• ই-পেপার

একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

ব্যাংকঋণের সুদহার কমিয়ে আনতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) আবারও সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এখন থেকে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ ছাড়া অন্য সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে আমানত ও ঋণের গড় সুদহারের ব্যবধান ৪ শতাংশের বেশি রাখা যাবে না। ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদের ব্যবধান বর্তমানে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে।

আজ সোমবার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ব্যাংক আমানতের সুদহারের তুলনায় ঋণের সুদহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। ফলে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতের অর্থায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উৎপাদনশীল খাতে ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকে এই ব্যবধান ৭ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এর ফলে ঋণের ব্যয় বেড়ে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ব্যাংক আমানতে তুলনামূলক কম সুদ দিলেও ঋণের ক্ষেত্রে বেশি সুদ নিচ্ছে। আবার কোনো কোনো ব্যাংক কম সুদে আমানত সংগ্রহ করেও সেই অনুপাতে ঋণ বিতরণ করছে না। এসব কারণে স্প্রেডে আবার সীমা আরোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংক যদি গড়ে ৮ শতাংশ সুদে আমানত সংগ্রহ করে, তাহলে তারা সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারবে। এতে ধীরে ধীরে ঋণের সুদহার কমে আসবে এবং ঋণগ্রহীতাদের ব্যয়ও কমবে।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধানের ওপর থাকা ৪ শতাংশের সীমা তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির আওতায় সুদহারকে বাজারভিত্তিক করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ সীমা প্রত্যাহার করা হয়। তবে বর্তমানে সেই সীমা পুনর্বহাল করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি–সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ কমিটিও সম্প্রতি স্প্রেড আবার সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে সীমিত করার সুপারিশ করে। কমিটির মতে, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও অতিরিক্ত সুদ ব্যবধানের কারণে ঋণের ব্যয় বেড়েছে। স্প্রেডে সীমা আরোপ করলে ঋণের সুদহার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন সহজ হবে।

৪৫ মাস পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৫ মাস পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বেড়ে ৪৫ মাস পর গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আজ সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ উঠেছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বর্তমানে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে দীর্ঘদিন পর গত বুধবার (২৪ জুন) রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছিল। 

এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।

গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। গত বুধবার যা ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর আগে গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল।

আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সঙ্গে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। 

আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। 

জুন মাসে রেমিট্যান্স এলো ২৫৯ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুন মাসে রেমিট্যান্স এলো ২৫৯ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ২৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৫৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫৩৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
 

মুদ্রানীতি ঘোষণা মঙ্গলবার

পরিবর্তন নাও হতে পারে নীতি সুদহার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পথে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
মুদ্রানীতি ঘোষণা মঙ্গলবার

মূল্যস্ফীতি এখনো স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে না নামায় নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতিতেও সতর্ক অবস্থান বজায় রাখতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এবারও সংকোচনমূলক নীতির ধারা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে বড় বাজেট, প্রণোদনা কর্মসূচি, তারল্য সহায়তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার কার্যক্রম অর্থনীতিতে অতিরিক্ত অর্থপ্রবাহ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নতুন মুদ্রানীতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার আগের অবস্থানেই রাখা হতে পারে। কারণ সম্প্রসারণমূলক পদক্ষেপ নিলে বাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে সরকার গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত মে মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ। টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি থাকায় এর চাপ অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই বিস্তৃত হয়েছে।

এদিকে নতুন অর্থবছরের বড় বাজেট এবং প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা কর্মসূচির কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে বাজারে চাহিদা ও অর্থপ্রবাহ বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতিতে নীতি সুদহার কমিয়ে আরো সম্প্রসারণমূলক অবস্থানে যাওয়া সমীচীন হবে না। সম্প্রসারণমুখী রাজস্বনীতির পাশাপাশি সহজ মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরো চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত সতর্ক বা ‘ধীরে চলো’ নীতি অনুসরণ করতে পারে। ফলে আসন্ন মুদ্রানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

অন্যদিকে পলিসি থিঙ্ক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান ও অর্থনীতি বিশ্লেষক মো. মাজেদুল হক বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। তবে শুধু মুদ্রানীতির মাধ্যমে এটি সম্ভব নয়। করব্যবস্থা, রাজস্বনীতি, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি হওয়ায় ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি মূল্যস্ফীতিতে পড়ে। একই সময়ে উচ্চ সুদহারের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার মতে, নীতি সুদহার ১ শতাংশ কমিয়ে ৯ শতাংশে আনা হলে বেসরকারি খাতে ঋণ, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরতে পারে। পাশাপাশি কর কাঠামোর সংস্কার এবং বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করারও পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোপুরি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিতে যায় এবং নীতি সুদহার বাড়িয়ে ১০ শতাংশে উন্নীত করে। সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত মুদ্রানীতিতেও নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডিং ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) ঊর্ধ্বসীমা ১১ দশমিক ৫ শতাংশ বহাল রাখা হয়। আর স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) নিম্নসীমা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়।

নতুন মুদ্রানীতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান বলেন, অর্থবছর শুরুর আগেই মুদ্রানীতি ঘোষণা করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, নতুন মুদ্রানীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।