, টিস্যু বা কাপড় ব্যবহার করা সুন্নাহসম্মত পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত।
৮. মহানবী (সা.) উম্মতের ভুল সংশোধনে প্রজ্ঞা অবলম্বন করতেন। তিনি রাগের বশবর্তী হয়ে কঠোর শাস্তি দেননি; বরং নিজে পরিষ্কার করে শিক্ষা দিয়েছেন। দাওয়াত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে এটিই উত্তম পন্থা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সালাতের আদব রক্ষা করার এবং মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা সংরক্ষণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মক্কার পবিত্র হাতিমে কাবায় প্রবেশের নতুন সময়সূচি

ইসলামী জীবন ডেস্ক
মক্কার পবিত্র হাতিমে কাবায় প্রবেশের নতুন সময়সূচি
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র কাবা শরিফসংলগ্ন ঐতিহাসিক ও মর্যাদাপূর্ণ স্থান হাতিমে কাবায় প্রবেশের জন্য পুরুষ ও নারীদের পৃথক সময়সূচি ঘোষণা করেছে দুই পবিত্র মসজিদবিষয়ক সাধারণ প্রেসিডেন্সি। গ্র্যান্ড মসজিদের অভ্যন্তরে চলাচল আরো সুশৃঙ্খল করা এবং মুসল্লিদের জন্য ইবাদতের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, নারীরা প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত হাতিমে কাবায় প্রবেশ করতে পারবেন। অন্যদিকে পুরুষদের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে রাত ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত।
প্রেসিডেন্সি জানিয়েছে, হাতিমে কাবায় প্রবেশের সময় নির্ধারণের মূল লক্ষ্য হলো মুসল্লি ও ওমরাহ হজ পালনকারীদের স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত করার সুযোগ করে দেওয়া। একই সঙ্গে মসজিদুল হারামের তাওয়াফ এলাকা ও আশপাশের অংশে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ করাও এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, দুই পবিত্র মসজিদে আসা মুসল্লিদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে তারা ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে। হাতিমে কাবায় প্রবেশের এই নতুন সময়সূচিও সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

উল্লেখ্য, ‘হাতিমে কাবা’ কাবা শরিফের উত্তর পাশে অবস্থিত অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরবেষ্টিত একটি পবিত্র স্থান। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী এটি কাবা শরিফের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। ফলে এখানে নামাজ আদায় ও ইবাদত করার জন্য মুসল্লিদের বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। নতুন এ সময়সূচির মাধ্যমে মুসল্লিদের ইবাদতের পরিবেশ আরো সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জ্বর উঠলে যে দোয়া পড়বেন

ইসলামী জীবন ডেস্ক
জ্বর উঠলে যে দোয়া পড়বেন
সংগৃহীত ছবি

জ্বর হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের শরীরে ফুঁ দিয়ে কিছু দোয়া ও আয়াত পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন। হাদিস অনুযায়ী সবচেয়ে উত্তম ও কার্যকরী দোয়াটি হলো—

بِسمِ اللهِ الكبيرِ، نعوذُ باللهِ العظيمِ مِن شرِّ عِرْقٍ نعَّارٍ ، ومِن شرِّ حرِّ النَّارِ.

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিম, মিন শাররি কুল্লি ইরকিন নায়্যার, ওয়া মিন শাররি হাররিন নার। 

অর্থ : ‘মহান আল্লাহর নামে, আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই—প্রবল প্রবাহমান রক্তচাপের আক্রমণ থেকে এবং জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুনের অনিষ্ট থেকে।’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ২০৭৫) 

পড়ার নিয়ম : রোগী নিজে অথবা অন্য কেউ এই দোয়া পড়ে ৭ বার ফুঁ দিতে পারেন। এ ছাড়া, পবিত্র কোরআনের সুরা ফাতিহা, সুরা ইখলাস, সুর ফালাক ও সুরা নাস পড়ে ফুঁ দেওয়াও অত্যন্ত বরকতময় ও রোগমুক্তির উপায়।
 

গৃহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় লক্ষণীয়

মুফতি ওমর বিন নাছির
গৃহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় লক্ষণীয়
সংগৃহীত ছবি

একটি পরিবারকে সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় রাখতে গৃহকর্মীদের অবদান অনেক সময় নীরব হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা ঘরের নানা কাজে সহযোগিতা করে পরিবারের সদস্যদের জীবনকে সহজ করে তোলে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সমাজে অনেক সময় গৃহকর্মীদের অবহেলা, অপমান, শোষণ কিংবা নির্যাতনের শিকার হতে দেখা যায়। ইসলাম এ ধরনের আচরণকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করেছে এবং গৃহকর্মী, শ্রমিক ও অধীনস্থদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছে।

ইসলাম মানুষের মর্যাদাকে বংশ, জাতি, সম্পদ বা পেশার ভিত্তিতে নয়; বরং তাকওয়া ও মানবিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। তাই একজন গৃহকর্মীও একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ, যার সম্মান, অধিকার ও অনুভূতি রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে গৃহকর্মীদের সঙ্গে সদাচরণের সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

