• ই-পেপার

রাস্তার করুণ দশা

সেতুর কাজ অসম্পূর্ণ, জনভোগান্তি

সেতুর কাজ অসম্পূর্ণ, জনভোগান্তি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ-মনাকষা সড়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলছিল। তবে কিছুদিন আগে থেকে সেখানে আর কোনো শ্রমিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের ধারণা, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে পালিয়ে গেছে।

সেতুর দুই পাশের কাজ শেষ হলেও মাঝখানের অংশ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠবে। সেতুর কাজ বন্ধ থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সময় ও অর্থের অপচয় বাড়ছে। দীর্ঘদিনেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, এলজিইডি ও কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

আব্দুল কাদির বিন আহাসান

শিক্ষার্থী, আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ

আম বাজারে ওজন নিয়ে প্রতারণা কেন

আম বাজারে ওজন নিয়ে প্রতারণা কেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট দেশের অন্যতম বৃহৎ আম বাজার হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত এখানে কোটি কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয় এবং শত শত ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বৃহৎ বাজারে কৃষকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ওজনে প্রতারণা করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এক মণ সমান ৪০ কেজি হলেও অনেক আড়তে ৪৫ থেকে ৫৬ কেজি পর্যন্ত এক মণ ধরা হয়। একজন কৃষক বছরের পর বছর পরিশ্রম করে একটি আমবাগান গড়ে তোলেন। কিন্তু বাজারে এসে যদি তাঁকে অতিরিক্ত ওজনে আম বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে তাঁর শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হয় না। এই অন্যায় ব্যবস্থার কারণে অনেক কৃষক আম চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। তাই প্রশাসনের উচিত বাজার তদারকি জোরদার করা এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ নিশ্চিত করা। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার ও সুবিচার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

আব্দুল কাদির বিন আহাসান

শিক্ষার্থী, আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করলেও শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য নিজস্ব কোনো কলেজ বাস নেই। প্রতিদিন অতিরিক্ত ভাড়া, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, যানজট, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নিরাপত্তাজনিত নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য এই দুর্ভোগ আরো বেশি। অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা-যাওয়া করে। তাদের জন্য সময়মতো কলেজে পৌঁছানো এবং ক্লাস শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

সরকারি কলেজ হওয়া সত্ত্বেও এখানে নিজস্ব কোনো পরিবহন সুবিধা না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সত্যিই হতাশাজনক। কলেজ বাস চালু হলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে, নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত হবে।

তাই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে দ্রুত কলেজ বাস চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কল্যাণে এটি সময়ের দাবি।

মো. রাসেল আহম্মেদ

অর্থনীতি বিভাগ

ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর

ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ জরুরি

ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ জরুরি

চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়গুলোতে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুট ওভারব্রিজ নেই। এর ফলে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালতগামী ও সাধারণ পথচারীদের রাস্তা পারাপার অনিরাপদ হয়ে উঠছে। কিছু সড়কের মোড়ে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের সর্বনিম্ন সুরক্ষাব্যবস্থাটিও নেই। নিরাপদ রাস্তা পারাপারে জেব্রা ক্রসিং ও ফুট ওভারব্রিজ না থাকায় পথচারীরা ট্রাফিক আইন উপেক্ষা করে রাস্তা পারাপার হয়। ফলে নগরীর ব্যস্ততম সড়কের মোড়গুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। নগরীর ২ নম্বর গেট, জিইসি, দেওয়ানহাট, লালখান বাজার ও টাইগারপাস এলাকায় পথচারীরা আতঙ্কে রাস্তা পারাপার হয়। বিষয়টি আরো উদ্বেগজনক অবস্থা তৈরি করে, যখন আড়াআড়াড়িভাবে রাস্তা পারাপারে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে। সড়কের মোড়গুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের চতুর্মুখী চলাচলের ফলে সৃষ্ট তীব্র যানজট কর্মজীবী মানুষের সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কের উল্লিখিত মোড়গুলোতে দ্রুত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ অতীব জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করছি।

মো. দ্বীন ইসলাম

শিক্ষার্থী, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, চবি