• ই-পেপার

তারুণ্যে দেশ না ঘুরলে হারাবেন জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো

  • ভ্রমণ শুধু বিনোদন নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতা ও জীবনবোধ গড়ে তোলারও এক অনন্য মাধ্যম

পর্যটন শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, কর্মসংস্থানের বড় লক্ষ্য সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
পর্যটন শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, কর্মসংস্থানের বড় লক্ষ্য সরকারের
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা নথির তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান ২০২৬-২০৪০’ প্রণয়নের কাজ চলছে। এ পরিকল্পনার লক্ষ্য ২০৪০ সালের মধ্যে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং ২ কোটি ১৯ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটক এসেছেন প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার। তবে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, চা-বাগান অঞ্চল ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন হোটেল নির্মাণ, পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২৬-এ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়। এতে ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।

আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা যাচ্ছে। ইউ এন টুরিজম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়ে ৩০ কোটি ৭০ লাখে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও বৈশ্বিক ভ্রমণ চাহিদা স্থিতিশীল রয়েছে।

বিবিসি ট্রাভেল ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিবেদনে আবুধাবি, আলজেরিয়া, চিলি, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া, ইথিওপিয়া ও ভুটানকে ২০২৬ সালের সম্ভাবনাময় ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পর্যটন বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে পর্যটকদের মধ্যে ‘কোয়ায়েট ট্রাভেল’, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনধারাভিত্তিক অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রবণতা বাড়ছে।

এছাড়া বাংলাদেশের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বিদেশ ভ্রমণের ওপর কর কমানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে চা ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যভিত্তিক যৌথ পর্যটন উদ্যোগ নিয়েও কাজ চলছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক প্রচারণা জোরদার করা গেলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে।

পর্যটনকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
পর্যটনকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ
সংগৃহীত ছবি

দেশের পর্যটন শিল্পকে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) এ খাতের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে চলমান এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে বাড়বে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে একটি সমন্বিত বিনিয়োগ রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকো-ট্যুরিজম), গ্রামীণ পর্যটন এবং টেকসই পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পর্যটন খাতের বিকাশে দেশের বিমানবন্দরগুলোর আধুনিকায়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল সম্প্রসারণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের রানওয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ পর্যটন খাতকে আরো গতিশীল করবে বলে আশা করছে সরকার।

এ ছাড়া বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা আধুনিকীকরণ, কার্গো ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বিমান নিরাপত্তা জোরদার এবং ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের এভিয়েশন খাত গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে সমন্বিত যাত্রী ও লজিস্টিকস হাবে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে উন্নয়ন করা হবে।

সরকারের আশা, পর্যটন ও বিমান চলাচল খাতে এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতে পর্যটনের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি সিডিসির

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি সিডিসির
প্রতীকী ছবি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সময় সংক্রামক রোগ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে মানুষকে সতর্ক করতে নিয়মিত ভ্রমণ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা (ট্রাভেল হেলথ নোটিশ) প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

এসব সতর্কবার্তার উদ্দেশ্য হলো ভ্রমণকারীদের গন্তব্য দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা এবং রোগ সংক্রমণ বা অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া।

মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ ভ্রমণ নির্দেশিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সিডিসি তাদের এই নির্দেশিকা হালনাগাদ করে।

সিডিসি সাধারণত চারটি কারণে ভ্রমণ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা জারি করে। এগুলো হলো— কোনো দেশ বা অঞ্চলে রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি, নতুন বা অস্বাভাবিক এলাকায় রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়া, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বড় ধরনের জনসমাগম বা আন্তর্জাতিক আয়োজনের কারণে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়া।

ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী সিডিসি সতর্কবার্তাকে তিনটি স্তরে ভাগ করে।

লেভেল-১ এ সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

লেভেল-২ এ ভ্রমণকারীদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ, মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষা এবং বিশেষ স্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে লেভেল-৩ এ উচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সংশ্লিষ্ট দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সিডিসি ভ্রমণের আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির কথাও বলেছে। এর মধ্যে রয়েছে গন্তব্য দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি যাচাই করা, প্রয়োজনীয় ভ্রমণ টিকা গ্রহণ করা এবং নিয়মিত টিকাগুলো হালনাগাদ আছে কি না তা নিশ্চিত করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশ ভ্রমণের আগে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সম্পর্কে ধারণা থাকলে অনেক সংক্রামক রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ স্বাস্থ্য নির্দেশনা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঈদের লম্বা জার্নির পর বাইকের ইঞ্জিন ও মাইলেজ ঠিক রাখতে যা যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের লম্বা জার্নির পর বাইকের ইঞ্জিন ও মাইলেজ ঠিক রাখতে যা যা করবেন
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে অনেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন দূর-দূরান্তের পথ। মহাসড়কের মাইলের পর মাইল ফাঁকা রাস্তা কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র যানজট—সব পরিস্থিতি সামাল দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফেরা এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল প্রিয় টু-হুইলারটির। তবে একটানা এত দীর্ঘ পথ চলার কারণে রাইডারের মতো মোটরসাইকেলের ওপর দিয়েও কম ধকল যায় না।

