• ই-পেপার

২৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিলেন টেইলর ও ট্র্যাভিস

‘রবিবার বিয়ে করছি’, আমির খানের ঘোষণা

বিনোদন ডেস্ক
‘রবিবার বিয়ে করছি’, আমির খানের ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

বলিউড তারকা আমির খান আবারও জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে আগামী রবিবার (৫ জুলাই) বিয়ে করছেন তিনি। মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে একান্ত পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেন ৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা।

বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আমির বলেন, ‘হ্যাঁ, রবিবার ৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। এটি খুবই ছোট পরিসরের পারিবারিক আয়োজন। দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়েই বাসায় অনুষ্ঠান হবে।’

নতুন জীবনের জন্য সবার দোয়া কামনা করে তিনি আরো বলেন, ‘এটি আমাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। সবাই আমাদের জন্য আশীর্বাদ করবেন, যেন আমরা সুখী ও সুন্দর জীবন কাটাতে পারি।’

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমিরের বড় ছেলে জুনায়েদ খানও। বাবার বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার মুহূর্তে তাকে হাসিমুখে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গত বছরের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে তাদের পরিচয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকেই ধীরে ধীরে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গৌরীর আগের সংসারের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে তিনি রিনা দত্তকে বিয়ে করেন। ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সেই সংসারে তাদের দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান।

এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। প্রায় ১৫ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা। তবে বিচ্ছেদের পরও ছেলে আজাদ রাও খানের দায়িত্ব যৌথভাবেই পালন করে আসছেন সাবেক এই দম্পতি।

পর্তুগালে নিষিদ্ধ বই নিয়ে লাইব্রেরি চালু করলেন দুয়া লিপা

বিনোদন ডেস্ক
পর্তুগালে নিষিদ্ধ বই নিয়ে লাইব্রেরি চালু করলেন দুয়া লিপা
দুয়া লিপা, ছবি: ইন্সটাগ্রাম

বিশ্বখ্যাত পপ তারকা দুয়া লিপা পর্তুগালের পোর্তো শহরে নিষিদ্ধ ও সেন্সরশিপের শিকার বই নিয়ে একটি স্থায়ী লাইব্রেরি চালু করেছেন। ‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’ নামে এই উদ্যোগের লক্ষ্য মুক্ত চিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বই পড়ার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা।

গত ২৭ জুন ‘বাবেল ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল’-এ লাইব্রেরিটির উদ্বোধন করা হয়। এটি পর্তুগালের বিখ্যাত বইয়ের দোকান লিভ্রারিয়া লেলো-র ভেতরে অবস্থিত।

তত
দুয়া লিপা, ছবি: ইন্সটাগ্রাম

এটি দুয়া লিপার প্রথম ফিজিক্যাল লাইব্রেরি। তার ২০২২ সালে চালু করা সার্ভিস-৯৫ বুক ক্লাবেরই একটি সম্প্রসারিত উদ্যোগ এটি।

লাইব্রেরি উদ্বোধনের সময় দুয়া লিপা বলেন, কোনো বই নিষিদ্ধ হলে শুধু একটি গল্পই হারিয়ে যায় না, বরং হারিয়ে যায় মানুষের চিন্তা, মতপ্রকাশ এবং প্রশ্ন করার সুযোগ। তিনি বলেন, এই লাইব্রেরি সেই সব লেখক, বই ও পাঠকদের জন্য, যারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে বিশ্বাস করেন।

‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’-তে ১০০টি বই রাখা হয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন সময়ে নিষিদ্ধ হয়েছে অথবা সেন্সরশিপের মুখে পড়েছে। বইগুলো চারটি বিষয়ের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে—ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, কণ্ঠস্বর ও স্মৃতি।

দদদ
'দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি' নামের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এমন বইগুলোকে পাঠকদের সামনে তুলে ধরা, যেগুলো মুক্ত চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে উৎসাহিত করে এবং সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে বার্তা দেয়।

সংগ্রহে রয়েছে মার্গারেট অ্যাটউডের দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল, জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪, সিমোন দ্য বোভোয়ারের দ্য সেকেন্ড সেক্স, ইয়োকো ওগাওয়ার দ্য মেমোরি পুলিশ এবং সালমান রুশদির দ্য স্যাটানিক ভার্সেস-এর মতো আলোচিত বই।

