• ই-পেপার

ভোরে ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচ, টিভি-মোবাইলে কোথায় কখন কিভাবে দেখবেন

বিশ্বকাপের ‘সেমিফাইনালে’ ইউরোপিয়ান পরাশক্তিদের ৭-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের ‘সেমিফাইনালে’ ইউরোপিয়ান পরাশক্তিদের ৭-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল। সাম্বা ফুটবলের জাদুতে যুগে যুগে বিশ্বমঞ্চ কাঁপিয়েছে লাতিন আমেরিকার এই পরাশক্তি। তবে যদি প্রশ্ন করা হয়, ফুটবল বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে সেলেসাওদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয় কোনটি? তাহলে সবাই জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনালে সেই দুঃস্বপ্নের ৭-১ গোলের কথা একবাক্যে বলবেন। তবে যদি প্রশ্ন করা হয় সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় কোনটি?

তবে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে সাত দশকেরও বেশি সময় আগে, ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে। সেবার ঘরের মাঠে ইউরোপের পরাশক্তি সুইডেনকে ৭-১ গোল ব্যবধানে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। সেই বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচে স্পেনকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছিল সুইডিশরা।

১৯৫০ সালের ৯ জুলাই ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার দর্শকের সামনে জাদুকরী এক ফুটবল প্রদর্শনীর জন্ম দিয়েছিল স্বাগতিকরা। বর্তমান বিশ্বকাপের ফরম্যাটের হিসাবে ম্যাচটি ছিল সেমিফাইনালের সমান গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সেবার নকআউট পদ্ধতির বদলে শীর্ষ চার দল নিয়ে লিগ পদ্ধতিতে চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফাইনাল রাউন্ডের সেই ম্যাচে সুইডিশ রক্ষণভাগকে আক্ষরিক অর্থেই ধ্বংস করে দেয় ব্রাজিলের আক্রমণভাগ।

সেলেসাওদের এই রেকর্ড জয়ের মূল নায়ক ছিলেন কিংবদন্তি স্ট্রাইকার আদেমির। সুইডেনের রক্ষণভাগের বুহ্য ভেদ করে একাই ৪টি গোল করেছিলেন তিনি। ম্যাচের ১৭, ৩৬, ৫২ এবং ৫৮ মিনিটে গোলগুলো করেন এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপের এক ম্যাচে ব্রাজিলের জার্সিতে চার গোল করার অনন্য কীর্তিও এটি।

আদেমিরের চার গোলের পাশাপাশি উইঙ্গার চিকো ৩৯ ও ৮৮ মিনিটে করেন জোড়া গোল। আর ম্যাচের ৭০ মিনিটে সুইডেনের কফিনে পেরেক ঠোকেন আরেক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জিজিনহো। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে সুইডেনের পক্ষে পেনাল্টি থেকে একমাত্র সান্ত্বনার গোলটি করেছিলেন অ্যান্ডারসন। 

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচের ফল জানিয়ে দিল হাঙর রিতিনিয়া!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচের ফল জানিয়ে দিল হাঙর রিতিনিয়া!
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছিল হাঙর রিতিনিয়া। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো অ্যাকুয়ারিয়ামের এই হাঙরটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে সেলেসাওদের জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করে ব্যর্থ হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রিও ডি জেনেইরো অ্যাকুয়ারিয়ামে বিশেষ এক আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ব্রাজিল ও হাইতির মধ্যকার লড়াইয়ের সম্ভাব্য ফলাফল অনুমান করা হয়। এ সময় হাঙর রিতিনিয়ার সামনে দুই দলের প্রতীকসংবলিত বিকল্প রাখা হলে সেটি ব্রাজিলের প্রতীক বেছে নেয়।

বিশ্বকাপে ব্রাজিল তাদের অভিযান শুরু করেছিল মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এবার তাদের সামনে টুর্নামেন্টের অন্যতম পুঁচকে দল হাইতি, যারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরেছে।

ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রাণীদের মাধ্যমে ভবিষ্যদ্বাণীর বিষয়টি নতুন নয়। ২০১০ বিশ্বকাপে জার্মানির বিখ্যাত অক্টোপাস ‘পল’ একাধিক ম্যাচের সঠিক ফলাফল অনুমান করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিল। সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনতেই এবার রিও অ্যাকুয়ারিয়ামে হাঙর রিতিনিয়াকে নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

