• ই-পেপার

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে রাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

অধিভুক্ত কলেজগুলোতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
অধিভুক্ত কলেজগুলোতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতক পর্যায়ে পাঠদানরত সব শিক্ষকের তথ্য আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় [email protected] পাঠাতে বলা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থায়ী, অস্থায়ী ও খণ্ডকালীনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক ডাটাবেজ প্রস্তুতকরণ, প্রশিক্ষণের চাহিদা নিরূপণ এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে শিক্ষকদের ও কলেজের কম্পিউটার ল্যাব-সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ে পাঠদানরত সব শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক তথ্য, আইসিটি বিষয়ে কোর ট্রেনিং ও মাস্টার ট্রেনিংপ্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা, প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের তালিকা এবং কলেজে কম্পিউটার ল্যাব আছে কি না বা কয়টি কম্পিউটার আছে—তা উল্লেখ করে নির্ধারিত ছক (বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো Excel File ফরম্যাট) অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ই-মেইলে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। একইভাবে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের ঘটনা ধরা পড়লে কেন্দ্র প্রধান বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নকল নেই, তবে নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। সাইবার আইন পরিবর্তন হচ্ছে যাতে নকলের সহযোগীরা পার পেতে না পারে। এ জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে ১০ বছর ধরে ষড়যন্ত্র চলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

টাইমস ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে নোবিপ্রবি

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
টাইমস ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে নোবিপ্রবি
ফাইল ছবি

টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংস ২০২৬-এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। প্রকাশিত র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথভাবে তৃতীয় এবং দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথভাবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে নোবিপ্রবি।

বুধবার (২৪ জুন) প্রকাশিত এ র‍্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষা, গবেষণা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নে অবদানের ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, গবেষণা প্রকাশনা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গবেষণায় উৎসাহ প্রদান, টেকসই উন্নয়নভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

এ অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও সামাজিক অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘নোবিপ্রবির এই অভাবনীয় সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এই গৌরবময় অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ সাফল্য আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। গবেষণা, উদ্ভাবন ও একাডেমিক উৎকর্ষতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আমরা কাজ করে যাব।’

বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা আশা করছেন, এ অর্জন গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নোবিপ্রবির পরিচিতি আরো বিস্তৃত করবে।

প্রাথমিক শিক্ষায় জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চাই : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক শিক্ষায় জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চাই : ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘জাপানের নাগরিক শিক্ষা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও নাগরিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে আমরা জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চাই।’

বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা  বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, দক্ষতা-ভিত্তিক ও শিশু-বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ লক্ষ্যে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থার সফল অভিজ্ঞতা, কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ করছি। এতে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে সিভিক এডুকেশন, ক্রীড়া শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জিং ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ‘ম্যাথ ল্যাব’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান ল্যাবের মতো গণিত শিক্ষাকে আরো আকর্ষণীয় ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধাপে ধাপে ম্যাথ ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ বিষয়ে জাইকার কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থাইল্যান্ড ও তুরস্কের শিক্ষা প্রশাসন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করছে। মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহের দায়িত্ব, জবাবদিহিতা, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন (কেপিআই) এবং মনিটরিং ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাইকা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, শিক্ষা প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিশু-বান্ধব শিক্ষার পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মোখলেছুর রহমান, যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মো. ছাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইকবাল হাসান, জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেজেনটেটিভ মনিকাও যুকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।