• ই-পেপার

অবৈধ সম্পদ অর্জন : বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় বরিশালের সাবেক এমপি জেবুন্নেসা আফরোজ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় বরিশালের সাবেক এমপি জেবুন্নেসা আফরোজ গ্রেপ্তার
ছবি : কালের কণ্ঠ

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ভাটারা থানায় করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বরিশাল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১ জুলাই) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন।

এর আগে গত ২৮ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক রিফাত আল আফসানী আসামিকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেদিন শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিলে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন এবং অর্থায়ন ও নির্দেশনার মাধ্যমে ঘটনাস্থলের ঘটনায় জড়িত ছিলেন—এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক থেকে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় একটি ঘটনায় পরবর্তী সময়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকার সামনে সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় জেবুন্নেছা আফরোজসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ভাটারা থানায় এ মামলাটি করা হয়।

সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৩ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৩ জুলাই
সংগৃহীত ছবি

বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির আড়ালে প্রায় সাড়ে ২৮ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে করা মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানি আগামী ২৩ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত। 

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন। 

এদিন মামলাটির অভিযোগগঠন বিষয়ে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম চার্জ শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক নতুন করে এই তারিখ নির্ধারণ  করেছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. আরিফুল ইসলাম  বিষয়টি  নিশ্চিত করেন। 

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছে, বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান, অটাম লুপ ও পিয়ারলেস গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিউর রহমান, পরিচালক রেজিয়া আক্তার, আরআর গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও আহমেদ শাহরিয়ার রহমান। 

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অনুসন্ধানে জানতে পারে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে। অটাম লুপ অ্যাপারেলসের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়নি।

তদন্তে আরো জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এফজেডই’-এর ঠিকানায় এসব পণ্য পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান (এ এস এফ রহমান) এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান। অর্থাৎ, একই পরিবারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফা মামলা করেন। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক মো ছায়েদুর রহমান তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে  অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

অনলাইন ডেস্ক
বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
সংগৃহীত ছবি

বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত আইনজীবীদের নিয়ে গঠিত বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন চাওয়া হয় এই রিটে। এ ছাড়া নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অ্যাডহক কমিটি স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপি ছাড়াও অ্যাডহক কমিটিতে জামায়াতের দুই জন শীর্ষ আইনজীবী ও এনসিপির একজন আইনজীবীকে রাখা হয়েছে।

অ্যাডহক কমিটিতে পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান থাকবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অ্যাডহক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন অসীম, সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন। তারা সবাই বিএনপিপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত।

অ্যাডহক কমিটিতে জামায়াতের দুই আইনজীবী হলেন, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। এ ছাড়া এনসিপি থেকে অ্যাডহক কমিটিতে স্থান পেয়েছেন মোহাম্মদ হোসেন লিপু।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর আর্টিকেল ৪ এর ক্লজ (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অ্যাডহক বার কাউন্সিল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।

অধস্তন আদালতে বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা

বাসস
অধস্তন আদালতে বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা

দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে বিচারক ও আইনজীবীদের জন্য পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিচারক ও আইনজীবীদের কালো কোট পরা বাধ্যতামূলক থাকবে না।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচার শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারকরা গাউন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড পরিধান করবেন। তবে এক্ষেত্রে কালো কোট পরিধানের বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

এদিকে আইনজীবীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নির্দেশনা বহাল রেখে বলা হয়েছে, তারা সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড বা কালো টাই পরিধান করবেন। তাদের জন্যও কালো কোট ও গাউন পরিধান করা বাধ্যতামূলক নয়।

আরো জানানো হয়েছে, এ নির্দেশনা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন।

নির্দেশনাটি দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, বিভিন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, শ্রম আদালতসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।