• ই-পেপার

নবীনদের হলের সিটের প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ রাবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

অনলাইন ডেস্ক
সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে সব বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

প্রথম দিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি(বিএম/বিএমটি)/এইচএসসি(ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে। মনিটরিং সেলে বসে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা মনিটরিং করা যাবে।

কেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তার কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। ফলে পরীক্ষাকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম থাকবে।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ
ফাইল ছবি

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনাও এরইমধ্যে জারি করেছে শিক্ষা বোর্ড। কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এরইমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৮৬৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।

ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও আহতদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও জগন্নাথ হলে পৃথকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

আজ বাদ আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আরাফাতের বাবা এবং আন্দোলনে আহত যোদ্ধা মো. সালমান হোসেন, আতিকুল ইসলাম গাজী, জাকির শিকদার, মুস্তাঈম বিল্লাহ হাবিবী, ইয়াহিয়াহ আল হুনাইদি, মাসুম মিয়া ও মো. মিঠুন ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের।

এদিকে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হলের উপাসনালয়ে একটি বিশেষ প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী শহীদদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের দ্রুত সুস্বাস্থ্য কামনায় এই প্রার্থনা করা হয়।

জগন্নাথ হলের প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রসিকিউটর তারেক আব্দুল্লাহ, জগন্নাথ হল সংসদের ভিপি পল্লব বর্মন, এজিএস দ্বীপজয় সরকার দীপ্ত, ডাকসুর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী, ডাকসু সদস্য হেমা চাকমা, কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হুমায়রা উপন্যাস, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের জিএস খালেদ হাসান এবং আব্দুল কাদেরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুর : ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, ভিন্ন শাস্তি ৬০ শিক্ষার্থীর

দিনাজপুর প্রতিনিধি
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুর : ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, ভিন্ন শাস্তি ৬০ শিক্ষার্থীর
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, হল ভাঙচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৬৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শান্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদের মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ মে নূর হোসেন হল ও আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এই শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির দেওয়া রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৪তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অপরাধের ধরন দেখে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে উচ্ছৃঙ্খল আচরণে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পিতামাতার অবগতিকরণ এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে হাতে অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অভিযোগে ৬ জন শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। তারা জরিমানা পরিশোধ না করলে অ্যাকাডেমিক হল রিলিজ পাবে না এবং অবস্থান করতে পারবে না।

তৃতীয়ত অস্ত্র হাতে শাস্তিযোগ্য আচরণের অভিযোগে ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে ২ সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে একাডেমিক হল রিলিজ পাবে না এবং অবস্থান করতে পারবে না।

এ ছাড়া কর্তব্য পালনরত অবস্থায় সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলামের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ মে হাবিপ্রবির নূর হোসেন হল ও আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় দুই হলের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর ও ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মবিনুল ইসলাম হামলার শিকার হন। এ নিয়ে প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এবার ৬৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন।