• ই-পেপার

মোহনপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

উখিয়ায় পাচারের উদ্দেশে মজুদ ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
উখিয়ায় পাচারের উদ্দেশে মজুদ ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ায় মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশে মজুদ করা ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার ও ৮০ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে বিজিবি।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), কৃষি কর্মকর্তা ও বিজিবির যৌথ উপস্থিতিতে এ অভিযান চালানো হয়।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় ৭টি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব সার ও তেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়।

উদ্ধার করা সার ও তেল ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। পলাতকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও সার পাচার রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মির্জাপুরে মহাসড়কে মোটরসাইকেল ছিনতাইচেষ্টা, আটক ১

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
মির্জাপুরে মহাসড়কে মোটরসাইকেল ছিনতাইচেষ্টা, আটক ১
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের সময় মিজানুর রহমান নামে এক ছিনতাইকারীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার বাওয়ার কুমারজানী মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মিজানুর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলা সদরে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছিনতাইকারীরা প্রাইভেটকার নিয়ে মহাসড়কের ওই স্থানে ঢাকাগামী একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী মহাসড়কে ছিটকে পড়ে আহত হন। পরে ছিনতাইকারীরা তার মোটরসাইকেলটি তুলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এসময় মোটরসাইকেল চালকের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারীরা প্রাইভেট কার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে গেলেও তাদের এক সদস্য গাড়িতে উঠতে ব্যর্থ হন। স্থানীয়রা তাকে আটক করে গণপিটুনি দেন।
খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারীকে করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক অন্য ছিনতাইকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করে গ্রেপ্তার করা হবে।

টয়লেট নিয়ে আদালতে মামলা, ১৪৪ ধারা জারি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
টয়লেট নিয়ে আদালতে মামলা, ১৪৪ ধারা জারি
সংগৃহীত ছবি

পাবলিক টয়লেট (গণশৌচাগার) ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছিলেন জনৈক আব্দুল কুদ্দুসের পক্ষে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মালিক অন্যত্র ইজারা দেওয়ার কারণে সংক্ষুব্ধ শফিকুল কোনো উপায় না দেখে আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত শুনানি শেষে আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেন। এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বারুইগ্রাম চৌরাস্থা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্র ও জারি করা নোটিশ থেকে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের বারুইগ্রামের মো. আব্দুল হেলিমের ছেলে শফিকুল ইসলাম নান্দাইল চৌরাস্থা এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট ইজারা নেন এক বছরের জন্য। এর মধ্যে ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ২৭ দিন আগে তাকে না জানিয়ে অন্য একজনের কাছে গোপনে ইজারা দিয়ে দেয় একই গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. মইনুদ্দিন।

এ অবস্থায় নতুন ইজারা পাওয়া ব্যক্তি শফিকুলকে চলে যেতে বললে ঘটনা প্রকাশ পায়। এ নিয়ে এলাকায় সালিস দরবার হলেও বিষয়টি ফয়সালা না হওয়ায় গত ২৯ মে শফিকুল ইসলাম সংক্ষুব্ধ হয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বারুইগ্রামের মো. তারা মিয়ার ছেলে মো. মইনুদ্দীনকে বিবাদী করে নালিশি আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত সিআরপিসির ধারা মূলে ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশ দিয়ে আগামী ১২ আগস্ট উভয় পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এর মধ্যে ওই স্থানে ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে। নালিশি ভূমি নিয়ে কোনো পক্ষের দ্বারা আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল থানার সহ-উপপরিদর্শক মো. আল আমীন জানান, আদালত থেকে ১৪৪ ধারার নোটিশ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে নোটিশ হস্তান্তর করে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হতে বলেন।

নাটোরে নিজ ঘরে মিলল বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ

নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরে নিজ ঘরে মিলল বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর আমহাটি গ্রামে মোতালেব হোসেন-৬৫ নামের এক বৃদ্ধের গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোতালেব হোসেন একই গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের ছেলে। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, মোতালেব হোসেন নিজেই নিজের গলায় ধারাল ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ  ও নিহতের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মোতালেব হোসেন তার নিজের ঘরে একাই শুয়েছিলেন। রাত ৯টার দিকে ঘরের ভেতর থেকে বাবার গোঙ্গানির শব্দ শুনতে পান তার ছেলে। এসময় মোতালেব হোসেনের স্ত্রী, ছেলেসহ স্বজনরা দ্রুত ঘরের ভেতর গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখেন। তখন তার হাতে একটি ধারাল ছুরি ছিল। 

স্বজনদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আগেই ঘরের মধ্যেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে নিহতের মেয়ে দাবি করেন তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।

নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।