• ই-পেপার

ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার

প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা

মুরগির দাম বেড়েছে, সবজি আগের মতোই

অনলাইন ডেস্ক
মুরগির দাম বেড়েছে, সবজি আগের মতোই
সংগৃহীত ছবি

কয়েক দিনের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারে মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ মাছের দামও বেশি দাম থাকায় স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। তবে সবজি, ডিম ও গরুর মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। 

​শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর মালিবাগ, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। এছাড়া ​সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায়।

বাজারে রুই মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল ২৩০ থেকে ৫০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং টাকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি ক্রয়ে স্বস্তিতে ক্রেতারা। বর্তমানে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, করলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কহি ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা এবং পটল ৪০ টাকায়। এছাড়া আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।​ মালিবাগ বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রাসেল বলেন, ‘পাইকারি আড়তগুলোতেই মুরগির দাম বাড়তি। প্রচণ্ড গরমের কারণে অনেক খামারে মুরগি মারা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে সরবরাহে। আড়তে দাম কমলে আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারব।’

​দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে বাজারে মিনিকেট, নাজিরশাইল ও বিআর-২৮ জাতের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল। নতুন করে দাম না বাড়লেও সেই বাড়তি দামেই চাল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বাজারে ​মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়।​ নাজিরশাইল কিনতে হচ্ছে মানভেদে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা কেজি।এছাড়া ​বিআর-২৮ বা মাঝারি চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬২ টাকায়।

​খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা জানান, মিল পর্যায় থেকে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম কমানোর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব রয়ে গেছে।

মুরগি ও চালের বাজারে কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও স্বস্তি দিচ্ছে সবজির বাজার। বাজারে শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। অধিকাংশ সবজি প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে কেনা যাচ্ছে।

সেগুনবাগিচা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আনিসুর রহমান বলেন, সবজির দামটা এখন কিছুটা নাগালের মধ্যে আছে, এটা ভালো দিক। কিন্তু চালের দাম একবার বাড়লে আর কমে না। আর মুরগির দামও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি না থাকলে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে যায়। দিকে, বাজারে তেল চিনি ডালের মতো অন্যান্য মুদিপণ্যের দামে প্রায় আগেই দামই আছে।

ফের বাড়ল সোনার দাম

অনলাইন ডেস্ক
ফের বাড়ল সোনার দাম

একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। যা আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। এ দিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ‍জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ দিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

২০২৫-২৬ অর্থবছর

অনলাইন ডেস্ক
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

শেষ মুহূর্তের জোরালো প্রচেষ্টায় সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। তবে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে ঘাটতি থাকছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। যদিও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা ছিল, চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এ ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, কঠোর নজরদারি, কর ফাঁকি রোধে অভিযান, উন্নত পরিকল্পনা এবং কর কমপ্লায়েন্স জোরদারের ফলে সম্ভাব্য বড় ঘাটতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

গত বুধবার নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর রাজস্ব আহরণ কৌশল নির্ধারণে এনবিআরের আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের টাস্কফোর্সগুলো অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল তিতুমীরের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে তিন বছরের একটি মধ্যমেয়াদি রাজস্ব কৌশল প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী তিন বছরের জন্য এমন একটি রাজস্ব কৌশল তৈরি করা হবে, যেখানে রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য উৎস এবং সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে জুন পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। করের আওতা সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব ফাঁকির সুযোগগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করা হচ্ছে।’ নবনিযুক্ত এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব জানান, বুধবার পর্যন্ত রাজস্ব আদায় দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের শেষ দিনের হিসাব সমন্বয়ের পর আরো প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা যুক্ত হবে। ফলে মোট রাজস্ব আদায় ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। তিনি বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম দিনেই এনবিআর কাজ শুরু করেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে লিখিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং গত তিন মাসে টাস্কফোর্সগুলোর কার্যক্রম ইতিবাচক ফল দিয়েছে।’

এনবিআর সূত্র জানান, শুল্ক ও ভ্যাট বিভাগ ইতোমধ্যে তাদের রাজস্ব আহরণ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। আয়কর বিভাগও শিগগিরই তাদের কৌশল চূড়ান্ত করবে। এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, নতুন বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি রাজস্ব বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। টার্নওভারভিত্তিক ভ্যাটব্যবস্থা, খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহের ওপর ০.২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।