• ই-পেপার

আনুশকার ১৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

‘টক্সিক’-এর নতুন টিজারে চমকপ্রদ যশের নায়িকারা

বিনোদন ডেস্ক
‘টক্সিক’-এর নতুন টিজারে চমকপ্রদ যশের নায়িকারা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে ইয়াশ অভিনীত বহুল আলোচিত প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা ‘টক্সিক : অ্যা ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’-এর নতুন ঝলক। এবার দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ছবির নারী চরিত্রগুলোকে, যেখানে একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন রূপে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘লেডিস অ্যান্ড লেডিস’ শিরোনামের ভিডিওটি শুরুতেই একটি সতর্কবার্তা দিয়ে শুরু হয়। সেখানে শিশুদের ভিডিওটি না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

এরপর ভয়েসওভারে শোনা যায়, ‘ভালোবাসা নারীদের দানবীতে পরিণত করে। এর ছলনার গভীরতা উপলব্ধি করতে পারলে এটি একটি সুন্দর বিভ্রম।’ এই সংলাপের সঙ্গে একে একে হাজির হন ছবির পাঁচ অভিনেত্রী।

Kids Stay Away From Toxic Ladies -

ভিডিওতে নয়নতারাকে দেখা যায় সুপারবাইক চালাতে এবং একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নিতে। কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া ও হুমা কুরেশি নিজেদের গ্ল্যামারাস উপস্থিতিতে নজর কাড়েন। অন্যদিকে রুক্মিণী বসন্তকে রহস্যময়ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক দৃশ্যে তাকে কারো দিকে বন্দুক তাক করে থাকতে দেখা যায়।

ঝলকের শেষ দিকে যশকে দেখা যায় এক স্টাইলিশ অ্যাকশন সিকোয়েন্সে, যেখানে নারী যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় তাকে। নতুন এই ভিডিওটি আবারও ইঙ্গিত দিয়েছে, সিনেমাটি একটি স্টাইলাইজড পিরিয়ড অ্যাকশন ড্রামা হতে যাচ্ছে।

Rate the new glimpse of Toxic out of 10 ? #Toxic #ToxicOnAugust26 #Yash

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’ মূলত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও এটি প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা হিসেবে একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে। ছবিতে যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুক্মিণী বসন্ত, নয়নতারা, কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি ও তারা সুতারিয়া।

সিনেমাটি প্রথমে ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। পরে আন্তর্জাতিক পরিবেশনা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এরপর ৪ জুন মুক্তির পরিকল্পনাও পিছিয়ে যায়। সবশেষে নির্মাতারা আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ‘টক্সিক’কে বড় ক্যানভাসের সিনেমা হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় পুরস্কারজয়ী রাজীব রবি সিনেমাটির চিত্রগ্রাহক, সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন রবি বসরুর, সম্পাদনার দায়িত্বে উজ্জ্বল কুলকার্নি এবং প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন টিপি আবিদ।

এ ছাড়া হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন পরিচালক জেজে পেরি, যিনি ‘জন উইক’ সিরিজে কাজ করেছেন; জাতীয় পুরস্কারজয়ী অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার জুটি আনবারিভ এবং কেচা খামফাকদির সঙ্গে মিলে সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণ করেছেন। ফলে অ্যাকশনপ্রেমীদের প্রত্যাশার পারদ আরও বেড়ে গেছে।

সময়ের সীমানা পেরিয়ে ৮৭-তেও অমলিন আব্দুল হাদী

বিনোদন প্রতিবেদক
সময়ের সীমানা পেরিয়ে ৮৭-তেও অমলিন আব্দুল হাদী
সংগৃহীত ছবি

বাংলা গানের এক অনন্য নক্ষত্র, কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীর ৮৭তম জন্মদিন আজ। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের মায়াবী কণ্ঠে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলা সংগীতের এক অবিচ্ছেদ্য নাম। আজও তাঁর গান একই আবেগে শোনেন পুরোনো ও নতুন—দুই প্রজন্মের শ্রোতারা।

জন্মদিনে দেশের সংগীতাঙ্গন, সহশিল্পী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন এই বরেণ্য শিল্পী। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হচ্ছে তাঁর গান, স্মৃতিচারণা এবং সাক্ষাৎকারভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান, যেখানে উঠে আসছে তাঁর সংগীতজীবনের নানা অজানা গল্প ও অভিজ্ঞতা।

বিশেষ এই দিনটি প্রসঙ্গে আব্দুল হাদী বলেন, ‘জন্মদিনে মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার চেয়ে বড় উপহার আর কিছু হতে পারে না। অন্যসব দিনের মতোই আজকের দিনটি কাটবে। প্রতিবছরই শ্রোতা-ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হই। এবারও হয়তো তেমন কিছু হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জন্মদিনের অনুভূতিও বদলে যায়। ছোটবেলায় জন্মদিন মানে ছিল আনন্দ। তবে শৈশবে জন্মদিনে ঘটা করে কোনো আয়োজন হতো না। এখন জন্মদিন মানে জীবনের পথচলার দিকে ফিরে তাকানো। মনে হয়, কত মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এত দূর এসেছি।’

১৯৪০ সালের ১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে আগরতলা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ঢাকায়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। সংগীতের প্রতি ভালোবাসা থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ পথচলা, যা সময়ের সঙ্গে পরিণত হয়েছে এক কিংবদন্তি ক্যারিয়ারে।

