• ই-পেপার

পুশ ইন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপি মোতায়েন

লোহাগড়ায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
লোহাগড়ায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর গ্রামে বজ্রাঘাতে মো. টিটুল খান (৫০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

নিহত টিটুল খান শালনগর গ্রামের মৃত মতি খানের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে মো. টিটুল খান গরুকে পানি খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মধুমতীর চরের দিকে যান। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ প্রচণ্ড বৃষ্টি ও মেঘের গর্জন শুরু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বজ্রপাত তার খুব কাছেই পড়ে। এতে তার কানের তলা ফেটে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বৃষ্টি থামার পর স্থানীয় লোকজন মাঠে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত

পুশ ইনে ব্যর্থ হয়ে সেই ২৮ জনকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ : বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
পুশ ইনে ব্যর্থ হয়ে সেই ২৮ জনকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ : বিজিবি
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ৪ জুন ভোরে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ২৮ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে।

বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় বলে তিনি জানান। পরে ওই ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে শূন্যরেখার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

বিজিবির পর্যবেক্ষণে বর্তমানে সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে ওই ব্যক্তিদের আর অবস্থান বা চলাচল দেখা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় বিজিবি ধারণা করছে, বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০৩/৬ আর দিয়ে বিএসএফের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশুকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ ইনের চেষ্টা করে।

জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কান্নায় লুটিয়ে পড়েছেন নিহতের স্ত্রী দীপালী মালী। ছবি : কালের কণ্ঠ

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্যামল চন্দ্র মালী (৫০) নামের এক দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কাশিড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্যামল চন্দ্র ওই ওই এলাকার মৃত বীরেন মালির ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসান আলীকে (৩৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তিনি একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী ঢেকুঞ্চা বাউস্তা গ্রামের বুদা মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে শ্যামল চন্দ্র কাশিড়া হাটে যাওয়ার পথে হাসান আলীর সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় জমিতে ধান কাটার বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে শ্যামল হাটের দিকে রওনা দিলে কিছুক্ষণ পর হাসান আলী একটি গাছের ডাল দিয়ে তার মাথার পেছনে আঘাত করেন। এতে তিনি সড়কে লুটিয়ে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর অভিযুক্ত হাসান আলী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিহতের ভাতিজা সুশান্ত চন্দ্র মালী প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়া করে তাকে আটক করেন। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, নিহতের মরদেহ জরুরি বিভাগের সামনে রাখা আছে। সেখানে স্ত্রী দীপালী মালীসহ স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। 

দীপালী মালী বলেন, ‘আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। আমার ছেলে-মেয়েরা আজ এতিম হয়ে গেল।’

আক্কেলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত হাসান আলীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।’

ফুলজোড় নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
ফুলজোড় নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলছিয়া এলাকার ফুলজোর নদ থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুলজোর নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে সলঙ্গা থানায় অবহিত করলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী জানান, মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরো জানান, মরদেহটির পরিচয় শনাক্তে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি মরদেহটির পরিচয় সম্পর্কে তথ্য জানলে সলঙ্গা থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।