• ই-পেপার

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চান গভর্নর

বাসস
নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চান গভর্নর
সংগৃহীত ছবি

দেশের অর্থনীতিতে নগদ অর্থের ব্যবহার কমানো, আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিধা প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাইলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে আহ্বায়ক করে গঠিত বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম বৈঠকে তিনি এ সহায়তা চান। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের প্রতিনিধি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বাংলা কিউআরের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফি, চার্জ এবং অন্যান্য অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দেশে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার এবং বাংলা কিউআরকে জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চান।

তিনি বলেন, বাংলা কিউআরের ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমবে। লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার হবে।

এসময় বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলা কিউআরের প্রসার ও বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাংলা কিউআরের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ধাপে ধাপে ট্রেড লাইসেন্স সেবা বিনিয়োগ ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করবে সরকার

বাসস
ধাপে ধাপে ট্রেড লাইসেন্স সেবা বিনিয়োগ ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করবে সরকার

ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন ও স্থানীয় ব্যবসায়িক অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে সরকার সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স সেবা ধাপে ধাপে জাতীয় বিনিয়োগ সেবা ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

এই উদ্যোগের ফলে উদ্যোক্তারা অনলাইনের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন, ফি প্রদান, নবায়ন সম্পন্ন, অনুমোদন গ্রহণ এবং আবেদন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে স্থানীয় অফিসে বারবার যাওয়ার প্রয়োজন কমবে এবং সেবা প্রদানে বিলম্বও হ্রাস পাবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি সংসদে এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির জন্য সরকার আরো কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তি সম্প্রসারণ এবং দ্বৈত কর পরিহার চুক্তির হালনাগাদ ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান চুক্তিগুলোর কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। নির্বাচিত শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লাগ অ্যান্ড প্লে শিল্প সুবিধা প্যাকেজ চালু করা হবে। এই ব্যবস্থায় ভূমি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও সড়ক যোগাযোগসহ প্রাথমিক অনুমোদনসমূহ সমন্বিতভাবে আগেই প্রস্তুত রাখা হবে, যেন উদ্যোক্তারা দ্রুত কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন শুরু করতে পারেন।’

সরকার বিনিয়োগ-সম্পর্কিত আন্তঃসংস্থা অনুমোদন, যাচাই ও পরামর্শ প্রক্রিয়া আরো সহজ করার পরিকল্পনা করছে এবং এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে ট্র্যাক করা যাবে।

মন্ত্রী আরো জানান, বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও অনলাইন ও সময়সীমাবদ্ধ করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমবে এবং একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা যাচাই যথাযথভাবে সম্পন্ন হবে।’

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)'র ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর মন্ত্রীর এই অঙ্গীকার আসে।

এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় চারটি ব্যাংক ও সাতটি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে। ব্যাংকগুলো হলো রূপালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি। সিটি করপোরেশনগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ।

এই সমঝোতা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সিটি করপোরেশনগুলো তাদের সিস্টেম বিডার ওএসএস প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে একীভূত করবে। এর ফলে উদ্যোক্তারা দ্রুত, স্বচ্ছ ও ঝামেলাহীনভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ এবং অন্যান্য আর্থিক ও সিটি করপোরেশন-সম্পর্কিত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

সবশেষ সংযোজনের ফলে ওএসএস পোর্টালের সঙ্গে সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে।

দাম বাড়ার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

টানা দুই দফা কমার পর গতকাল সোমবার দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। পরে নতুন করে আর দাম বাড়ে বা কমেনি। ফলে আজ মঙ্গলবারও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।  

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) বাড়ায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে।

এর আগে, গত ২০ জুন সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

অন্যদিকে, দেশে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডে সৃজনশীল অর্থনীতিতে গতি আনার উদ্যোগ

বাসস
‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডে সৃজনশীল অর্থনীতিতে গতি আনার উদ্যোগ

বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পকে কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় ব্র্যান্ডিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে রূপান্তর করতে ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন জাতীয় ব্র্যান্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অর্থবছরে (এফওয়াই২৭) এ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সৃজনশীল অর্থনীতিকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগের আওতায় ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড আন্তর্জাতিক উৎসব ও বাজারে দেশের সৃজনশীল সম্ভাবনা তুলে ধরবে এবং দেশীয় সৃষ্টিশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বৈশ্বিক বাজারে শক্ত অবস্থান গড়তে সহায়তা করবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট উপস্থাপনায় এ উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি জাতীয় ব্র্যান্ড চালু করা হবে, যা দেশের সৃজনশীল সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক উৎসব ও বাজারে উপস্থাপন করবে। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও প্রযুক্তিনির্ভর স্টুডিও স্থাপন করা হবে।

সরকারের লক্ষ্য হলো সৃজনশীল অর্থনীতির অবদান দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১.৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং এই খাতে ৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

খাতটির সম্প্রসারণে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) খাত থেকে আরো ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

এই কৌশলে বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজারে প্রবেশাধিকার এবং কর-সুবিধাকে একত্র করে সৃজনশীল উদ্যোক্তা, কনটেন্ট নির্মাতা ও শিল্পীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ বাড়াতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও প্রযুক্তিনির্ভর ফিল্ম স্টুডিও স্থাপন করা হবে।

পাশাপাশি রাজধানীর পূর্বাচলে ১৬০ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে একটি বিশ্বমানের সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব গড়ে তোলা হবে।

এর পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও আঞ্চলিক ক্রিয়েটিভ হাব স্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মধ্যেও এসব হাবের কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।

সরকার দেশীয় কনটেন্ট নির্মাতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে সহায়তা দেবে।

গ্রামীণ পর্যায়ে হস্তশিল্প, তাঁতজাত পণ্য, শীতল পাটি ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পেশায় যুক্ত শিল্পীদের ‘ওয়ান-ভিলেজ, ওয়ান-প্রোডাক্ট’ উদ্যোগের আওতায় বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে যুক্ত করা হবে।

খাতটিকে উৎসাহিত করতে বাজেটে কর-সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কনটেন্ট নির্মাণ থেকে অর্জিত সব আয়কে সম্পূর্ণ আয়করমুক্ত করা হবে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে।

উচ্চ প্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফি ক্যামেরা ও যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা এবং বাদ্যযন্ত্রের ওপর সব নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার সৃজনশীল অর্থনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এটিকে কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা বিকাশ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

তিনি আরো বলেন, তরুণদের সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে একটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই সমন্বিত পদক্ষেপগুলো ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অধীনে একটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার কৌশলগত অগ্রযাত্রার ইঙ্গিত দিচ্ছে।