১. গৃহকর্মীদের ভাই-বোনের মতো মনে করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের অধীনস্থরা তোমাদের ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনে রেখেছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা যা খাও তাদেরকেও তা খেতে দাও এবং তোমরা যা পরিধান কর তাদেরকেও তা পরতে দাও।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০)
এই হাদিসে রাসুল (সা.) গৃহকর্মীদের দাস বা চাকর হিসেবে নয়; বরং ভাই হিসেবে বিবেচনা করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই তাদের সঙ্গে অহংকারপূর্ণ নয়, বরং মানবিক আচরণ করা উচিত।

২. সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে কথা বলা
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে উত্তম কথা বল।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৮৩)
গৃহকর্মীদের সঙ্গে রূঢ়, অপমানজনক বা তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা ইসলামের আদর্শ নয়। তাদের ভুল হলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা উচিত। কারণ কোমল ভাষা মানুষের হৃদয় জয় করে, আর কঠোর ভাষা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে।

৩. কাজের ক্ষেত্রে সামর্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তাদের ওপর এমন কাজ চাপিয়ে দিও না যা তাদের সাধ্যের বাইরে। যদি চাপিয়েই দাও, তবে তাদেরকে সাহায্য কর।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০)
অনেক সময় গৃহকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়। ইসলাম এ ধরনের জুলুমকে সমর্থন করে না। কাজের সময়, বিশ্রাম ও শারীরিক সক্ষমতার প্রতি লক্ষ্য রাখা কর্তব্য।

৪. খাদ্য, পোশাক ও মৌলিক চাহিদার প্রতি যত্নবান হওয়া
ইসলাম শুধু কাজ নেওয়ার কথা বলেনি; বরং তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণের প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা যা খাও তাদেরও তা খেতে দাও এবং তোমরা যা পরিধান কর তাদেরও তা পরতে দাও।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৬১)
এ হাদিসের অর্থ হলো, গৃহকর্মীদের মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে এবং তাদের জীবনযাপনের ন্যূনতম প্রয়োজনগুলোর প্রতি উদাসীন হওয়া যাবে না।

৫. নির্যাতন ও অবিচার থেকে বিরত থাকা
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ জালিমদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৫৭)
গৃহকর্মীদের শারীরিক, মানসিক বা আর্থিক নির্যাতন করা গুরুতর গুনাহ। তাদের বেতন আটকে রাখা, অন্যায়ভাবে গালমন্দ করা বা মারধর করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে স্বয়ং বাদী হবেন, যারা শ্রমিককে কাজ করিয়ে তার প্রাপ্য মজুরি দেয় না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২২২৭)

৬. ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাশীল হওয়া
মানুষ মাত্রই ভুল করে। গৃহকর্মীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি আমার খাদেমকে দিনে কতবার ক্ষমা করব?’ তিনি বললেন, ‘প্রতিদিন সত্তর বার।’ (সুনান আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৬৪) এর অর্থ হলো, গৃহকর্মীদের ছোটখাটো ভুলত্রুটির ক্ষেত্রে ক্ষমাশীল ও সহনশীল হওয়া একজন মুমিনের গুণ।

৭. তাদের হক ও পারিশ্রমিক যথাসময়ে প্রদান করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।’ (সুনান ইবন মাজাহ, হাদিস : ২৪৪৩)
গৃহকর্মীদের বেতন বিলম্বিত করা বা অযথা কাটছাঁট করা ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়।

৮. তাদের জন্য দোয়া করা ও কল্যাণ কামনা করা
একজন মুমিন শুধু নিজের জন্য নয়; বরং তার অধীনস্থদের জন্যও কল্যাণ কামনা করে। গৃহকর্মীদের সুখ-দুঃখের খোঁজ নেওয়া, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং তাদের পরিবারের জন্য সহানুভূতি প্রদর্শন করা ইসলামী চরিত্রের অংশ।

৯. রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অনুপম আদর্শ
আনাস ইবন মালিক (রা.) বলেন, ‘আমি দশ বছর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমত করেছি। তিনি কখনো আমাকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলেননি এবং কোনো কাজের জন্য বলেননি, ‘এটা কেন করলে?’ বা ‘এটা কেন করলে না?’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৩০৯)
এটি মানব ইতিহাসে একজন নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে কর্মচারীর প্রতি সর্বোচ্চ সৌজন্য ও দয়ার দৃষ্টান্ত।

১০. তাদের সঙ্গে সদাচারকে ইবাদত মনে করা
ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা সমাজের দুর্বল ও অধীনস্থ মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। গৃহকর্মীরা আমাদের সেবক নয়; বরং আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী মানুষ। তাদের সঙ্গে সদাচরণ করা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি মহান ইবাদতও বটে। যে ব্যক্তি তার গৃহকর্মীর প্রতি দয়া, ন্যায় ও মানবিকতা প্রদর্শন করে, সে প্রকৃতপক্ষে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে।

আসুন, আমরা আমাদের ঘরে কর্মরত প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করি, যাতে তারা আমাদের কাছ থেকে সম্মান, নিরাপত্তা ও ভালোবাসা অনুভব করতে পারে। কেননা মানুষের প্রতি দয়া প্রদর্শনই আল্লাহর দয়া লাভের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে গৃহকর্মীসহ সকল মানুষের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।