• ই-পেপার

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে যারা

গল্প লিখতেই থাকুক কেপ ভার্দে

জামাল ভূঁইয়া
গল্প লিখতেই থাকুক কেপ ভার্দে

বিশ্বকাপের সৌন্দর্যই হচ্ছে এখানে সব হিসাব সব সময় মেলে না। কাগজে-কলমে যারা শক্তিশালী, মাঠে তারাই সব সময় জেতে না।

প্রায় প্রতি বিশ্বকাপেই এমন কিছু দল আসে, যাদের নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয় না, কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর তারাই সবচেয়ে বড় চমক হয়ে ওঠে। এবারের বিশ্বকাপে আমার কাছে সেই দলটির নাম কেপ ভার্দে।

সত্যি বলতে, বিশ্বকাপ শুরুর আগে কেপ ভার্দেকে নিয়ে আমার কোনো প্রত্যাশা ছিল না। আমি ভেবেছিলাম, তারা হয়তো অভিজ্ঞতা অর্জন করতেই এসেছে।

গ্রুপে যখন স্পেন ও উরুগুয়ের মতো মতো দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে হয়েছিল, কেপ ভার্দের জন্য ম্যাচগুলো খুব কঠিন হবে। কিন্তু ফুটবল আবারও প্রমাণ করেছে, মাঠের লড়াইয়ের আগে কোনো ফল বলে দেওয়া সম্ভব নয়। দুই ম্যাচে কেপ ভার্দের দুই পয়েন্ট। অনেকের কাছে হয়তো সংখ্যাটা খুব বড় কিছু মনে না-ও হতে পারে; কিন্তু এই দুই পয়েন্টের মূল্য বুঝতে হলে দেখতে হবে তারা কাদের বিপক্ষে খেলেছে।

স্পেন ও উরুগুয়ের মতো দল, যাদের বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস আছে, তাদের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে ড্র করা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। প্রথম ম্যাচের পর কেউ হয়তো বলতে পারত, এটা এক দিনের ভালো খেলা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেও একই দৃঢ়তা দেখানোর পর আমার মনে হয়েছে, এটি আর কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটি একটি দলের পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের ফল। আমার কাছে মনে হয়েছে, কেপ ভার্দের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের দলগত নৈপুণ্য।

তারা এমন কোনো দল নয়, যেখানে এক বা দুজন তারকা পুরো ম্যাচের চেহারা বদলে দেন, বরং পুরো দল একসঙ্গে লড়াই করে। সবাই নিজেদের দায়িত্ব বোঝে। মাঠে তাদের মধ্যে একটা বিশ্বাস দেখা যায়, যা অনেক বড় দলেও সব সময় দেখা যায় না। বিশেষ করে তাদের রক্ষণভাগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আধুনিক ফুটবলে বড় দলগুলোকে আটকানো খুব কঠিন। স্পেনের মতো দল বলের দখল রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে; কিন্তু কেপ ভার্দে অসাধারণ জমাট রক্ষণে সেই চাপ সামলেছে।

গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার কথাও আলাদা করে বলতে হবে। আমার মনে হয়েছে, এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিনি দলটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। একজন ভালো গোলরক্ষক শুধু গোল বাঁচান না, তিনি পুরো রক্ষণভাগকে আত্মবিশ্বাস দেন। ভোজিনিয়া ঠিক সেই কাজটাই করছেন। তবে উন্নতির জায়গাও আছে। উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে একসময় মনে হয়েছিল, কেপ ভার্দে কিছুটা আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েছে। এগিয়ে যাওয়ার পর কয়েক মিনিটের জন্য তাদের মনোযোগে ঘাটতি দেখা যায়। আর আন্তর্জাতিক ফুটবলে সেই সুযোগ বড় দলগুলো খুব কমই নষ্ট করে। উরুগুয়েও করেনি। ভবিষ্যতে আরো বড় সাফল্য পেতে হলে এই জায়গায় তাদের সতর্ক হতে হবে। এখন তাদের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ নক আউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার। কয়েক সপ্তাহ আগেও হয়তো কেউ এই সম্ভাবনার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবেনি, কিন্তু আজ সেটা বাস্তবতা। পরের ম্যাচে তারা যদি অন্তত এক পয়েন্ট পায়, তাহলে নক আউটে যাওয়ার সুযোগ আরো উজ্জ্বল হবে। আর জয় পেলে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গল্পগুলোর একটি লিখে ফেলবে।

