• ই-পেপার

গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি

আর্জেন্টিনার জয়ে ন্যাড়া হলেন রাবির ব্রাজিলভক্ত

রাবি প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনার জয়ে ন্যাড়া হলেন রাবির ব্রাজিলভক্ত
বন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরে হেরে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জালাল ফরাজি।

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার জয় হবে না—এমন বিশ্বাস থেকেই বন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ব্রাজিল সমর্থক। তবে সেই বিশ্বাস সত্যি না হওয়ায় এবার নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে মাথা ন্যাড়া করলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে বন্ধুদের উপস্থিতিতে মাথা ন্যাড়া করেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জালাল ফরাজি।

জানা যায়, সোমবার আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার ম্যাচের আগে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও আর্জেন্টিনা সমর্থক আল-আমিন রিজভীর সঙ্গে বাজি ধরেন জালাল। তিনি ঘোষণা দেন, আর্জেন্টিনা ম্যাচে জয়ী হলে মাথা ন্যাড়া করবেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে ম্যাচে আর্জেন্টিনা জয়লাভ করলে নিজের দেওয়া কথা রাখতে মঙ্গলবার স্বেচ্ছায় মাথার চুল ফেলে দেন তিনি।

জালাল ফরাজি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ছিল কেপ ভার্দের মতো দল যদি স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে ড্র করতে পারে, তাহলে অস্ট্রিয়াও আর্জেন্টিনাকে আটকাতে পারবে। কিন্তু আর্জেন্টিনা জিতে যাওয়ায় আমি আমার দেওয়া কথা রেখেছি।’

প্রিয় দল ব্রাজিল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি চাই নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরুক এবং ব্রাজিল ভালো খেলুক। এবার ব্রাজিল তাদের ‘হেক্সা মিশন’ পূরণ করতে পারলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেচে উল্লাস করব।’

এ সময় পরিবহন চত্বরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দলের সমর্থক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জালালের বন্ধু ও আর্জেন্টিনা সমর্থক আল-আমিন রিজভী বলেন, ‘জালাল আমাদের কথা দিয়েছিল, আর্জেন্টিনা জিতলে মাথা ন্যাড়া করবে। সে তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে। এখন আমরা তাকে বলব, ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে যেতে।’

নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জবি প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপতৎপরতা, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস ও আশপাশের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভাস্কর্য চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর যে নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে, তার বিচার বাংলার মাটিতে শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো অধিকার নেই এ দেশের মাটিতে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর নামে যদি তারা সাধারণ মানুষের শান্তি বিনষ্ট করতে বা কোনো অপতৎপরতা চালাতে চায়, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। আমরা রাজপথে ২৪ ঘণ্টা পাহারায় আছি।’

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘ক্যাম্পাস কিংবা ক্যাম্পাসের বাইরে স্বৈরাচারের কোনো দোসরের ঠাঁই হবে না। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে প্রমাণিত। তারা যদি কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তবে ছাত্রদল তা কঠোর হস্তে দমন করবে। আমরা প্রশাসনকেও সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি যেন কোনো চিহ্নিত অপরাধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।’

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বদা সজাগ থাকবেন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন।

তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান
তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।

তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মাদরাসা মিলনায়তনে এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে। এতে বক্তরা দেশ ও জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছেন। 

মাদরাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর সভাপতিত্বে ও মাদরাসার ফকীহ মুফতি মাওলানা শরিফুল ইসলাম সুলতানী এবং ছাত্রসংসদের জিএস আব্দুল কাইয়ুমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, গভর্নিং বডির  সভাপতি প্রফেসর নুর নবী মানিক, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম, বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটির ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাওলানা রফিকুল রহমান মাদানী, স্কলার্স ফোরাম ঢাকার পরিচালক হাফেজ দেলাওয়ার হোসাইন ও ছাত্র সংসদের ভিপি তোফায়েল আহমাদ। 

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন মাদরাসার মুফাসসির মাওলানা জাকির হোসাইন শেখ, মুফাসসির মাওলানা আবুল কাসেম গাজী প্রমুখ। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ফকীহ মাওলানা মহিউদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রশীদ, মাওলানা আব্দুস সামাদ, আব্দুস সামাদ আযাদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশের যে নানাবিধ সংকট, তা মূলত অযোগ্যতা ও অদক্ষতার ফসল। আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি, বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমেই নৈতিক, সৎ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।’

পরীক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক মূল্যায়নের তাগিদ দিয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, ‘তোমাদের হাতে সময় আর বেশি নেই। যে কদিন আছে, তার সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার করতে হবে। তোমরা দেশসেরা ফলাফল উপহার দিয়ে তোমাদের পরিবার, সমাজ ও দেশ গঠনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখবে।’ বক্তব্য শেষে তিনি উপস্থিত সকল মেহমানদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম পরীক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও যোগ্যতার সমন্বয়ে আদর্শ নাগরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন,‘তামিরুল মিল্লাত সব সময়ই মেধার স্বাক্ষর রেখে এসেছে। আজকের সংকটময় বিশ্বে ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজ পুনর্গঠনে তোমাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তোমরা কেবল নিজেদের ক্যারিয়ার নয়, বরং উম্মাহ ও দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,‘ভালো ফলাফল করার জন্য সর্বাগ্রে নিজেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারো, তবে ভালো রেজাল্ট হবেই ইনশাআল্লাহ। তোমরা যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটির ওপর অটুট থাকো, তাহলে তোমরা চূড়ান্ত লক্ষ্যে সফল হতে পারবো।’

মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি নুর নবী মানিক বলেন,‘তামিরুল মিল্লাত শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়,এটি সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ার কারিগর। আমাদের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতোই এবারও মেধার শীর্ষস্থান ধরে রাখবে এবং দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে আলো ছড়াবে বলে আমার বিশ্বাস।’

ছাত্রসংসদের ভিপি তোফায়েল আহমেদ বলেন,‘পড়াশোনার পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার সাথে আমাদের সবার সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত হলে আমরা জীবনের সকল কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবো।’

আলোচনা সভা শেষে ড. মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী সমাপনী বক্তব্য ও পরীক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

কুবিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা

কুবি প্রতিনিধি
কুবিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

সেশনজটের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। এক পর্যায়ে বিভাগের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করেন তারা। সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রবেশপথে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

শিক্ষার্থীরা জানান, সেশনজটের কারণে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রায় ৮ মাস পিছিয়ে গেছে। দীর্ঘ এ বিলম্বে একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে অনুষদ ভবনের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে এবং চলমান সেশনজট দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসংক্রান্ত ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকল কোর্সের ইনকোর্স রেজাল্ট প্রকাশ করতে হবে, ৬ মাসের মধ্যে বাকি ২ সেমিস্টার শেষ করতে হবে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে, পরীক্ষা শেষের ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষক সংকট থাকলে গেস্ট টিচার নিয়ে কোর্স শেষ করতে হবে এবং উপর্যুক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে লিখিত মুচলেকা দিতে হবে।

সর্বশেষ, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে মৌখিক আশ্বাস দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মাসুদা কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

ড. মাসুদা কামাল বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেলে একাডেমিক কার্যক্রমে বিলম্বের জন্য দায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।