• ই-পেপার

স্বাধীনতা দিবসের আগে যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ

সরকার অস্ত্র দিয়ে এখন সন্ত্রাসী বলছে—পাকিস্তানের কাশ্মির সমাবেশে অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
সরকার অস্ত্র দিয়ে এখন সন্ত্রাসী বলছে—পাকিস্তানের কাশ্মির সমাবেশে অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে চলমান বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি। যদিও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত সরকার সন্ত্রাস বিরোধী আইনে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার চলমান আন্দোলনের ২৪তম দিনে রাওয়ালকোটের ঈদগাহ ময়দানে বিশাল এক বিক্ষোভ সমাবেশে অ্যাকশন কমিটির নেতা সরদার আমান খান পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ এনেছেন।

আমান খান দাবি করেছেন যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীই মূলত কাশ্মীরিদের হাতে প্রথম অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীই জম্মু ও কাশ্মীরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার করেছিল। আমান খান বলেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনীই কাশ্মীরিদের হাতে বন্দুক তুলে দিয়েছিল। আর আজ তারাই আমাদের সন্ত্রাসী বলার দুঃসাহস দেখাচ্ছে।’ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময়, আমান খান গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জৈশ-ই-মোহাম্মদ-এর একটি কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। যেখানে সশস্ত্র অংশগ্রহণকারীরা একে-৪৭ রাইফেল এবং তলোয়ারের মতো বিপজ্জনক অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করেছিল।

রাওয়ালকোটের ডেপুটি কমিশনারের উদ্দেশ্যে আমান খান বলেন, ‘আপনি নিজেই এখানে বন্দুক ও তলোয়ার নিয়ে মিছিলের আয়োজন করতেন। আপনার কি মনে আছে? আর এখন আপনি আমাদের সন্ত্রাসী বলবেন? এই সমস্ত বিক্ষোভকারী মানুষ এই মাটির প্রকৃত উত্তরাধিকারী।’ পাকিস্তান সরকারকে হুশিয়ার করে দিয়ে আমান খান বলেন, এই আন্দোলনের ৩৮ দফা দাবি মেনে না নিলে বিষয়টি আর এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি তখন পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে পাততাড়ি গুটানোর দাবিতে এক দফা আন্দোলনে রূপ নেবে।

২৫ দিন ধরে সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির। চলমান আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ১৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েকশ মানুষ। অ্যাকশন কমিটির শীর্ষ নেতাসহ অন্তত ৬০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ভারত-জাপানের নতুন চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ভারত-জাপানের নতুন চুক্তি
ছবি: রয়টার্স

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা, সেমিকন্ডাক্টরের সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করা, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা খাতে যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। 

বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মোদি বলেন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত ও জাপান একসঙ্গে একটি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করছে। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ধাতু, জ্বালানি এবং স্বাস্থ্য খাতে একাধিক চুক্তি সই হয়েছে।

ভারতে প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে আসা জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি। তিনি ষোড়শ ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সফর করছেন। সংবাদ সম্মেলনে মোদি তাকাইচিকে একজন ‘দূরদর্শী ও জনপ্রিয় নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাকাইচিকে নিজের ‘ছোট বোন’ বলেও সম্বোধন করেন। মোদি বলেন, তাকাইচির জাপানের নারা অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। তার ভাষ্য, ওই অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের বৌদ্ধ ধর্মের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতির পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ভারত ও জাপানের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে। তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে জি-৭ সম্মেলনেও তিনি বলেছিলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে পারস্পরিক বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি। তার দাবি, ভারত ও জাপানের অংশীদারত্ব সেই পরীক্ষায় সফল হয়েছে। ভারতের অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্প খাতের আধুনিকীকরণে জাপানের দীর্ঘদিনের অবদানেরও প্রশংসা করেন মোদি। তিনি বলেন, ভারতের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপেই জাপান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। মোদির ভাষায়, তাকাইচির এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত ও জাপান বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে দুই দেশ একসঙ্গে নেতৃত্ব দিতে চায়। তিনি আরো জানান, আগামী ১০ বছরে জাপান ভারতে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে। একই সময়ে ভারতে কার্যক্রম পরিচালনা করা জাপানি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মোদি বলেন, প্রযুক্তি খাতই ভারত-জাপান সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি। এ কারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। তিনি জানান, ভারতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এআই প্রতিষ্ঠানও তাদের জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে। মোদির মতে, জাপানের উন্নত প্রযুক্তি ও ভারতের সফটওয়্যার দক্ষতা একত্র হলে বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ আরো দ্রুত হবে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে মোদি বলেন, ভারত ও জাপানের প্রথম যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়ন প্রকল্প দুই দেশের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বে নতুন অধ্যায় তৈরি করবে। তিনি জানান, নৌবাহিনীর জন্য ‘ইউনিকর্ন’ নামে একটি রেডিও অ্যান্টেনা প্রযুক্তি যৌথভাবে উন্নয়নের কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্প সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদার এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতেও ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্বাস্থ্য খাতেও দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে বলে জানান মোদি। তিনি বলেন, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জীবপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। ভারতের বৃহৎ উৎপাদন সক্ষমতা এবং জাপানের উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিশ্বের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মোদি জানান, ভারত-জাপান বায়োগ্যাস উদ্যোগের আওতায় ভারতে এক হাজার বায়োগ্যাস ও জৈব সার কারখানা স্থাপন করা হবে। তার মতে, এই উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি ও পরিবেশ খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
 

