• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাভার থানা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) সদর দপ্তরের সামনে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর রাসেল (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন।

নিহত রাসেল সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শামীম ওরফে শ্যামলের ছেলে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন দুপুর ২টার দিকে রাসেল মোটরসাইকেলযোগে সরোজগঞ্জ বাজার থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে ৬ বিজিবি সদর দপ্তরের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে রাসেল (২৮), বনি আমিন (২৫) ও পিন্টু হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রাসেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা শামীম ওরফে শ্যামল জানান, দুর্ঘটনার পর থেকে রাসেল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে সন্ধ্যায় জানাজা শেষে আকন্দবাড়িয়া সরকারি কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চন্দনাইশে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চন্দনাইশে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নের সর্দারপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে চন্দনাইশ সমিতি, চট্টগ্রাম। সংগঠনটির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

গত শনিবার (১৩ জুন) সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে পরিবারের প্রয়োজনীয় মালামাল, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী আগুনে ভস্মীভূত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে দুর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশিত হওয়ার পর মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে চন্দনাইশ সমিতি।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়টি পরিবারের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। চন্দনাইশ সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে এ অর্থ তুলে দেন।

এ সময় সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সুমন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুদ্দীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চন্দনাইশ সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় সংগঠনটি কাজ করে যাবে।

ময়লার স্তূপে কুকুরে টানছিল নবজাতকের মরদেহ, উদ্ধার করল পুলিশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ময়লার স্তূপে কুকুরে টানছিল নবজাতকের মরদেহ, উদ্ধার করল পুলিশ
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুরে ময়লার স্তূপ থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের কানাইপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি ময়লার স্তূপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নবজাতকটির গর্ভকালীন বয়স আনুমানিক পাঁচ থেকে ছয় মাস হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলের দিকে কয়েকটি কুকুর ময়লার স্তূপে একটি রক্তমাখা বস্তু নিয়ে টানাটানি করছিল। কাছে গিয়ে স্থানীয়রা দেখতে পান সেটি একটি নবজাতকের মরদেহ। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গর্ভপাতের পর কেউ রাতের আঁধারে ভ্রূণটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে এবং আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নবজাতকের মরদেহ কিভাবে সেখানে এলো, এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেছেন স্থানীয়রা

মহাসড়ক ৪ লেন থেকে ৬ লেনে উন্নীতকরণ

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারবাসী

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারবাসী
ছবি: কালের কণ্ঠ

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সমীক্ষা, পরিকল্পনা, প্রতিশ্রুতি আর ফাইলবন্দি প্রকল্পের পর অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ৪ লেন থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১৩ জুন কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক বিশাল জনসভায় দেওয়া এ ঘোষণায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের লাখো মানুষ।

জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গত ২৫ বছরে কক্সবাজারের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে মাতারবাড়ী বন্দর চালু হবে। এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক অন্তত ছয় লেন হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে প্রশ্নও উঠেছে এবার কি সত্যিই বাস্তবায়ন হবে প্রকল্পটি, নাকি আগের মতোই সমীক্ষার ফাইলে আটকে থাকবে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৩ সাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সম্প্রসারণ নিয়ে একাধিক সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সুইডিশ কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার সম্ভাব্যতা যাচাই করে। তাদের প্রতিবেদনে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল।

পরে জাপানি প্রতিষ্ঠান মারুবেনি এবং সর্বশেষ ২০২১ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করে। একাধিকবার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি হলেও তা বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। এরপর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ চার লেনে উন্নীতকরণ, একটি ছয় লেনের ফ্লাইওভার এবং চারটি বাইপাস নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। কিন্তু প্রায় চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বর্তমানে দুই লেনের এই মহাসড়কটি বর্তমানে দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়ক হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে লোহাগাড়ার চুনতি-জাঙ্গালিয়া, সাতকানিয়া, দোহাজারী, চকরিয়া ও রামু এলাকায় প্রায়ই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে।

পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরু রাস্তা, বিপজ্জনক বাঁক, অতিরিক্ত যানবাহন, লবণবাহী ট্রাক থেকে সড়কে পানি পড়ে পিচ্ছিল হওয়া এবং বেপরোয়া ওভারটেকিং দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

মাতারবাড়ী বন্দর ও অর্থনীতির নতুন বাস্তবতা :

বিশ্লেষকরা বলছেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হওয়ার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডরের গুরুত্ব কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে পর্যটন, লবণ শিল্প, মৎস্য খাত, কৃষি, রপ্তানি বাণিজ্য এবং কক্সবাজারের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের চাপ বহন করছে এই মহাসড়ক।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সড়ক দিয়ে এত যানবাহন চলাচল করা খুবই কঠিন। মাতারবাড়ী বন্দর পুরোপুরি চালু হলে এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার কন্টেইনার পরিবহন হবে। তখন ছয় লেন ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

পটিয়ার নাছির উদ্দীন বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে আগে তিন ঘণ্টা লাগত, এখন পাঁচ-ছয় ঘণ্টা লাগে। যানজট আর দুর্ঘটনার কারণে মানুষ ভোগান্তিতে আছে। প্রধানমন্ত্রী ছয় লেনের ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।’

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘পটিয়া, দোহাজারী, কেরানীহাট, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া এখন দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র। মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত হলে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাড়বে।’

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে পটিয়া অংশসহ গুরুত্বপূর্ণ করিডর চার লেনে উন্নীত করা হবে। দোহাজারী, পদুয়া, আমিরাবাদ ও চকরিয়ায় বাইপাস নির্মাণ হবে। কেরানীহাট এলাকায় প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ হবে।

দোহাজারীতে শঙ্খ নদীর ওপর নতুন ছয় লেনের সেতু নির্মাণ করা হবে। মাতামুহুরী নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ করে মাতারবাড়ী বন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে। পরবর্তী ধাপে পুরো করিডর চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ ঘোষণার ফলে প্রকল্পটি ছয় লেনের নতুন নকশায় বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সড়ক মহাসড়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গত এক দশকে সমীক্ষা ও পরিকল্পনার অভাব ছিল না। অভাব ছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও দ্রুত বাস্তবায়নের। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ঘোষণার ফলে প্রকল্পটির অগ্রাধিকার বেড়েছে। এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অর্থায়ন নিশ্চিত করা, ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা এবং দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা।

অপরদিকে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের প্রত্যাশা, আর যেন নতুন কোনো সমীক্ষা নয়, বাস্তবায়নের কাজ শুরু হোক দ্রুত। কারণ প্রতিদিনের দুর্ঘটনা, যানজট ও অর্থনৈতিক ক্ষতির বোঝা বহন করতে করতে ক্লান্ত এই জনপদের মানুষ। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি দেশের পর্যটন, বন্দর অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের প্রধান লাইফলাইন। তাই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর এখন সবার একটাই প্রশ্ন আশার আলো কি এবার বাস্তবে রূপ নেবে। তাই এখন দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারবাসীর একটাই প্রত্যাশা আর কোনো সমীক্ষা নয়, এবার শুরু হোক বাস্তব কাজ। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষ শুধু প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। সমীক্ষা হয়েছে, নকশা হয়েছে, প্রকল্প অনুমোদনও হয়েছে। কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ঘোষণায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন সবাই।