• ই-পেপার

গাজীপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক
খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১
সংগৃহীত ছবি

খুলনার পূর্ব রূপসায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ষাটোর্ধ্ব হাসান ওরফে বিহারী হাসান নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত সোয়া ১২টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রুবেল নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত জাবুসা গ্রামের মৃত সিরমান শেখের ছেলে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসান চৌরাস্তার মোড়ে অবস্থানের সময় ৪/৫ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর আতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত যখম অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

রূপসা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, ‘হাসান নিহতের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা হয়নি। মামলা দায়েরের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’

ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার, আটক ১

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার, আটক ১

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চোরাকারবারি সোহাগ মণ্ডলকে (২১) আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য সাড়ে তিন লাখ টাকা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই আলিউল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মাহমুদ গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমানের ছেলে সোহাগ মণ্ডলের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, জব্দ করা ডিসপ্লেগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এসব পণ্য রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যেই পাচার করা হচ্ছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ চালানের মূল হোতা বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালানের একটি সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। এই রুট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মিত ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে দেশে এনে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে।

ভূরুঙ্গামারী-কচাকাটা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আটক ব্যক্তি এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় মামলা করা হবে। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে পুলিশের অভিযান আরো জোরদার করা হবে।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ১ লাখ ৬১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ১ লাখ ৬১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) প্রধানঝিরি এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালানো হলে একদল চোরাকারবারি মায়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ইয়াবার কার্টন ফেলে জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬টি কার্টনে রাখা ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে।

সেনবাগে ভাড়া বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালী প্রতিনিধি
সেনবাগে ভাড়া বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ভাড়া বাসা থেকে ইসমাইল হোসেন ওরফে পিন্টু (৪২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সেনবাগ পূর্ব বাজার এলাকার সামছু মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ঋণ ও প্রতারণার কারণে পিন্টু পাশের ফেনী জেলা থেকে এখানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি ফেনীর পশুরাম উপজেলার গুতমা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিন্টু নিজের গ্রামের এলাকার মানুষের থেকে ঋণ ও প্রতারণা করে বেশকিছু অর্থ হাতিয়ে নেন। যে কারণে নিজেকে আড়াল করতে গত ১৫ জুন ফেনী থেকে গোপনে পালিয়ে এসে সেনবাগ পূর্ব বাজার এলাকায় সামছু মিয়ার একটি বাসা ভাড়া নেন। দুইদিন পর তিনি সেখানে বসবাস শুরু করেন। বাসার মালিক তার পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে পরে দেবেন বলে জানালেও আর জমা দেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি বাসার পাশের একটি হোটেলে খাবার খেয়ে বাসায় ফিরে আসেন। পরে রাত ১০টার দিকে দিকে বাসার মালিক ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে গিয়ে তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোক করে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।