• ই-পেপার

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

জুলাই শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্বলন

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্বলন

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ঐতিহাসিক সেই আন্দোলনের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ‘জুলাইয়ের প্রথম প্রহরে’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশেষ মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করে সংগঠনটি।

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে (১ জুলাইয়ের প্রথম প্রহরে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মীরা হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি নিয়ে শহীদ মিনারের বেদিতে অবস্থান নেন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রাণ দেওয়া সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জাতীয় ছাত্রশক্তির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জাতীয় ছাত্রশক্তির

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে দেশজুড়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের কবর জিয়ারত, ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে সংহতি সমাবেশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে জুলাইয়ের গান, কবিতা, পথনাটক ও মূকাভিনয়ের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং আলোকচিত্র ও ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী।

এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে গল্প, কবিতা, ছবি ও অ্যানিমেশন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠান, জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে কফিন মিছিল, জুলাই কনফারেন্স, শহীদদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, গ্রাফিতি অঙ্কন এবং অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টেশন কর্মসূচিও রয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আত্মত্যাগ, সাহস ও আপসহীন সংগ্রাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র নির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করাই জাতীয় ছাত্রশক্তির অঙ্গীকার।

জাতীয় ছাত্রশক্তি দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণকে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অভিযাত্রায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. বিটু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. বিটু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জিয়াউল হক স্যারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তাঁর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

হাসপাতালে পৌঁছে ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভ কামনার বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, ‌‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার হলে, তাঁর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে সাহসিকতার সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ অসুস্থ প্রবীণ রাজনীতিকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার দীর্ঘ ধারাবাহিক লড়াইয়ের বীরোচিত বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাসব্যাপী এই কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ জুলাই প্রথম প্রহরে (৩০ জুন, মঙ্গলবার রাত ১১টায়) জাতীয় শহীদ মিনারে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শিরোনামে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, সব অংশীজনের অবদানের স্বীকৃতি ও জাতীয় ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখতেই ছাত্রদল মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কেন্দ্রীয় সংসদের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সারা দেশের বিভিন্ন ইউনিটেও এই কর্মসূচি পালন করা হবে।