• ই-পেপার

‘খেজুরের মতো হাসনাতের কাছে ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব চান এলাকাবাসী’

হাসনাত-সারজিস কোন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে দুদকে গিয়েছিলেন, তদন্ত চান রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাত-সারজিস কোন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে দুদকে গিয়েছিলেন, তদন্ত চান রাশেদ খান

২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম দুদকে অতিগোপনীয় কি অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

আজ বুধবার (১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ ঘটনার তদন্ত চান রাশেদ খান।

কালের কণ্ঠ পাঠকের জন্য রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে দেওয়া হলো :

গণঅভ্যুত্থানের পরে ডিসি নিয়োগের কেলেঙ্কারি কি মিথ্যা? গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপরই সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে সচিবালয়ে কখনো রাত ২.০০টা পর্যন্ত, কখনো মধ্যরাত পর্যন্ত একত্রে বসে ডিসির তালিকা প্রস্তুত করেন যুগ্ম সচিব কেএম আলী আজম ও ভূয়া সমন্বয়ক পরিচয়ধারী গাজী সালাউদ্দীন তানভীর। যুগ্ম সচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে স্যার সম্বোধন করতেন কেএম আলী আজম। কারণ তাকে সচিবালয়ে এ কাজের জন্য পাঠিয়েছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম।

ঐ সময় তো হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মন্ত্রীর থেকেও ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাজী সালাউদ্দীন তানভীর স্বীকার করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের পরামর্শে তিনি সচিবালয়ে এসেছেন। তানভীর ডিসির তালিকা প্রস্তুত করার সাথে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। প্রশাসনের কোথায় কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তা দেখার কিংবা জানার অধিকার আমাদের আছে। এ কারণেই এখানে আসতে হয়।’ 

ঠিক একইভাবে এনসিটিবিতেও তাকে দায়িত্ব দিয়েছিল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। সেসময় তো গণমাধ্যমে বই ছাপাতে কাগজ কেনাকে কেন্দ্র করে এনসিটিবির সমস্ত কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশিত হয়। আমার প্রশ্ন হলো, ডিসি নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারির পরেও কেন গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে এনসিটিবিতে দায়িত্ব দেওয়া হলো? 

গাজী সালাউদ্দীন তানভীর তো ছাত্র সমন্বয়ক ছিলেন না? কিন্তু তিনি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ক পরিচয়ে ঢুকেছেন। কারা তাকে এই ক্ষমতা দিয়েছিলো? আবার প্রশ্ন হলো ভূয়া সমন্বয়ক পরিচয় ব্যবহার করার জন্য শাস্তি না দিয়ে কেন এই অখ্যাত ব্যক্তিকে গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের একটি অংশের দ্বারা গঠিত দলে যুগ্ম সদস্য সচিবের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করা হলো? হঠাৎ উদয় হওয়া ব্যক্তিকে এই পদের জন্য সাজেস্ট করেছিল কারা? এটিও হাসনাত ও সারজিস করেছে। স্বার্থ না থাকলে বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলে বড় পদে বসানো ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়ার মর্মার্থ কি?

কোন দুদক এই ভূয়া সমন্বয়ক গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে ক্লিন সার্টিফিকেট দেয়? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেন ২০২৬ সালের ৩ মার্চ। এর পূর্বে ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদক আদালতে তানভীরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তানভীরকে দায়মুক্তি দেন। অর্থাৎ হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত দুদকের কর্মকর্তারা গাজি সালাউদ্দিন তানভীরকে দায়মুক্তি দেন। 

নিশ্চয়ই আপনাদের মনে থাকার কথা ২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল হঠাৎ দুদুকের চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের সাথে দুদক কার্যালয়ে বৈঠক করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। সে সময় তারা গণমাধ্যম এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। মূলত তারা দুদকের সামনে সব সময় গণমাধ্যমের কর্মীরা অবস্থান করেন। হাসনাত ও সারজিসের সামনে সাংবাদিকরা এসে হাজির হলে, তারা বলেন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে এসেছি!  কি সেই গোপন অভিযোগ? মূলত অতিগোপনীয় অভিযোগ দাখিলের নামে গাজী সালাউদ্দীন তানভীরসহ উপদেষ্টাদের যেসব এপিএস ও পিওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, সেসব বিষয়ে রফাদফা করতেই দুদকে হাজির হন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। 

হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম নিজেরা সরাসরি দুর্নীতি বা তদবির বাণিজ্য করেননি। গাজি সালাউদ্দিন তানভীরদের মাধ্যমে করিয়েছে। সুতরাং ওদের রক্ষা করতে না পারলে নিজেরা ফেঁসে যাবেন। তাই রক্ষা করতে যা করার করেছেন। এজন্য এখন বড় গলায় বলতে পারেন, বিএনপি সরকারের সময় এনসিপির দরবেশ বাবা গাজী সালাউদ্দীন তানভীর দায়মুক্তি পেয়েছে! সব সেটাপ এভাবেই করে রেখেছিল যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ের পরে নির্বাচিত সরকার আসবে, আর দুদকের কর্মকর্তারা পদত্যাগের আগে ক্লিন সার্টিফিকেট দিয়ে যাবে। এতে সারাজীবন বলা যাবে, নির্বাচিত সরকার আমাদের দায় মুক্তি দিয়েছে! 

কিন্তু সাম্প্রতিককালে টিআইবির প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সুস্পষ্ট ঘুস ও দুর্নীতির তথ্য উঠে আসায় সবকিছু নতুন করে তদন্তের দাবি উঠেছে.... নতুন করে সব তদন্ত হোক।

ফেসবুকে রাশেদ খান

হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে
সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ।

এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে।’

আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘শেখ হাসিনা রেজিমে আসলাম চৌধুরী দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। এ সময় ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ফলাফল তিনি ঋণখেলাপি হয়ে যান। শেখ হাসিনার দমননীতি আসলাম চৌধুরীকে ঋণখেলাপি হতে বাধ্য করেছে। সুতরাং তাকে নিয়ে কটাক্ষ করার কিছু নেই।’

তিনি বলেন, ‘আইন তার নিজ গতিতে চলছে বলেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও আসলাম চৌধুরী এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারলেন না। আসলাম চৌধুরী যদি জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের মতো তার স্ত্রীর নামে ঋণ নিতেন তাহলে তাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না। জামায়াতের নেতারা বিএনপির নেতাদের চেয়ে এই ক্ষেত্রে মোটামুটি সফল চালাক।’

রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী হলফনামায় ভুল তথ্য দিলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে হান্নান মাসউদ নিজে তার হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সুতরাং হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আইন তার নিজ গতিতেই চলুক।’

শিবির কি ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায় : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
শিবির কি ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায় : রাশেদ খান
সংগৃহীত ছবি

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদরা যেসময় ক্যাম্পাসে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়েছেন, তখনো শেখ মুজিবুর রহমান ফ্যাসিবাদের আইকন ছিলেন, এখনো ফ্যাসিবাদের আইকন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান ওই পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানকে ফ্যাসিবাদের আইকন জানার পরেও কেন তার নামে স্লোগান দেওয়া হলো? আর এখন কেন তার নামে থাকা হলের নাম পরিবর্তনের জন্য শিবির নেতারা আন্দোলন শুরু করেছেন? শেখ মুজিবুর রহমান কি গণ-অভ্যুত্থানের সময় জীবিত হয়ে ফিরে এসে সাদিক কায়েম বা ফরহাদের গালে থাপ্পড় মেরেছিলেন?’

পোস্টে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘নিশ্চয়ই এস এম ফরহাদ যখন ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম লেখান তখন শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ মেনেই নাম লিখিয়েছিলেন? গণ-অভ্যুত্থানের পরে শেখ মুজিবুর রহমান কি এমন দোষ করলেন যে, ফরহাদ সেই আদর্শ থেকে দূরে সরে এসে স্বয়ং তার নামে থাকা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জনক হতে চাচ্ছেন?

