• ই-পেপার

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন লটারিতে

ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামে তুরস্ক যাচ্ছেন কুবির ৫ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

কুবি প্রতিনিধি
ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামে তুরস্ক যাচ্ছেন কুবির ৫ শিক্ষক-শিক্ষার্থী
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সঙ্গে তুরস্কের তোকাত গাজি উসমানপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচির (এমওইউ) আওতায় ‘ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রাম (ভিএসপি)’-এর জন্য চূড়ান্তভাবে ৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছে দুজন শিক্ষক ও ৩ জন শিক্ষার্থী। তারা হলেন ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হালিমা আক্তার, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক আকিলা রুবায়াত, সিএসই বিভাগের বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. মোজাম্মেল হক, লোক প্রশাসন বিভাগের স্নাতকোত্তর ২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. হাসান, অর্থনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর ২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন হাসান।

এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন হাসান বলেন, ‘ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার একাডেমিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি এবং আমার শিক্ষক, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবার দোয়া কামনা করছি যাতে এই সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে পারি।’

এ ছাড়া ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হালিমা আক্তার বলেন, ‘ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এটি একটি গবেষণাভিত্তিক প্রোগ্রাম, তাই আমি আবেদন করেছিলাম। তবে যেহেতু এটি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে, তাই এতে যোগদান অনেকটাই নির্ভর করছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কতটুকু সহায়তা পাই তার ওপর।’

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, ‘দুই মাসব্যাপী এ প্রোগ্রামের জন্য পাঁচজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের থাকা-খাওয়ার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে তোকাত বিশ্ববিদ্যালয়। তবে পাসপোর্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ অংশগ্রহণকারীদের নিজস্বভাবে বহন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে না।’

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও তুরস্কের তোকাত গাজি উসমানপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় এই ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রাম। কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীদের আবাসন ও খাদ্যের ব্যবস্থা করবে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়টি।

নোবিপ্রবিকে আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নোবিপ্রবিকে আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (নোবিপ্রবি) একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, নোবিপ্রবির সেই জায়গা, অবস্থান ও পরিবেশ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার সব ধরনের সুযোগ রয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন এবং ডিনস অ্যাওয়ার্ড ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত সপ্তাহেই মন্ত্রিসভায় বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং, মেডিক্যাল সায়েন্স, আইসিটির মতো বিষয়গুলো থাকবে। নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়েরও সেই ধরনের সক্ষমতা রয়েছে।’

মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতির ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পুরস্কার। এই স্বীকৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলবে, যা আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কাজে সহায়ক হবে।’

দেশের জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘জনশক্তিকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে পারলে তারা বিদেশে গিয়ে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবে। এজন্য মাদ্রাসা শিক্ষাতেও কারিগরি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আগামীতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কমন বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে।’

পরীক্ষা ও শিক্ষক সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ‘আগামী ২ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৯টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা একই প্রশ্নে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষায় কোনো বৈষম্য রাখা হবে না।’

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষক সংকট দ্রুতই কেটে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টে মামলার কারণে ২০১৭ সাল থেকে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি বন্ধ ছিল। বিষয়টি সংসদে উত্থাপনের পর আদালতের নজরে এসেছে। আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এটি নিষ্পত্তি হলে সমস্যার সমাধান হবে।’

নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৯ জন কৃতি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ এবং ৩ জন শিক্ষককে ‘ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী নোবিপ্রবির বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

সভায় তিনি আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা যেন শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

কৃষিবিদ ডা. শাহাদাতের ওপর হামলার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ সভা

বাকৃবি প্রতিনিধি
কৃষিবিদ ডা. শাহাদাতের ওপর হামলার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ সভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

সম্প্রতি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদ ও পেশাজীবীবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজ ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি বাকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৪ জুন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) ময়মনসিংহ চ্যাপ্টারের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. সাদেকুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় অ্যাব ও ময়মনসিংহ অ্যাবের সাবেক নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর সংঘটিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসঙ্গে পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা বলেন, ‘একজন পেশাজীবীর ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘গত ৪ জুন কেআইবি চত্বরে আমাদের প্রিয় সহযোদ্ধা পারভেজের ওপর এক বর্বরোচিত ও ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়াটে গুণ্ডা লেলিয়ে দিয়ে তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হয়েছে, কোনো ছিনতাইকারী বা ডাকাতকেও হয়তো রাস্তাঘাটে এভাবে পেটানো হয় না, যেভাবে একজন জুলাইযোদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ঢাকার রাজপথে সবার আগে থেকে লড়াই করা একজন জুলাইযোদ্ধার ওপর এমন জুলুম ও বর্বর আক্রমণ দেখে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

‎তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য বা অনৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজনের গায়ে হাত তোলা বা কাউকে খুন করার মতো অপরাধী মানসিকতা যারা পোষণ করে, তাদের কোনো সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা কোনোক্রমেই সমীচীন নয়। আমরা আর কোনো রক্তপাত বা অন্যায় সহ্য করবো না।’

শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

২০২৬ সালের আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা ধর্মীয় বিধি-নিষেধের কারণে সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলোতে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

শর্তে বলা হয়, এ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা শনিবার সকাল ১০টার আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হবে ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের সাথে প্রবেশপত্রে বর্ণিত দ্রব্যের বাইরে কিছু থাকবে না। কোনো অবস্থাতেই তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না এবং বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না।