দুয়া লিপা বলেন, তিনি চান এই লাইব্রেরি লেখক ও পাঠকদের জন্য একটি নিরাপদ জায়গা হয়ে উঠুক। যেখানে সবাই স্বাধীনভাবে বই পড়তে, নতুন ধারণা জানতে এবং মতবিনিময় করতে পারবেন।

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্কুল ও পাবলিক লাইব্রেরিতে বই নিষিদ্ধ করার ঘটনা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পাঠকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বইগুলো তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন দুয়া লিপা।

পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে ট্রলের শিকার দিয়া মির্জা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে ট্রলের শিকার দিয়া মির্জা

২০০০ সালে ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল’ খেতাব জিতে লাইমলাইটে আসেন দিয়া মির্জা। ২০০১ সালে ব্লকবাস্টার ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ দিয়ে বলিউডে তার অভিষেক। এরপর তিনি লাগে রাহো মুন্না ভাই, সঞ্জু, দশ, হানিমুন ট্রাভেলস প্রাইভেট লিমিটেড, থাপ্পড়-এর মতো জনপ্রিয় ও আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন।

২০২১ সালে ব্যবসায়ী বৈভব রেখিকে বিয়ের পর থেকে অভিনয়ে অনিয়মিত দিয়া। ৫ বছর বয়সী ছেলে অভ্যিয়ান রেখি এবং বৈভবের আগের পক্ষের কন্যা ১৭ বছর বয়সী সামায়রা রেখিকে নিয়ে দিয়া মির্জা এখন বলিউডের সুখী পরিবারের ছবি।

ওটিটিতে বেছে বেছে কাজ করলেও দিয়া মির্জা এখন অভিনেত্রী নন, পরিবেশকর্মী হিসেবে বেশি পরিচিত। নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস থেকে তিনি পরিবেশ সচেতনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর তথ্যচিত্র ও শর্টফিল্ম বানান। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যক্তিগত জীবনে প্লাস্টিক ব্যবহার পুরোপুরি বর্জন করেছেন দিয়া।

সমুদ্রসৈকত প্লাস্টিকমুক্ত করা, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, গাছ লাগানোর জন্য তিনি নিয়মিত ক্যাম্পেইন করেন। পরিবেশবান্ধব বাঁশের কাগজের ব্যবসা এবং প্লাস্টিক রিসাইক্লিং স্টার্টআপের সঙ্গেও যুক্ত দিয়া মির্জা। পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক নানা দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। দিয়া জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির শুভেচ্ছা দূত। এ ছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার একজন বিশেষ দূত তিনি।

পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে কাজের জন্য ২০২৩ সালে বিবিসি তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় স্থান দেয়। তবে পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করা আর আন্তর্জাতিক নানা স্বীকৃতিতে কিছুই যায় আসে না নেটিজেনদের। সম্প্রতি এক পডকাস্টে পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে নেটিজেনদের ট্রলের শিকার  হয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী সোহা আলী খানের পডকাস্টে দিয়া মির্জা তার ৫ বছরের ছেলে অভ্যিয়ানের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। একবার এক ডেলিভারি বয় ডাব নিয়ে তাদের বাসায় এসেছিল। প্লাস্টিকের ব্যাগে ডাব আনতে দেখে বিরক্ত হয়েছিলেন দিয়া। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘বেচারা (ডেলিভারি বয়) জানত না কার বাসায় প্লাস্টিক নিয়ে এসেছে।’ মায়ের পরিবেশ সচেতনতার কথা জানে ৫ বছরের ছেলে অভ্যিয়ানও। দরজা খুলে অভ্যিয়ান কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ায় এবং  ডেলিভারি বয়কে বলে, ‘ভাইয়া প্লাস্টিক ব্যাগে এনেছেন কেন? আমাদের বাসায় প্লাস্টিক নিষেধ। আপনি এটাকে প্লাস্টিক থেকে বের করুন, নিচে রাখুন এবং প্লাস্টিক ব্যাগ ও প্লাস্টিক স্ট্র নিয়ে যান।’

সোহাও পডকাস্টে অভ্যিয়ানের সচেতনতার প্রশংসা করে বলেন, ‘ভেবে দেখো, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বিশ্বাসের জায়গায় এভাবে অটল থাকা!’