ষাটের দশকে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান তাঁকে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ‘এমনও তো প্রেম হয়’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘যেও না সাথী’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘এই পৃথিবীর পান্তশালায়’, ‘চোখ বুঝিলেই দুনিয়া আঁধার’সহ অসংখ্য গান আজও বাংলা গানের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাঁর সংগীতজীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে। তাঁর জনপ্রিয় গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সেই আয়োজনে তুলে ধরা হয় বাংলা সংগীতে তাঁর অনন্য অবদানের কথা।

অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পীর সম্মান অর্জন করেছেন। এছাড়া ২০০০ সালে সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য লাভ করেন দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক।
 

ফিফার বিশ্বকাপ পেজে বাংলাদেশের গান

বিনোদন প্রতিবেদক
ফিফার বিশ্বকাপ পেজে বাংলাদেশের গান
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষার একটি অনুপ্রেরণামূলক গানের লাইন এবার জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরের অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে। ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোর প্রত্যাবর্তনকে তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়েছে বহুল পরিচিত লাইন—‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে’।

মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময়) বিকেল ৩টা ৫২ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটিতে কোনো অনুবাদ ছাড়াই বাংলা ভাষাতেই লাইনটি ব্যবহার করা হয়। ব্রাজিলের ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়া সেই পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই পোস্টটিতে ৭৫ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি মন্তব্য এবং দেড় হাজারেরও বেশি শেয়ার জমা পড়ে।

বিশ্বমঞ্চে নিজের লেখা গানের এমন ব্যবহার দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন গীতিকার আসিফ ইকবাল। ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি স্মরণ করেন, ২০০৪ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান : তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার জন্য গানটি লিখেছিলেন তিনি। এতে সুর করেছিলেন নকীব খান। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু, পার্থ বড়ুয়া, কনকচাঁপা, বাপ্পা মজুমদার, দিনাত জাহান মুন্নীসহ একাধিক শিল্পী।

স্ট্যাটাসে আসিফ জানান, গানটি লেখার সময় তিনি কখনো ভাবেননি এটি একদিন কোটি মানুষের অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠবে। তার বিশ্বাস ছিল, হয়তো কিছু মানুষ গানটি শুনবে, গুনগুন করবে কিংবা কঠিন সময়ে সাহস পাবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে গানটি মানুষের জীবনের নানা প্রেক্ষাপটে নতুন অর্থ খুঁজে নিয়েছে।

তিনি জানান, গানটির লাইন দেশের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে খেলাধুলার মাঠ, সভামঞ্চ, সংকট কিংবা বিজয়ের মুহূর্ত—নানা উপলক্ষে এটি উচ্চারিত হয়েছে। পরে এই গানের জনপ্রিয়তা থেকেই নিজের একটি বইয়ের নামও রাখেন ‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট’। 

তবে ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল পেজে নিজের লেখা দেখতে পাবেন, এমন কল্পনাও কখনো করেননি বলে জানিয়েছেন এই গীতিকার। 

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘আল্লাহর পরিকল্পনা আমার কল্পনার চেয়ে অনেক বড়। আজ সেই একই লাইন ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল পেজে। আমার প্রিয় খেলোয়াড় কাসেমিরোর ছবিসহ ব্রাজিলের ফিরে আসার গান হিসেবে। বাংলায়। কোনো অনুবাদ ছাড়া। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুটবল মঞ্চে।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘একটা লাইন। গান থেকে সংসদে। সংসদ থেকে বইয়ের নামে। বই থেকে ফিফার পেজে। প্রতিটা ধাপে আমি শুধু দিয়ে গেছি। কোনো দিন ভাবিনি, কোথায় কী পৌঁছাবে।’

এই স্বীকৃতিকে নিজের একার অর্জন হিসেবে দেখতে নারাজ আসিফ ইকবাল। বরং এটি বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সম্মান বলেই মনে করেন তিনি। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লিখেছেন, ‘এই অর্জন আমার না। এ অর্জন বাংলাদেশের। বাংলা ভাষার। চট্টগ্রামের একটা ছেলে একদিন একটা লাইন লিখেছিল। সে লাইন আজ বিশ্বমঞ্চে। কারণ ছোট দেশের ছোট মানুষের কথাও একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মঞ্চে পৌঁছায়। শুধু লক্ষ্য থাকতে হয় অটুট।’

মেধা শঙ্করের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে সময় রায়না

বিনোদন ডেস্ক
মেধা শঙ্করের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে সময় রায়না
সময় রায়না এবং মেধা শঙ্কর

কমেডিয়ান সময় রায়না এবং ‘টুয়েলভথ ফেল’ খ্যাত অভিনেত্রী মেধা শঙ্করকে নিয়ে আবারও প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এই আলোচনা নতুন করে জোরালো হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়েছে, সময় রায়না ও মেধা শঙ্করকে একই জায়গায় একসঙ্গে দেখা গেছে। পোস্টে আরো বলা হয়, পাপারাজ্জিদের নজরে পড়তেই তারা আলাদা হয়ে যান। এরপর থেকেই অনেক ভক্ত ধারণা করছেন, দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি কিছু থাকতে পারে।

তবে এই ধরনের গুঞ্জন এবারই প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সময় ও মেধাকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

তবে এখন পর্যন্ত সময় রায়না বা মেধা শঙ্কর—কেউই এই গুঞ্জন নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে তাদের সম্পর্কের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই নিশ্চিত হয়নি। বর্তমানে বিষয়টি কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ভক্তদের জল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

এদিকে, কাজের ক্ষেত্রে সময় রায়না সম্প্রতি তার শো ইন্ডিয়াস গট ল্যাটেন্ট-এর দ্বিতীয় সিজন নিয়ে ফিরেছেন। প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে ছিলেন আলিয়া ভাট ও শর্বরী।