কেপ ভার্দের সাফল্য আমাকে আরেকটি বিষয় নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে শুরুতে অনেক বিতর্ক ছিল। অনেকেই বলেছিল, দলের সংখ্যা বাড়লে প্রতিযোগিতার মান কমে যাবে। ছোট দলগুলো বড় ব্যবধানে হারবে। ম্যাচগুলো একপেশে হয়ে যাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত যা দেখেছি, তাতে আমি অবাক হয়েছি। এই বিশ্বকাপে গোল হচ্ছে, নাটকীয়তা হচ্ছে, অঘটন ঘটছে। ছোট দলগুলো বড় দলগুলোর চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে। দর্শক হিসেবে এর চেয়ে বেশি আর কী চাই? আমার বিশ্বাস, বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য এখানেই। এটি শুধু ট্রফি জয়ের লড়াই নয়, এটি স্বপ্ন দেখার মঞ্চও। এখানে এমন দলও নিজেদের গল্প লিখতে পারে, যাদের নিয়ে কেউ ভাবেনি। কেপ ভার্দে এখন সেই গল্পই লিখছে। তারা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে ফুটবলে নাম, ইতিহাস কিংবা বাজেট সব সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ্বাস, সাহস এবং দল হিসেবে লড়াই করার মানসিকতা। আর সেই কারণেই আমি বলব, কেপ ভার্দে শুধু ড্র-ই করেনি; তারা পুরো ফুটবলবিশ্বের ভালোবাসা অর্জন করেছে। যদি এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে, তাহলে এবারের বিশ্বকাপে তাদের যাত্রা আরো অনেক দূর যেতে পারে। আর সেটা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ তারা এরই মধ্যে প্রমাণ করেছে, ফুটবলে অসম্ভব বলে আসলে কিছু নেই।  

আলজেরিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের

ক্রীড়া ডেস্ক
আলজেরিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের
ছবি : রয়টার্স

খাদের কিনারা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সান ফ্রান্সিসকো বে স্টেডিয়ামে সেটাই যেন আরো একবার প্রমাণ করল আলজেরিয়া। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পরও দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে ‘জে’ গ্রুপের লড়াইয়ে জর্ডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। এই রোমাঞ্চকর জয়ে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আলজেরিয়ানরা।

অন্য দিকে আলজেরিয়ার আনন্দের দিনে চরম হতাশা জর্ডান শিবিরে। টুর্নামেন্টে টানা দুই ম্যাচে হারের তেতো স্বাদ পাওয়ায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল মধ্যপ্রাচ্যের এই দলটির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। তবে প্রথমার্ধেই গোল হজম করে ব্যাকফুটে চলে যায় আলজেরিয়া। জর্দানের হয়ে ৩৬তম মিনিটে গোল করেন আলরাশদান।

গোল খেয়েও মনোবল না হারিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় আলজেরিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক ধারালো আক্রমণে জর্ডানের রক্ষণভাগকে নাস্তানাবুদ করে দেয় আলজেরিয়ার ফরোয়ার্ডরা।

শেষ পর্যন্ত ৬৯তম মিনিটে নাদির বেনবুয়ালির গোলে সমতায় আসে আলজেরিয়া। এরপর ৮২ মিনিটের মাথায় গোল করে আলজেরিয়াকে জয় এনে দেন আমিনে গুইরি।

আগামী রবিবার সকাল ৮ টায় অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে আলজেরিয়া। দুই দলেরই সমান তিন পয়েন্ট থাকায় ম্যাচের জয়ী দল সরাসরি যাবে শেষ ৩২-এ। অন্য ফল আসলে অপেক্ষা করতে হবে গ্রুপের তৃতীয় স্থান দখলের জটিল সমীকরণে।

ক্লোসাকে ছুঁয়ে ছুটছেন এমবাপ্পে, ভাঙলেন মেসি-রোনালদোর রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্লোসাকে ছুঁয়ে ছুটছেন এমবাপ্পে, ভাঙলেন মেসি-রোনালদোর রেকর্ড
ছবি : রয়টার্স

প্রথম দুই বিশ্বকাপেই ফাইনাল খেলার রোমাঞ্চ, আর বিশ্বজয়ের স্বাদ পাওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্যারিয়ারের শুরুটাই হয়েছে রূপকথার মতো। তবে ফরাসি এই অধিনায়ক যে কেবল শুরুতেই থামার পাত্র নন, তার প্রমাণ মিলছে চলতি বিশ্বকাপে। নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নেমে তিনি যেন আরও বেশি রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছেন। মাত্র ১৬ ম্যাচ খেলেই তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলশিকারী জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে।

২০১৪ সালে যখন জার্মান কিংবদন্তি ক্লোসা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান, তখন তার নামের পাশে ছিল ২৪ ম্যাচে ১৬ গোলের মহাকীর্তি। দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনটি তারই দখলে ছিল। কিন্তু চলতি আসরে সেই সিংহাসনে প্রথম আঘাত হানেন লিওনেল মেসি। এবারের বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই ক্লোসাকে ছোঁয়ার পর, গত ম্যাচে ১৮তম গোল করে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে এই রেকর্ড গড়তে ম্যাচ খেলেছেন ২৮ টি। 

