• ই-পেপার

দুই মাসের ইউরোপ সফরে জেমস

বিবাহবার্ষিকীতে যমজ সন্তানদের প্রকাশ্যে আনলেন রাম চরণ!

বিনোদন ডেস্ক
বিবাহবার্ষিকীতে যমজ সন্তানদের প্রকাশ্যে আনলেন রাম চরণ!
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘পেডি’র সাফল্যের আনন্দের মধ্যেই জীবনের আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করলেন তেলুগু সুপারস্টার রাম চরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা কোনিডেলা। ১৪ জুন তাদের ১৪তম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আনলেন সদ্যোজাত যমজ সন্তানের ঝলক।

চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হন এই তারকা দম্পতি। সে সময় তাদের ঘর আলো করে আসে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান। পরিবারে নতুন অতিথিদের আগমনের সুখবর প্রথম জানিয়েছিলেন রাম চরণের বাবা ও কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী।

বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ছবি শেয়ার করেন রাম চরণ ও উপাসনা। ছবিতে তিন সন্তানের ছোট্ট ছোট্ট হাত একসঙ্গে দেখা যায়। এর মধ্য দিয়েই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে যমজ সন্তান শিব রাম ও অনবিরার ঝলক। একই ছবিতে বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার হাতও দেখা যায়।

Ram Charan and Upasana share first glimpse of their newborn twins

ছবির ক্যাপশনে উপাসনা লিখেছেন, ‘আমার মন সত্যিই ভরে গেছে।’

পোস্টটি প্রকাশের পর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল, হুমা কুরেশিসহ বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকাই এই দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভক্তরাও নবজাতকদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে বাগদান এবং ২০১২ সালের জুনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন রাম চরণ ও উপাসনা। তারপর থেকে তারা দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত।

রাম চরণ ও উপাসনার বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার জন্ম হয় ২০২৩ সালের জুন মাসে। এরপর ২০২৬ সালের শুরুতে যমজ সন্তানের জন্মের মধ্য দিয়ে তাদের পরিবারে সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচজনে।

গাজী রাকায়েতের জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন

বিনোদন প্রতিবেদক
গাজী রাকায়েতের জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন
সংগৃহীত ছবি

অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী রাকায়েতের ৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্যোগে ১৫ ও ১৬ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজনের প্রথম দিন সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে গাজী রাকায়েত নির্দেশিত নাটক ‘নানা রঙের দিন’। নাটকটির এটি ১০১তম প্রদর্শনী। একই দিনে প্রদর্শিত হবে তার পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একটি লাশের গল্প’।

দ্বিতীয় দিন, ১৬ জুন সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে গাজী রাকায়েত পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মানুষটিকে দেখ’। চলতি বছরের ১ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ইতিমধ্যে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

জন্মবার্ষিকী উদযাপন প্রসঙ্গে গাজী রাকায়েত বলেন, ‘জন্মদিন উদযাপনে বিশেষ আগ্রহ না থাকলেও ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এ আয়োজন করেছে। শিল্পী হিসেবে সবসময় মানুষের আনন্দ ও চিন্তার খোরাক জোগানোর চেষ্টা করে গেছি। ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে নাটক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, সংস্কৃতিকর্মী এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

১৯৬৬ সালের ১৫ জুন ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন গাজী রাকায়েত। স্কুলজীবন থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি সেই আগ্রহকে লালন করেন তিনি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অধ্যয়নকালে অভিনয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে যুক্ত হন। 

এরপর অভিনয়, নাট্যরচনা, নির্দেশনা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।

গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

ভারতের মহারাষ্ট্রের নালাসোপারা পূর্বের আচোলি এলাকার একটি আবাসিক ভবনে নিজ বাসা থেকে ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাত্র ২২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ জুন মহারাষ্ট্রের নালাসোপারা পূর্বের আচোলি এলাকার একটি আবাসিক ভবনে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সঞ্চিতা। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে ভাসাই-ভিরার পৌরসভার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুলিশ একটি ইনকোয়েস্ট রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অভিনেত্রীর বাবা মাছিদ্র উগালের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আচোলি পুলিশ ১৫ জুন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৯৪ ধারায় একটি ‘অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ রিপোর্ট’ বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

সঞ্চিতা উগালে জি টিভির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কুমকুম ভাগ্য’-এ দিয়া ট্যান্ডন চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এ ছাড়া ‘সাজন ঘর’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ এবং ‘দিলওয়ালি দুলহা লে জায়েগি’র মতো একাধিক টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি।

ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় পর্দাতেও নিজের উপস্থিতি জানান দেন সঞ্চিতা। মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত ‘সাইলেন্স ২ : দ্য নাইট আউল বার শুটআউট’-এ অভিনয় করেন তিনি। পাশাপাশি ভিকি কৌশল অভিনীত ‘ছাবা’ চলচ্চিত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে।
 

৯ বছরেই শিক্ষাজীবনের ইতি, অভিনয়ে এসে হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি

বিনোদন প্রতিবেদক
৯ বছরেই শিক্ষাজীবনের ইতি, অভিনয়ে এসে হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি
সংগৃহীত ছবি