কিন্তু পডকাস্টের এ ক্লিপ ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েন দিয়া মির্জা ও তার ছেলে। সোহা আলী যাকে নিজের বিশ্বাসে অটল থাকা বলছেন, নেটিজেনদের কাছে সেটাই মনে হয়েছে অহঙ্কার। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এদের অধিকারবোধের বাড়াবাড়ি সত্যিই অবিশ্বাস্য, এটা তাদের মৌলিক সম্মান এবং ভদ্রতাবোধকেও অন্ধ করে দেয়। আপনি যদি প্লাস্টিক না চান, তবে নিজেই ঠেলাগাড়িতে গিয়ে কিনে আনুন এবং কাগজের ব্যাগে করে বহন করুন।’

আরেকজন দিয়া মির্জাকে ভণ্ড হিসেবে অভিহিত করে লিখেছেন, ‘আপনি যদি পরিবেশ বাঁচানোর বিষয়ে সত্যিই এত গভীরভাবে চিন্তা করেন, তবে ডাবের পানির জন্য বিক্রেতার কাছে স্টিলের পাত্র নিয়ে যান। বিক্রেতাকে আপনার বাড়িতে এসে পৌঁছে দেওয়ার ঝামেলা থেকে রেহাই দিন।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘এই ভিডিওটি দুটি ভিন্ন ভারতকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, একটা ছেলে যার বাস্তব পৃথিবী কীভাবে চলে সে সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই, যে প্লাস্টিক নিয়ে চিন্তিত; এবং একজন ডেলিভারিম্যান যার মূল ফোকাস হলো কোনোমতে দিন গুজরান করা।’

তবে অভিনেত্রী ও দিয়া মির্জার ঘনিষ্ঠ রিচা চাড্ডা নেটিজেরদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তারকাদের ওপর মানুষের আক্রমণ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘আপনারা সবাই অবাক হন যে কেন অভিনেতারা মুখ খোলেন না?  মুখ খুললে নিয়মিত কিছু মগজহীন সন্দেহভাজনের হেনস্তা সইতে হয়।’ ব্যঙ্গ করে তিনি লেখেন, ‘অবশ্যই তারকাদের ওপর চড়াও হোন ভাই, অভিনেতাদের মানসিক স্বাস্থ্যের কী বা আর আসে যায়। মাঝেমধ্যেই তো আত্মহত্যা করে মুখরোচক খবরের জোগান দেওয়াও শিল্পীদের দায়িত্ব হওয়া উচিত। তাই না?’

ক্ষিপ্ত রিচা লিখেছেন, ‘সচেতন নারীরা যদি তাদের সিলেবাসের বাইরে কোনো কথা বলেন, তবে তাদের লজ্জিত করা হবে। যেন তারা শুধু লিপস্টিক, বিকিনি, মেকআপ নিয়েই কথা বলবে।’

দিয়া মির্জার পরিবেশ সচেতনতার নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রিচা লেখেন, ‘এই বিষয়গুলো একটু খুঁজে দেখুন, কারণ আপনারা যদি একটি ৫ বছরের বাচ্চাকে হেনস্তা করতে পারেন, তবে গুগলে একটা সাধারণ সার্চও করতে পারবেন, তাই না?’

রিচা লেখেন, ‘দিয়া পরিবেশ রক্ষার জন্য একদিনে যা করেন, এসব ইউটিউবার আর ব্লগাররা সারা বছরেও তা করেন না।’ দিয়া মির্জার বিলাসী জীবনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রিচা জানান, দিয়া তার বিয়েতে ১১০০ গাছ উপহার দিয়েছিল।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, ভোট দেবেন ৫৭৩ শিল্পী

অনলাইন ডেস্ক
শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, ভোট দেবেন ৫৭৩ শিল্পী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে শুক্রবার সাড়ে ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ও বেলা ১টা থেকে থাকবে এক ঘণ্টা নামাজের বিরতি।

এবারের নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই ভোটার, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে প্রাঙ্গণ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন রুমানা ইসলাম মুক্তি। আরেকটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অভিনেতা শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জয় চৌধুরী। অন্যদিকে ১১টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই গণনা শুরু হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আজই ঘোষণা করা হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির ফলাফল।