• ই-পেপার

আগুনে পুড়ল নারায়ণগঞ্জের একটি ঝুটের গোডাউন

ঠাকুরগাঁওয়ে একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী প্রাইভেটে পড়তে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তাদের স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। খুশি, মল্লিকা ও ঋতু দশম শ্রেণির এবং সুজুতি রানী দেবনাথ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

স্বজনরা জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। 

নিখোঁজের ১ দিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
নিখোঁজের ১ দিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের একদিন পর পারভীন (৪৬) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার(১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে বাসার পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পারভীন উপজেলার হাতীবান্ধা গ্রামের মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী। তিনি সখীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে পারভীন বাসায় ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে চাকরিরত নিহতের ছেলে ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে সর্বশেষ কথা হয় তার। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও তিনি আর ফোন ধরেননি। ওইদিন সন্ধায় ফাহাদ বাদী হয়ে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। পরে বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে। খবর দেয়। নিহতের ছেলে ফাহাদ দাবি তার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। 

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে কেউ পারভীনকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে রাখে। মরদেহ  উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। 
 

মাদক কেলেঙ্করি, দাউদকান্দির ওসিকে প্রত্যাহার

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
মাদক কেলেঙ্করি, দাউদকান্দির ওসিকে প্রত্যাহার
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি এম. এ বারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজ) করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বুধবার (১ জুলাই) তিনি ওসি (তদন্ত) শামসুজ্জামানের নিকট দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে চলে যান। তবে এ বিষয়ে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া তার সঙ্গে কথা বলতে কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জানা গেছে, সর্বশেষ ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং তা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ঘটনায় দেওয়া ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারীর একটি বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। জাতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এসআই ইমাম একটা ডাকাত। তার এই কাজটা ঠিক হয়নি। ১০০ কেজি দিয়ে মামলা করে বাকিটা এদিক-সেদিক করলে আমি কিছুই বলতাম না। এখন তার বিরুদ্ধে সংবাদ হলে আমার কিছু বলার নেই।’

ওসির এই বক্তব্য প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জবাবদিহিতা, আলামত জব্দের প্রক্রিয়া এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে।

এর আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওসি বারীকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনা জাতীয় গণমাধ্যমে উঠে আসে। এছাড়া সম্প্রতি দাউদকান্দিতে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েন।

মুন্সিগঞ্জ

রান্নাঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল বৃদ্ধের মরদেহ, নেপথ্যে কী?

অনলাইন ডেস্ক
রান্নাঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল বৃদ্ধের মরদেহ, নেপথ্যে কী?
সংগৃহীত ছবি

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানে নিখোঁজের প্রায় ৫০ দিন পর আওলাদ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভীর রাতে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে নিহতের স্বজন খায়ের বেপারীর বাড়ির রান্নাঘরে মাটির নিচ থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত চাইনপাড়া গ্রামের মৃত ফরিদ শেখের ছেলে। মরদেহ বাড়ির পাশের আত্মীয় খায়েরের বাড়ির রান্নাঘরের মাটির প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট গভীরে পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন- চাইনপাড়া গ্রামের কায়কোবাদ বেপারীর ছেলে মানিক বেপারী (৪০), মৃত হাজী ইদ্রিস আলীর ছেলে বিন আমিন (৩৬), মমিন আলীর ছেলে রিপন (৩০) এবং রংপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত গাফফার মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৮)।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ৯ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন আওলাদ হোসেন। পরে ২৩ মে সিরাজদীখান থানায় একটি মামলা করেন তার ভাই আব্দুল আউয়াল শেখ। নিখোঁজের পর দীর্ঘদিন পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে আওলাদকে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে কোথাও তার সন্ধান মিলছিল না।

একপর্যায়ে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ আওলাদের ভায়রা খায়েরের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। পরে তার বাড়ির রান্নাঘরে মাটির প্রায় ১০ ফুট নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ব্যক্তিগত জীবনে আওলাদ হোসেন দুটি বিয়ে করেন। এছাড়া পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

সিরাজদীখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে’। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।