‘শিবির কি এখন শেখ মুজিবুর রহমানের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’ এমন প্রশ্ন উত্থাপন করে তিনি আরো লেখেন, ‘প্রকৃতপক্ষে শিবির শেখ মুজিবুর রহমানের থেকে শহীদ ওসমান হাদিকে বড় করতে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির কাছে আরো প্রাসঙ্গিক করে তুলছে। আর ওসমান হাদিকে আরো হালকা করছে।’

হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার
সংগৃহীত ছবি

পেশায় দিনমজুর মহিউদ্দিন। রাজনীতির জটিল সমীকরণ তেমন বোঝেন না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির বিপক্ষে বিএনপির শরিক দল গণঅধিকারের ট্রাক মার্কায় এজেন্ট হওয়ার অপরাধে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেন তার ওপর। মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানী টিমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব চিত্র।

হামলার শিকার মহিউদ্দিন জানান, জাতীয় নির্বাচনের দিন নিজ আত্মীয়ের কাছে ট্রাক মার্কায় ভোট চান তিনি। এ সময় এনসিপির নেতারা শাপলা কলিতে ভোট দিতে জোর করেন ভোটারকে। পরে ঘটনার এক পর্যায়ে মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থিত নেতাকর্মীদের। নির্বাচনের পরের দিন রাতে স্থানীয় বাজারে এনসিপি নেতা আল-আমিনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল মহিউদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান তিনি। এ সময় তার কাছে থাকা সন্তানের চিকিৎসা বাবদ ১১ হাজার টাকা লুট করেন এনসিপি নেতা আল আমিন ও তার লোকজন।

মহিউদ্দিনের স্ত্রী হ্যাপি বেগম জানান, বিএনপির রাজনীতি করার অভিযোগ দিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করার চেষ্টা করে হামলাকারীরা। তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ জনের ওপরে হবে। তারা ব্যারিকেড দিয়ে ৩ থেকে ৪ জন শুধু মারছে। আমার হাজবেন্ডের মাথায় গাই দিছে। আমার স্বামী বলছেন, ভাই আমি কিছু করি নাই। তারা কোনো কিছু শুনছে না, শুধু মারছে। তাকে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’

হ্যাপি বেগম আরো বলেন, ‘বিএনপিকে তারা শেষ কইরা দিবো। তাদের এতটুকুই ক্ষোভ। তারা বিএনপি চায় না। তারা চায় নতুন কিছু।’ 

হামলার শিকার মহিউদ্দিনের বড় ভাই জানান, এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে সেটি না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বলা হয় আগুন নিয়ে খেলবেন না। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেও দেবীদ্বারে আওয়ামী পুনর্বাসনে সরাসরি কাজ করেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এক হাসনাত আবদুল্লাহ দেবীদ্বারে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন।’

থানায় গিয়ে মামলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে হামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী মহিউদ্দিনের বাবা মনু মিঞা। সেখানেও হুমকি দেন হাসনাতের পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী বলে অভিযোগ তার।

মনু মিঞা বলেন, ‘যেটা হওয়ার হয়ে গেছে, আমরা এখন মিলেমিশে চলতে চাই। কিন্তু তারা একেকজন একেক রকম কথা বলে। তাদের ভাষাই আলাদা। তারা হুমকি দেয় আমরা এনসিপির লোক, দেইখ্যা দিমু। হাসনাত আবদুল্লাহর লোক এনসিপি করছে। তারা এখনো মানুষের ওপর জোর-জুলুম করছে। আমরা হাসনাতের বিচার চাই।’

এদিকে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ও হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী আল-আমিন মোল্লাকে ফোন দিলে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। কে বা কারা মহিউদ্দিনকে মেরেছে, তাদেরও নাকি তিনি চেনেন না।

তিনি বলেন, ‘মারামারিতে ছোট ছেলেপুলে ছিল। টাকা নিছে কি নিছে না, আমি জানি না।’

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে তিনি জানেন না এবং এ বিষয়ে কোনো মামলা করতেও কেউ আসেনি। নির্বাচনের দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। কেউ মামলা করতে আসছিল বলে আমার মনে পড়ে না।’