• ই-পেপার

রাজধানীতে সমাবেশের ডাক ১১ দলীয় জোটের

সারা দেশে নতুন কর্মসূচি এনসিপির, নেতকর্মীদের জরুরি নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশে নতুন কর্মসূচি এনসিপির, নেতকর্মীদের জরুরি নির্দেশ

দেশব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামীকাল মঙ্গলবার সব জেলা ও মহানগর শাখাকে বিক্ষোভ সমাবেশ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

সোমবার দুপুরে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি জানায়, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্তৃক সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সব জেলা ও মহানগরে নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ সমাবেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয় নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে ১১ দলীয় জোট। সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। সমাবেশে জামায়াত আমিরসহ জোটের দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি।

হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠলে, থামানোর ওষুধও আমরা জানি : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠলে, থামানোর ওষুধও আমরা জানি : রাশেদ খান
সংগৃহীত ছবি

মানুষখেকো হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠতে চাইলে, হায়েনাকে থামানোর ওষুধও আমরা জানি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, আমার যে সময় কোর্টে হাজিরা দিতাম, তখন দুই দিনের বৈরাগী এসব হানজালারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হাজিরা দিয়ে হাসিনার জিকির করত। 

সোমাবার নিজের ভেরিফায়েড এক ফেসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলেছিল, আমারা আন্দোলনে নেই। তারা আবার নাকি এখন বাঘের সঙ্গে থাকতে চায়। আন্দোলনের আগে এই বিপ্লবী হুংকার শুনিনি। তখন বিড়াল হয়ে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বসে থাকত। এরা এখন বিএনপির কর্মীকে খেয়ে ফেলতে চায়।

হুঁশিয়ারি দিয়ে রাশেদ খান বলেন, বেশি মেকি হুংকার দিলে ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে বিচরণের অপরাধে প্রকৃত বাঘ কিন্তু এদের কলিজাও ছিঁড়ে খেতে দ্বিধা করবে না। আমরা কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে উড়ে আসা বসন্তের কোকিল নয়।  
 

গাইবান্ধায় সন্ত্রাসীদের হামলায় কর্মী হত্যার বিচার দাবি ‍ছাত্রশিবিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধায় সন্ত্রাসীদের হামলায় কর্মী হত্যার বিচার দাবি ‍ছাত্রশিবিরের
সংগৃহীত ছবি

গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নে যুবদলের সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ রবিবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আজ বিকাল আনুমানিক ৪টার কিছু পরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মতবিরোধের জেরে বিএনপির উগ্র ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ওপর আকস্মিক হামলা চালাতে উদ্যত হয়। এ সময় বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি মীমাংসা করেন। এর কিছু সময় পর বোনারপাড়া চৌমাথায় অবস্থানকালে যুবদলের সন্ত্রাসী মুকুল, আশরাফ ও পলাশ অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ গলায় ছুরিকাঘাতে নিহত হন। একই ঘটনায় সালাহউদ্দিন নামে আরো একজন গুরুতর আহত হন, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হত্যা করার ঘটনা আইনের শাসন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। আমরা এ নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গাইবান্ধার এই হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির একশ্রেণির উগ্র নেতাকর্মী রাষ্ট্রীয় সম্পদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার এবং অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে, যা কোনোভাবেই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’

নেতৃবৃন্দ বর্তমান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা ও আইনের শাসন মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে। সরকারের প্রথম ১০০ দিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সারা দেশে ৬০৫টি হত্যাকাণ্ড এবং ২০৯টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ, দখল, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের বিস্তারও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে। সরকারের কার্যকর ভূমিকা ও নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং ক্ষেত্রবিশেষে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে অপরাধীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।’

এসময় তারা অনতিবিলম্বে গাইবান্ধার সাঘাটায় ছাত্রশিবিরের কর্মী সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ক্ষমতার মোহে বিএনপি দেশজুড়ে যে খুন, সন্ত্রাস, দখল ও অস্ত্রের রাজনীতির মাধ্যমে পুনরায় ফ্যাসিবাদী আচরণ প্রদর্শন করছে, যদি তারা এসব কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে না ধরে, তবে অচিরেই তাদেরকেও পতিত ফ্যাসিস্টদের পরিণতি বরণ করতে হবে।’

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশি, জামায়াতের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশি, জামায়াতের শোক
ফাইল ছবি

কাতারের সানাইয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

রবিবার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাতারের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে দুর্ঘটনায় পাঁচজন বাংলাদেশিসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। ঘটনাটিকে তিনি ‘মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিহত পাঁচ বাংলাদেশির সবাই সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন— মোস্তাক আহমদ (৩০), জুবায়ের আহমদ (৩০), জসিম উদ্দিন (৩০), জিবাল আহমদ (৩৬) ও কাদির আহমদ (২৪)।

গোলাম পরওয়ার বলেন, এসব প্রবাসী নিজেদের শ্রমে উপার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনীতি ও পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। তাদের মৃত্যু পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে এসেছে।

তিনি নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করার দাবি জানান তিনি।