তবে রিতিনহার এইবারের ভবিষ্যদ্বাণী শেষ পর্যন্ত কতটা সত্যি হবে, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে।

ব্রাজিলের কাছে ৭-১ গোলে হাইতির সেই হার

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের কাছে ৭-১ গোলে হাইতির সেই হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটি স্পর্শ করতে পারেনি লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি ব্রাজিল। সেই খরা কাটিয়ে অবশেষে হেক্সা (ষষ্ঠ) শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের অন্যতম শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে এসেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিশেষ করে ডাগআউটে অভিজ্ঞ ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তির রণকৌশলে এবার বিশ্বজয়ের নতুন স্বপ্ন দেখছে সেলেসাওরা। 

তবে মাঠের লড়াইয়ের শুরুটা কিন্তু তাদের চেনা ছন্দে হয়নি। নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই মরক্কোর রক্ষণভাগের শক্ত দেয়াল ভাঙতে না পেরে গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আনচেলত্তির শিষ্যদের। মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলের সেই হতাশাজনক ড্রয়ের পর, টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠোর পণ নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে সেলেসাওরা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ক্যারিবীয় অঞ্চলের দল হাইতি।

কাগজে-কলমে এবং মাঠের শক্তিমত্তায় হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের অতীত রেকর্ড এককথায় অবিশ্বাস্য। এর আগে ফুটবলের যে কোনো মঞ্চে হাইতির বিপক্ষে তিনবার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সাম্বা বয়রা।

হাইতির সঙ্গে ব্রাজিলের প্রথম দেখা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে হাইতিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। দলের অন্যতম সেরা তারকা রিভেলিনো সেই ম্যাচে জাল কাঁপিয়েছিলেন।

এরপর দ্বিতীয়বারের মতো হাইতি ব্রাজিলের মুখোমুখি হয় ২০০৪ সালে। এবারও ছিল প্রীতি ম্যাচের মঞ্চ, তবে ব্যবধানটা ছিল আরও বড়। সেলেসাওদের জাদুকর রোনালদিনহোর নান্দনিক হ্যাটট্রিকে হাইতিকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল তখনকার শক্তিশালী ব্রাজিল।

সবশেষ ২০১৬ সালের শতবর্ষী কোপা আমেরিকায় হাইতির মুখোমুখি হয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলতে আসা হাইতিকে সেবার ৭-১ গোলে নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল ব্রাজিল। সেই ম্যাচে সেলেসাওদের হয়ে ফিলিপ কৌতিনহো হ্যাটট্রিক করেন এবং রেনাতো আগুস্তো করেন জোড়া গোল।

সাম্প্রতিক ফর্ম, তারকাখচিত দল আর মুখোমুখি লড়াইয়ের এমন রাজকীয় ইতিহাস বিবেচনায় এটা বলাই যায়, ব্রাজিল এই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিততে চলেছে। তবে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিশ্বকাপ বলে কথা! অঘটনের এই মঞ্চে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। 

বাঁচা মরার লড়াইয়ে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন

ক্রীড়া ডেস্ক
বাঁচা মরার লড়াইয়ে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন
ছবি : মীর ফরিদ

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ। এর আগে প্রথম ম‍্যাচে টস জিতে ব‍্যাটিং নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। ওই ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরেছিল টাইগাররা। এবার সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে রান তাড়া করতে হবে স্বাগতিকদের। 

এদিকে বাংলাদেশ দলে এসেছে দুই পরিবর্তন। আজ খেলছেন না শেখ মেহেদি হাসান ও শরিফুল ইসলাম। তাদের বদলে একাদশে ফিরেছেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ ও তারকা পেসার নাহিদ রানা। 

বিপরীতে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে অজিরা। জাভিয়ের বার্টলেটের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন ডানহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডি। 

বাংলাদেশ একাদশ 

পারভেজ হোসেন (উইকেটকিপার), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, সৌম্য সরকার। 

অস্ট্রেলিয়া একাদশ 

মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জশ ইংলিস (উইকেটকিপার), কুপার কনোলি, ম্যাট রেনশ, টিম ডেভিড, নিখিল চৌধুরি, জোয়েল ডেভিস, অ্যারন হার্ডি, ন‍্যাথান এলিস, অ্যাডাম জ্যাম্পা, স্পেন্সার জনসন।