মজার ব্যাপার হলো, মেসির এই কীর্তির কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করে বসেন এমবাপ্পে। আর তাতেই মাত্র ১৬ ম্যাচে ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। চলতি বিশ্বকাপে এই দুই মহাতারকার শীর্ষস্থান দখলের যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তা কোথায় শেষ হয় তাই এখন দেখার বিষয়। 

এদিকে বিশ্বকাপের টানা তিন বা তার বেশি ম্যাচে অন্তত দুটি করে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। ইতিহাসের মাত্র চতুর্থ পুরুষ ফুটবলার হিসেবে এই ক্লাবে যোগ দিলেন তিনি। এর আগে ১৯৩০ সালে গুইয়ের্মো স্তাবিলে, ১৯৫৪ সালে স্যান্ডর কোচিস (৪ ম্যাচ) এবং সাম্প্রতিক সময়ে লিওনেল মেসি এই রেকর্ড গড়েছিলেন।

বিশ্বকাপে এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচে একাধিক গোল করলেন এমবাপ্পে। যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি জোড়া গোল এবং একটি অনবদ্য হ্যাটট্রিক।

এমবাপের খেলার ধরনেও এসেছে দারুণ পরিবর্তন। বিশ্বকাপে তার প্রথম ১৩টি গোলের মধ্যে মাত্র একটি এসেছিল পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে। অথচ শেষ ৩টি গোলের দুটিই তিনি করেছেন দূরপাল্লার শটে, বক্সের বাইরে থেকে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করার পর গোলের তালিকায় এমবাপের অবস্থান এখন অষ্টম। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই কিংবদন্তিকেও ছাড়িয়ে গেছেন এমবাপে। নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচ শেষে লিওনেল মেসির গোল ছিল ৪৬টি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ছিল মাত্র ৩৭টি। সেই তুলনায় ৬০ গোল করা এমবাপে যে ভবিষ্যতের আরো বড় কোনো রেকর্ডের দিকে ছুটছেন, তা বলাই বাহুল্য। 

হঠাৎ ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা আর্জেন্টাইন তারকার, বার্সা-পিএসজি-রিয়ালের লড়াই

ক্রীড়া ডেস্ক
হঠাৎ ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা আর্জেন্টাইন তারকার, বার্সা-পিএসজি-রিয়ালের লড়াই
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের মাঝেই নিজের ‘স্বপ্নপূরণ’ করতে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ছাড়ার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার তারকা স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজ। ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের এমন মন্তব্যের পর ইউরোপিয়ান ফুটবল বাজারে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ইতিমধ্যে বার্সেলোনা এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) মতো জায়ান্ট ক্লাবগুলো তাকে দলে ভেড়াতে আগ্রহ দেখিয়েছে। অন্যদিকে, চলতি জুনের শুরুর দিকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছ থেকে আসা ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ১৩০ মিলিয়ন পাউন্ড) একটি বিশাল প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।

বর্তমানে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে বিশ্বকাপে ব্যস্ত সময় পার করছেন আলভারেজ। গোড়ালির চোট কাটিয়ে ওঠার পর টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে অবশ্য বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিনি।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সোমবার রাতে আর্জেন্টিনার জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খোলেন এই তারকা।

আলভারেজ বলেন, ‘অ্যাতলেতিকোর যেসব কর্মকর্তার সাথে আমার কথা বলা প্রয়োজন ছিল, আমি বলেছি। সবার জন্যই এখন সেরা সিদ্ধান্ত হবে একটি দলবদল। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদিও এখন এসব নিয়ে কথা বলার উপযুক্ত সময় নয়, তবে আমি বিষয়টি লুকিয়েও রাখতে পারি না। আমি একজন সৎ মানুষ হিসেবেই থাকার চেষ্টা করি।’

২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ৮১.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে দিয়েগো সিমিওনের আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক এই রিভার প্লেট ফরোয়ার্ড। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে ১০৬ ম্যাচে তিনি করেছেন ৪৯ গোল, পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৭টি গোল।

লা লিগায় নিজের প্রথম মৌসুমে ১৭ গোল করে আলো ছড়ালেও, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে কিছুটা ফর্মহীনতায় ভুগেছেন আলভারেজ, করতে পেরেছেন মাত্র ৮ গোল। তবে ঘরোয়া লিগে নিষ্প্রভ থাকলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ছিলেন দুর্দান্ত। ইউরোপের শীর্ষ এই প্রতিযোগিতায় ১০ গোল করে আতলেতিকোকে সেমিফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি, যদিও সেমিফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তার দলকে।