পরবর্তী প্রজন্মের ড্রোন যুদ্ধের জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
পরবর্তী প্রজন্মের ড্রোন যুদ্ধের জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতগুলো সামরিক কৌশলের চিরচেনা রূপ বদলে দিয়েছে। আধুনিক যুদ্ধে রণক্ষেত্রের আধিপত্য এখন আর শুধু দামি যুদ্ধবিমান, ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং ড্রোন এখন যুদ্ধের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। বৈশ্বিক এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে ভারত এখন দেশীয় ড্রোন উৎপাদন, ড্রোন-প্রতিরোধী (অ্যান্টি-ড্রোন) প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় ব্যাপক গতি এনেছে

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দেখা গেছে, সামান্য খরচে তৈরি ‘ফার্স্ট পারসন ভিউ’ ড্রোনগুলো লাখ লাখ ডলার মূল্যের ভারী সাঁজোয়াযান ধ্বংস করে দিচ্ছে। একইভাবে, ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ অ্যাটাক ড্রোনের ঝাঁক অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে অনায়াসেই ফাঁকি দিচ্ছে। বিশ্বরাজনীতির এই নতুন সমীকরণ এবং পূর্ব লাদাখে চীনের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা, জম্মু বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা ও অতিসম্প্রতি ২০২৫ সালের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পরবর্তী ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো নিজস্ব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নয়াদিল্লিকে আত্মনির্ভরশীল ড্রোন প্রযুক্তির দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।

প্রতিরক্ষা খাতকে শক্তিশালী করতে ভারত এখন দুই বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সর্ববৃহৎ সামরিক ড্রোন কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারের এই বিশাল উদ্যোগের ফলে আদানি গ্রুপ, টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো, আইডিয়াফোর্জ ও অ্যাস্টেরিয়া অ্যারোস্পেসের মতো ভারতের নিজস্ব ড্রোন নির্মাতারা বড় ধরনের সুবিধা পাবে।

এই নতুন ড্রোনবহরটি ভারতীয় সামরিক বাহিনীকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সীমান্ত নজরদারি, নিখুঁত হামলা ও রসদ সরবরাহে দারুণভাবে সহায়তা করবে। এটি আমেরিকার তৈরি বিখ্যাত ‘এমকিউ-নাইন বি প্রিডেটর’ ড্রোনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়া সরকারের ‘ড্রোন শক্তি মিশন’ প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলো বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব একটি শক্তিশালী ড্রোন ইকোসিস্টেম তৈরি করছে।

ড্রোনের শক্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা করাও এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই লক্ষ্যে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ‘পেলোরাস টেকনোলজিস’ -এর মতো শীর্ষস্থানীয় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে এই সংস্থাটি এমন কিছু অত্যাধুনিক সিস্টেম তৈরি করছে, যা শত্রুপক্ষের ড্রোনকে অনেক দূর থেকেই শনাক্ত, ট্র্যাক এবং নিষ্ক্রিয় (জ্যাম) করে দিতে সক্ষম। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি ‘পুলিশ এক্সপো’-তে পেলোরাস টেকনোলজিস তাদের এই ড্রোন-বিরোধী প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে, যা দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধকৌশলের এই দ্রুত পরিবর্তন মূলত একটি নতুন যুগের সংকেত দিচ্ছে। দেশীয় ড্রোন ও সাইবার নিরাপত্তায় ভারতের এই বিশাল বিনিয়োগ প্রমাণ করে যে, আগামী দিনের সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ট্যাঙ্কের গোলার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহ, এক সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহ, এক সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ
ছবি : রয়টার্স

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২২ জুন থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। দেশটির জনস্বাস্থ্য সংস্থা পাবলিক হেলথ ফ্রান্স শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, ওই সপ্তাহে ২ হাজার ২৫ জন অতিরিক্ত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে প্যারিস অঞ্চলে, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ৬২ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া পে দ্য লা লোয়ার অঞ্চলেও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে তাপপ্রবাহ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী গ্রিনস দল সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও জমা দিয়েছে।

গত জুনে ফ্রান্সে টানা প্রায় ১১ দিন রেকর্ড-ভাঙা তাপপ্রবাহ চলেছে। এ সময় দেশের অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ছিল। এর আগে ২০০৩ সালের তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বয়স্ক।

তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট বলেছেন, এবারের পরিস্থিতি ২০০৩ সালের মতো ভয়াবহ হবে বলে তিনি মনে করেন না। প্যারিসের সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থার প্রধান নিকোলাস রেভেল বলেন, এবারের তাপপ্রবাহে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৩ সালের তুলনায় কম হতে পারে, তবে গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।