• ই-পেপার

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আদায়ের পরিকল্পনা

খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানে থাকছে ১০০ দেশের প্রতিনিধি

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানে থাকছে ১০০ দেশের প্রতিনিধি
রয়টার্স ছবি

চলতি জুলাই মাসের ৪ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান। এতে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও প্রতিনিধিদল।

এই অনুষ্ঠানকে ইরানি জাতি, অঞ্চলটির জনগণ এবং বিশ্বের মুসলমানদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাঘায়ি বলেন, খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা ও বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এতে বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্টজন এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে।

বাঘায়ি আরও বলেন, শুক্রবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামী দিকনির্দেশনাবিষয়ক মন্ত্রী আব্বাস সালেহি জানান, জানাজা উপলক্ষে ইতিমধ্যে গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশীয় গণমাধ্যমের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০০ সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানগুলো কাভার করবেন। যাতে এই ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা যায়। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, দেশটির ইতিহাসে এটিই হবে সবচেয়ে বড় শেষকৃত্যানুষ্ঠান। যেখানে দেড় থেকে ২ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে।

আব্বাস সালেহির দাবি, খামেনির জানাজা শুধু একজন নেতাকে জাতির শেষ শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান নয়; এটি জাতীয় শক্তি, সামাজিক সংহতি এবং শত্রুদের মোকাবেলায় ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরোধক্ষমতারও বহিঃপ্রকাশ।

সূচি অনুযায়ী, ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। এরপর ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা, ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোম, ৮ জুলাই ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে শোকানুষ্ঠান এবং ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক
পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার
ছবি : রয়টার্স

পোপ চতুর্দশ লিওর অনুমতি ছাড়া বিশপ অভিষিক্ত করার কারণে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক রক্ষণশীল ক্যাথলিক গোষ্ঠী সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স (এসএসপিএক্স)-এর ছয়জন ধর্মযাজককে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে বলে ভ্যাটিকান জানিয়েছে। 

খ্রিস্টধর্মের একজন উচ্চপদস্থ যাজক বা ধর্মীয় নেতাকে বিশপ। তিনি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার (ডায়োসিস) গির্জা ও যাজকদের তত্ত্বাবধান করেন।

বৃহস্পতিবার ভ্যাটিকানের ধর্মীয় মতবাদবিষয়ক দপ্তর ‘ডিকাস্টারি ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথ’ এক ডিক্রিতে বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিকদের সতর্ক করে জানায়, গোষ্ঠীটি এখন চার্চের অনুমোদন ছাড়া ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ডিক্রিতে বলা হয়, এসএসপিএক্স ক্যাথলিক চার্চের কিছু মৌলিক শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তারা বৈধভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান পরিচালনা বা স্বীকারোক্তি গ্রহণের মতো ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।

পোপ লিওর অনুরোধ উপেক্ষা করে গোষ্ঠীটি বুধবার চারজন নতুন বিশপকে অভিষিক্ত করে। এর এক দিন পরই ভ্যাটিকান এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। ক্যাথলিক চার্চের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বিশপ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র পোপের। চার্চের ঐতিহ্য ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

ভ্যাটিকান জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওই অননুমোদিত অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেওয়া দুই বিশপ এবং নতুন অভিষিক্ত চার ধর্মযাজকসহ মোট ছয়জনকে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে। 

তবে সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বুধবার গোষ্ঠীটি দাবি করেছিল, বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তারা পোপের অনুমোদন ছাড়াই বিশপ অভিষেকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

খামেনির জানাজায় যোগ দিচ্ছেন শেহবাজ শরিফ

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির জানাজায় যোগ দিচ্ছেন শেহবাজ শরিফ
রয়টার্স ছবি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরান যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। 

সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এফও) মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, আগামী ৩ থেকে ৫ জুলাই ইরান ও তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

তিনি জানান, সফরের প্রথম পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশ নেবেন। এ সময় শেহবাজ শরিফের সঙ্গে উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা সফরে থাকবেন।

তিনি আরো জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইরানের নেতৃত্ব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাবেন। পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে ভ্রাতৃপ্রতীম ইরানি জনগণের প্রতি পাকিস্তানের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করবেন।

প্রসঙ্গত, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম দিনে শহিদ হন। তার জানাজা ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হবে এবং ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে নিজ শহরে দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন জয়া বচ্চন

অনলাইন ডেস্ক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন জয়া বচ্চন
সংগৃহীত ছবি

ইন্ডিয়া জোটে শরিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বেশ খানিকটা দূরত্ব দেখা গিয়েছিল সমাজবাদী পার্টি। দিন কয়েক আগেই কলকাতায় এসে দলের সর্বভারতীয় নেতা কিরণময় নন্দ টিএমসির পরাজয়ের জন্য দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছিলেন। এবার সেই মমতার সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটের বাড়িতে গেলেন সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সদস্য জয়া বচ্চন। 

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের সঙ্গে কালীঘাটে যান এই সাংসদ। তাঁকে বাড়িতে স্বাগত জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে ডেরেক ও ব্রায়েনের সঙ্গে কালীঘাটে আসেন তিনি। এই অবস্থায় জয়ার আগমন নিয়ে বেশ উৎসাহ তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পরও হার মানতে নারাজ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে তিনি ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছিলেন। এনিয়ে মামলাও চলছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবও। তিনি ফলপ্রকাশের কয়েকদিন পর কলকাতায় এসে কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা প্রকাশ করেছিলেন।