তাই ঈদ-পরবর্তী সময়ে বাইকের ইঞ্জিন সচল ও পারফরম্যান্স নতুনের মতো ধরে রাখতে কিছু জরুরি মেইনটেইন্যান্স বা যত্নের প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। রাইড শেষে অলসতা না করে মোটরসাইকেলের মৌলিক কয়েকটি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করলে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং আর্থিক ক্ষতি—দুটো থেকেই বেঁচে থাকা সম্ভব।

পাঠকদের জন্য এমন কিছু জরুরি পরামর্শ নিচে তুলে ধরা হলো—

  • ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন

লং ট্যুর থেকে ফেরার পর সবচেয়ে প্রথম যে কাজটি করা দরকার, তা হলো ইঞ্জিন অয়েল বা মবিল পরিবর্তন। একটানা হাইওয়েতে উচ্চ গতিতে চলা এবং জ্যামের মধ্যে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে মবিলের কার্যক্ষমতা বা ভিসকোসিটি (ঘনত্ব) দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তাই আপনার বাইকের ইঞ্জিন অয়েলের গ্রেড অনুযায়ী সেটি পরিবর্তন করে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে ইঞ্জিনের ভেতরের যন্ত্রাংশগুলো ঘর্ষণজনিত ক্ষয় থেকে রক্ষা পাবে এবং বাইকের স্মুথনেস বজায় থাকবে।

  • এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার ও প্রতিস্থাপন

লং ট্যুরের ধকলের পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করা। মহাসড়কে বা গ্রামীণ রাস্তায় চলার সময় বাতাসে থাকা প্রচুর ধুলাবালি বাইকের এয়ার ফিল্টারে জমা হয়। ফিল্টার জ্যাম হয়ে গেলে ইঞ্জিনে পর্যাপ্ত বাতাস পৌঁছাতে পারে না, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মাইলেজের ওপর। এতে বাইকের অ্যাক্সেলেরেশন বা টানতে সমস্যা হয় এবং জ্বালানি খরচ এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে যায়। তাই মেকানিকের কাছে গিয়ে প্রেসারাইজড হাওয়া দিয়ে ফিল্টারটি পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি। তবে ফিল্টার বেশি নোংরা বা নষ্ট হলে তা বদলে ফেলাই শ্রেয়।

  • ড্রাইভ চেইন টিউনিং ও লুব্রিকেশন

দীর্ঘ পথ চলায় মোটরবাইকের ড্রাইভ চেইনের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। রাস্তার কাদা, পানি ও ধুলার কারণে চেইনের ভেতরের লুব্রিকেন্ট শুকিয়ে যায় এবং চেইন ঢিলে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঢিলে চেইন নিয়ে রাইড করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই চেইনের টেনশন বা টাইট ঠিকঠাক করে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর ভালো মানের চেইন লুব বা গিয়ার অয়েল ব্যবহার করতে হবে। এতে চেইন স্প্রকেটের স্থায়িত্ব অনেক দিন বেড়ে যায়।

  • ব্রেক শু ও প্যাড পরীক্ষা

হাইওয়েতে বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রেকের ব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশি। অতিরিক্ত ব্রেকিংয়ের ফলে ব্রেক প্যাড বা শু দ্রুত ক্ষয়ে যায়। তাই দূরপাল্লার যাত্রা শেষে অবশ্যই সামনের ও পেছনের ব্রেক প্যাডের বর্তমান অবস্থা পরীক্ষা করে দেখা উচিত। ক্ষয়ে যাওয়া প্যাড নিয়ে বাইক চালালে ব্রেক ডিস্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর পাশাপাশি ব্রেক অয়েলের লেভেল ঠিক আছে কি না, তা-ও নিশ্চিত করে নেওয়া প্রয়োজন।

  • টায়ার ও স্পার্ক প্লাগের যত্ন

সর্বশেষে টায়ার ও স্পার্ক প্লাগের দিকে একটু নজর দিতে হবে। দূরপাল্লার রাইডে টায়ারে কোনো সূক্ষ্ম লিক হয়েছে কি না বা প্রেসার কমে গেছে কিনা তা চেক করে নেওয়া দরকার; কারণ অতিরিক্ত লোড ও গরমের কারণে টায়ারের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। একই সাথে ইঞ্জিনের ভালো কম্বাশন বা সঠিক পাওয়ারের জন্য স্পার্ক প্লাগটি খুলে ভেতরের কার্বন পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত।

ঈদ-পরবর্তী সময়ে এই সাধারণ পাঁচটি যত্ন আপনার প্রিয় মোটরসাইকেলটিকে রাখবে একদম সুরক্ষিত, দীর্ঘস্থায়ী এবং সাশ্রয়ী। একটু সচেতনতাই পারে বড় দুর্ঘটনা ও বাড়তি খরচের হাত থেকে আপনাকে মুক্ত রাখতে।