• ই-পেপার

সংসদে আলোচনা করে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো উচিত ছিল : এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভা

সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের নামে মামলা

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের নামে মামলা
মোহাম্মদ মনজুর আলম

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের সভা ও মিছিলের ঘটনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামির তালিকায় চট্টগ্রাম-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ারও রয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ফটিকছড়ি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮০–৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন মো. জামান বাবু (২৩) ও সাইফুল ইসলাম (২৫)। মামলার আসামিদের তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে।

মামলার বাকি আসামিদের মধ্যে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম (৬২), সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার (৪০) ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের (৪০) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় শতাধিক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভা করে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সভার অনেক ছবি ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার রোসাঙ্গিরি এলাকার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ‘বিশ্রামাগারে’ এই সভা হয়। সংগঠনের ফটিকছড়ি উপজেলা শাখা সভাটির আয়োজন করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে রোসাঙ্গিরি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিমনগর এলাকায় নাজিরহাট–মাইজভাণ্ডার পাকা সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা মশাল হাতে একটি মিছিল বের করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে থাকা ব্যক্তিরা মশাল ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যান।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, সাবেক মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় তাঁরা জড়ো হন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা জানিয়েছেন। তাঁরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে চারটি বাঁশের তৈরি মশাল জব্দ করা হয়।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভা ও মিছিলের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

চাঁদপুর প্রতিনিধি
বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়ে জিয়াউর রহমানকে হারিয়েছে, বিনা চিকিৎসায় খালেদা জিয়াকে মরতে হয়েছে। এই বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘এরাই কিন্তু আপনার বাবার খুনি, এরাই কিন্তু আপনার মায়ের খুনি, এরাই কিন্তু বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর খুনি, এরাই কিন্তু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের অসংখ্য নেতাকর্মীর খুনি। এরা সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনিকে হত্যা করেছিল, শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেম-ওলামাকে হত্যা করেছিল, পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল।’

এই অনুষ্ঠানে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী এনসিবিতে যোগদান করেন।

গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব এবং এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতিবিদদের হীন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। দেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করার চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে। একই সঙ্গে একটা শক্তির উত্থান হচ্ছে, যে শক্তি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। রাজনীতিবিদ মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগে রাজনীতিতে কিছুটা হলেও এথিক্স ও মূল্যবোধ ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এখনকার রাজনীতি পুরোপুরিভাবে এক ভয়াবহ পরিণতিতে চলে গেছে। সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হরণ করা হয়। সমাজ, রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ বংশধরদের কাছে রাজনীতিবিদদের সবচেয়ে হীন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। অর্থাৎ রাজনীতিকে ধ্বংস করার একটা চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে। এটা কখনোই সুস্থ রাজনীতির জন্য কোনো শুভ লক্ষণ নয়। যারা এগুলো করছেন, তারা সচেতনভাবে করছেন। এদের মধ্যে অনেককে আমরা ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা নিয়ে আসেন, সেটা রাজনীতির স্বাভাবিক ধারাকে ধ্বংস করবার জন্য যথেষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘এখন সময়টা অন্যরকম, সমাজটা অন্যরকম। এত বড় একটা আন্দোলন, অভ্যুত্থান, তারপরেও কিন্তু আমরা একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এখন আবার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে শুরু হয়েছে সেই প্রক্রিয়াটাকে ব্যাহত করার। আমার কাছে মনে হয়, গণতন্ত্র খুব বিপদে পড়েছে। এই যে চতুর্দিকে বিভিন্নভাবে একটা সুপরিকল্পিত, সচেতনভাবে একটা প্রচেষ্টা যে, সবকিছু ভেঙে ফেলা, অর্থহীন করে ফেলার চেষ্টা- এর মধ্য দিয়ে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিছু মহল নির্বাচনের আগে থেকেই এমনভাবে চক্রান্ত করছেন, যাতে গণতন্ত্র এখানে না থাকে। সৌভাগ্য আমাদের, আমরা একটা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছি। এখন এই সরকারের দায়িত্ব হবে খুব দ্রুততার সঙ্গে এই চক্রান্তকে চিহ্নিত করে, সঠিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে একটা শক্তির উত্থান হচ্ছে, যে শক্তি কিন্তু গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। যে শক্তি মানুষের অধিকারকে স্বাভাবিক নিয়মে, গণতান্ত্রিক উপায়ে রক্ষা করতে বিশ্বাস করে না। সুতরাং এই শক্তি যেন উঠে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির এক হওয়া উচিত।’

বিএনপি বিপ্লবী কোনো দল নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সম্পর্কে অনেকে অনেক রকম চিন্তা করেন। প্রত্যেক মানুষের সেই অধিকার আছে। কিন্তু বিএনপির মূল যে চরিত্র, সেই চরিত্রটা ঠিক একটা উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়। কেউ যদি বিএনপির কাছে বিপ্লব আশা করেন, তাহলে ভুল করবেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিএনপি তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যেতে চায়। সেখান থেকেই জনগণের কল্যাণের জন্য বিএনপি কাজ করে।’

আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১৩ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তবে তার কারামুক্তির পর রাজনৈতিক অঙ্গণ ও সাধারণ মানুষের আগ্রহের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে তার বাসভবন ‘চুনকা কুটির’-এর সামনে কর্মী-সমর্থকদের ভিড় এবং আশপাশে পুলিশের স্থাপন করা সিসি ক্যামেরা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১১টার পর নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটিরে সরেজমিনে গিয়ে এই পরিস্থিতি দেখা যায়। এর আগে বুধবার (৩ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আইভী। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাসভবন চুনকা কুটিরে পৌঁছান। কারামুক্তির পরপরই বুধবার রাতে চুনকা কুটিরের সামনে এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে পুলিশ।

আরো পড়ুন
পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘আগে থেকেই আমাদের নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকাকে সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা ছিল। শহরের মধ্যে আমরা ২০০০ আধুনিক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করব। বিশেষভাবে আইভী জামিনে বের হওয়ার পরে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মীরা যাতে এখানে এসে সংগঠিত হতে না পারে, সে বিষয়টি নজরদারিতে রাখতেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।’

আইভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাসায় আগত দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন। এ সময় আইভীর স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবদুল কাদির এবং সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির উপস্থিত ছিলেন।

তারা জানান, কারাগারে থাকাকালে তিনি নিয়মিত নামাজ, দোয়া ও দুরুদ শরিফ পাঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুশীলনে সময় কাটিয়েছেন। বন্দিত্বের সময়কে তিনি আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখেছেন। ফলে কারামুক্তির পর প্রথম দিনটিতে তার মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। দীর্ঘ বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা, আত্মসমালোচনা, আধ্যাত্মিক উপলব্ধি এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা গ্রহণের মধ্য দিয়েই কেটেছে তার দিন।

সেলিনা হায়াৎ আইভী নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ের তিনটি হত্যা মামলা, দুটি হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ১২টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েকটি মামলায় জামিন পেলেও পরবর্তীতে নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার পর তার মুক্তির পথ সুগম হয়।

আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশের আলোচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।