মাত্র ৯ বছর বয়সেই থেমে যায় আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় আরেকটি যাত্রা, যা পরে তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিংবদন্তির আসনে বসিয়েছে। আফরোজা সুলতানা রত্না নামের সেই ছোট্ট মেয়েটিই পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন কোটি দর্শকের প্রিয় অভিনেত্রী শাবানা। অসাধারণ অভিনয়-দক্ষতা, পর্দায় অনবদ্য উপস্থিতি এবং অনন্য সৌন্দর্যের কারণে তিনি পেয়েছেন ‘ঢালিউডের বিউটিকুইন’ খ্যাতি।

১৯৫২ সালের ১৫ জুন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শাবানা। তার বাবা ফয়েজ চৌধুরী এবং মা ফজিলাতুন্নেসা। ১৯৬২ সালে পরিচালক আজিজুর রহমানের হাত ধরে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় তার। প্রথম অভিনয় করেন এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ ছবিতে। পরে নৃত্যশিল্পী হিসেবেও কাজ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য, জনপ্রিয় চলচিত্র নায়িকা শাবানা - আমাদের খবর

অভিনয়ে যাত্রা শুরুর মাত্র পাঁচ বছর পরই নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন রত্না। ১৯৬৭ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘চকোরী’ চলচ্চিত্রে পাকিস্তানি অভিনেতা নাদিমের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। এই ছবির মাধ্যমেই পরিচালক তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘শাবানা’, আর সেই নামেই তিনি ইতিহাসের অংশ হয়ে যান।

বাংলা চলচ্চিত্রে শাবানাকে ঘিরে একটি বহুল প্রচলিত কথা রয়েছে ‘সেলাই মেশিন মানেই শাবানা’। কারণ, পর্দায় তিনি অসহায়, সংগ্রামী বধূ কিংবা মায়ের চরিত্রে এমন বাস্তবসম্মত অভিনয় করেছেন যে দর্শকের মনে তা স্থায়ী ছাপ ফেলেছে। বহু ছবিতে দেখা গেছে, স্বামী পরিত্যক্ত এক নারীর চরিত্রে সন্তানকে মানুষ করতে তিনি সেলাইয়ের কাজ করছেন। ফলে সেলাই মেশিন যেন তার অভিনয় জীবনের এক প্রতীক হয়ে ওঠে।

স্কুল-কলেজে পড়েননি, অভিনয় দিয়েই কিংবদন্তি শাবানা

অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাতেও সফল পদচারণা ছিল তার। ১৯৭৯ সালে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এস এস প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত ‘মাটির ঘর’ ছিল তার প্রথম প্রযোজিত চলচ্চিত্র। আজিজুর রহমান পরিচালিত এ ছবিতে রাজ্জাক ও শাবানার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং ছবিটি ব্যাবসায়িকভাবেও সাফল্য পায়।

১৯৮৮ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র ‘বিরোধ’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচনায় আসেন তিনি। এ ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা রাজেশ খান্না। পরে ছবিটি হিন্দিতে ‘শত্রু’ নামে ডাবিং করে মুক্তি দেওয়া হয়।

শুধু দেশীয় নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কিংবদন্তিদের সঙ্গেও সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছিল তার। ১৯৮৯ সালের অক্টোবরে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত এবং বিশ্বখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্ন বাংলাদেশ সফরে এসে এফডিসি পরিদর্শন করেন। সে সময় শাবানাসহ দেশের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।

Audrey Hepburn served as UNICEF's goodwill ambassador ...

ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৭৪ সালে সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী ওয়াহিদ সাদিককে বিয়ে করেন শাবানা। পরবর্তী সময়ে তারা যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন এস এস প্রোডাকশন্স। তাদের সংসারে দুই মেয়ে—সুমি ও ঊর্মি এবং এক ছেলে নাহিন রয়েছেন।

পুরস্কারের দিক থেকেও শাবানা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অনন্য। ১৯৭৭ সালে ‘জননী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পার্শ্বচরিত্র বিভাগে মনোনীত হলেও তিনি সেই পুরস্কার গ্রহণ করেননি। পরে ১৯৮০ সালে ‘সখী তুমি কার’ চলচ্চিত্রের জন্য প্রথমবার সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

এরপর অভিনয়জীবনে তিনি মোট ১১ বার সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন, যা এখনো কোনো বাংলাদেশি অভিনেত্রীর জন্য সর্বোচ্চ অর্জন। তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

দেশে ফিরেছেন শাবানা?

১৯৯৯ সালে অভিনয় থেকে সরে দাঁড়িয়ে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হন শাবানা। যদিও তার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’ মুক্তি পায় ২০০১ সালে। আজিজুর রহমান পরিচালিত এ ছবিটি ছিল শাবানা-আলমগীর জুটির শেষ সিনেমা। বাংলা চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয়ের রেকর্ডও তাদের দখলে। শাবানা অভিনয় করেছেন মোট ২৯৯টি চলচ্চিত্রে, যার মধ্যে ১৩০টিতেই তার সহশিল্পী ছিলেন আলমগীর।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং ২০২০ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। এরপর আর দেশে আসা হয়নি তার। পর্দা থেকে দূরে থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এবং দর্শকের হৃদয়ে শাবানা আজও এক অমলিন কিংবদন্তি।