• ই-পেপার

আগে খরচ, পরে অনুমোদন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বিরোধীদের

রাজবাড়ীতে কর্মীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার, উদ্বেগ প্রকাশ জামায়াতের

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজবাড়ীতে কর্মীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার, উদ্বেগ প্রকাশ জামায়াতের
সংগৃহীত ছবি

রাজবাড়ীর কালুখালীতে জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।  আজ সোমবার দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘রাজবাড়ীর কালুখালীতে জামায়াত কর্মী মো. আসাদুজ্জামানকে (২৪) নির্মমভাবে হত্যার পর হাত-পা বাঁধা লাশে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা চরম বর্বরতা, নৃশংসতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ। এহেন ঘটনা আইয়্যামে জাহিলিয়াতকে হার মানিয়েছে। আমি এই ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আসাদুজ্জামানের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে দেশের নাগরিকদের কোনো নিরাপত্তা নেই। সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করতে পারায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে সন্ত্রাসী ও খুনিরা। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘আমি নিহত আসাদুজ্জামানের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। পরিবারের সদস্যদের ধৈর্যধারণের তাওফিক কামনা করছি। 

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগ অংশ নিতে পারবে কি না জানতে চাইলেন রুমিন ফারহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগ অংশ নিতে পারবে কি না জানতে চাইলেন রুমিন ফারহানা
সংগৃহীত ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না, তা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্পষ্ট করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ সময় তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা-ও জানতে চান।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সম্পূরক বাজেটে স্থানীয় মন্ত্রণালয়ের ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ প্রশ্ন উত্থাপন করেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ওই প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা যথাযসময়ে নির্বাচন করতে পারব বলে আশা করি।’

এর আগে স্থানীয় সরকারের উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন নির্বাচন কবে হবে তা জানতে চান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি ইতিমধ্যে প্রতিটি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে, ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার চার মাসের মতো ক্ষমতায় এসেছে, এরপরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কিছু জানতে পারি নাই।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ের পুরো শাসনব্যবস্থা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের অধীনে জেলাগুলো শাসিত হচ্ছে। এটা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন রেখে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে? সে নির্বাচনে কখনো আমরা শুনতে পাচ্ছি কেউ বলছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে, কেউ বলছেন পারবে না, কেউ বলছেন দলীয় প্রতীকে হবে না বলে ক্লিন ইমেজের আছে যারা তারা পারবেন। এ বিষয়গুলো যদি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী পরিষ্কার করতেন, তাহলে সকলের বুঝতে সুবিধা হতো। একইভাবে স্থানীয় পর্যায়ে যারা রাজনীতি করেন, তাদের জন্য সুবিধা হতো।’

রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ

বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না : গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না : গোলাম পরওয়ার
সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইনের প্রতিবাদে রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশ ইন, সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে শাহবাগ মোড়ে (শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি চত্বর) এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়ে পল্টনের দিকে যায়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় এবং বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি করতে চায়, তবে এ দেশের জনগণ সেটি মেনে নেবে না। বাংলাদেশের জনগণ কোনো আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের কাছে মাথানত করেনি, করবে না।’

ভারতের উদ্দেশে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশীর সীমানা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু ভারত আমাদের প্রতি সম্মান দেখাতে পারেনি। তারা ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্নের বার্তা দিয়েছে। এমনকি শহীদ ওসমান হাদির খুনিকে আটকে রাখার পরও ফেরত না দিয়ে বন্দি বিনিময় চুক্তি ভঙ্গ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, সীমান্তবর্তী ৩২ জেলার জনগণ পুশ ইন রুখে দিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও দেলাওয়ার হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল ফ্যাসিবাদের বিদায়ের পর সীমান্তে আর কোনো হত্যা হবে না। কিন্তু নতুন সরকারও ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ জানাতে পারছে না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সরকার যদি মুজিববাদের পথে হাঁটে, তবে আবারও ছাত্র-জনতা রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’

সীমান্তে ভারতের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘সীমান্তে প্রতিদিন হত্যাকাণ্ড ও পুশ ইন চললেও সরকার উদ্বিগ্ন নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন এটি নাকি বর্ডার কিলিং নয়! তাহলে বর্ডার কিলিং কাকে বলে, তা সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে।’

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন আমাদের স্বাধীনতার ওপর হুমকি। ভারতের দাসত্বের আওয়ামী লীগ এ দেশে আর ফিরবে না।’

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল বাতেন আনসারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন এবং এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশির প্রমুখ। বক্তারা সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন বন্ধের দাবি জানান।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় : রুমিন ফারহানা

দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার কিভাবে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট দেওয়ার একটি সংস্কৃতি রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণ করা হয় দেশি-বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, যার পরিশোধের চাপও বহন করতে হয়। ফলে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের সম্পূরক মঞ্জুরি দাবির ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, আর মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার হার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে।’

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা রপ্তানি হ্রাস ও আমদানি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকা ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়া হয়েছে, ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুদের হার ও ডলারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের ওপর চাপ কমাতে কৃত্রিমভাবে বিনিময় হার ধরে রাখার ফলে ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, শেয়ারবাজার ও কর ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পুরো চাপ গিয়ে পড়বে ব্যাংক খাতের ওপর। অথচ খেলাপি ঋণের হার এরই মধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে পরবর্তী কিস্তি দিতে হলে নতুন সরকারের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতা প্রয়োজন। ফলে ভবিষ্যতে ঋণের জন্য চীন বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকার কীভাবে এ বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।