• ই-পেপার

খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মোসাল্লা কমপ্লেক্সে লাখো মানুষের ঢল

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর ‘কোস্তিয়ান্তিনিভকা’ দখলের দাবি রাশিয়ার

অনলাইন ডেস্ক
ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর ‘কোস্তিয়ান্তিনিভকা’ দখলের দাবি রাশিয়ার
ছবি: রয়টার্স

রাশিয়া দাবি করেছে, তারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখল করেছে। শুক্রবার এই তথ্য জানিয়ে রাশিয়া বলেছে, দীর্ঘদিনের তীব্র লড়াইয়ের পর শহরটি এখন তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।

এই শহরটি ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা শেষ দিকের বড় প্রতিরক্ষাকেন্দ্রগুলোর একটি, যেখান থেকে ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্ক শহরের দিকে যাওয়া যায়। এই দুই শহর দখল করা রাশিয়ার সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

যুদ্ধ শুরুর আগে কোস্তিয়ান্তিনিভকায় প্রায় ৭৮ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে শহরটি নিয়ে তীব্র যুদ্ধ চলছে। বর্তমানে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ যুদ্ধফ্রন্টে এটিই রাশিয়ার প্রধান সামরিক অভিযান হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, 'কোস্তিয়ান্তিনিভকা পুরোপুরি দখল করা হয়েছে। শহরটি এখন সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে।' তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এই ব্রিফিংয়ে এএফপির সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

পেসকভ জানান, পুতিন রাশিয়ার সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড পোস্টে গিয়ে জেনারেল স্টাফের প্রতিবেদন শোনেন এবং পরে সেনাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের লুহানস্ক অঞ্চল এখন সম্পূর্ণ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দনবাস অঞ্চলের দুটি অংশের একটি হলো লুহানস্ক। অন্যদিকে, এই দাবি নিয়ে এখনো ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
 

পানিসংকট মোকাবেলায় জিসিএফের প্রথম জাতীয় প্রকল্প পেল সিরিয়া

অনলাইন ডেস্ক
পানিসংকট মোকাবেলায় জিসিএফের প্রথম জাতীয় প্রকল্প পেল সিরিয়া
সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পানির সংকট মোকাবেলায় সিরিয়ার প্রথম জাতীয় প্রকল্পের জন্য ২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)। শুক্রবার দেশটির স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিভাগ জানায়, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের ৪৫তম পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকটি গত ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবেতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিরিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পরিবেশবিষয়ক উপমন্ত্রী ইউসুফ শরাফ। মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিচালনা পর্ষদের কাছে পাঠানোর আগে প্রায় ছয় মাস ধরে কারিগরি পর্যায়ে কাজ করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদার প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করে। এটি গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে সিরিয়ার পাওয়া প্রথম অর্থায়ন। এর ফলে আন্তর্জাতিক এই জলবায়ু তহবিল থেকে এত দিন অর্থায়ন না পাওয়ার পরিস্থিতির অবসান হলো। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সিরিয়ার জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক আরো জলবায়ু প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পথ সহজ হবে। মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো দেশের সীমিত পানিসম্পদের আরো কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি শহর ও গ্রামে নিরাপদ পানির সরবরাহ জোরদার করা, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষি ও মানুষের জীবিকা রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, এই অর্থায়ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলে সিরিয়ার অংশগ্রহণ আরো শক্তিশালী করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। পাশাপাশি পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং পুনর্গঠন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যও রয়েছে। 

গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং ক্ষতি কমাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থাটি ১৩০টিরও বেশি দেশের জন্য দুই হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৫ সালেই প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের তত্ত্বাবধানে এই তহবিল পরিচালিত হয়।

এর আগে ২০২১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের যৌথ সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় সিরিয়া। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির জাতীয় মনোনীত কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে একটি জাতীয় প্রোফাইল তৈরি করা হয়। পরে ২০২৩ সালের জুনে প্রকাশিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের জন্য সিরিয়ার কান্ট্রি প্রোগ্রামে কৃষি, জলবায়ু সহনশীল শহর গড়ে তোলা এবং টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে দেশটিতে পানির সংকট এখনো গুরুতর অবস্থায় রয়েছে।

খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী
ছবি : রয়টার্স

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির আনুষ্ঠানিক জানাজা শনিবার তেহরানে শুরু হয়েছে। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন চত্বরে আনা হয়। কফিনের ওপর তার পরিচিত কালো পাগড়ি রাখা ছিল। তার পাশে নিহত পরিবারের সদস্যদের মরদেহও রাখা হয়। 

আলি খামেনির কফিনের পাশাপাশি আরো চারটি কফিন রাখা হয়েছে, যার মধ্যে একটি শিশুর কফিনও রয়েছে। শিশুর কফিনটি আলী খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির। সব কফিনই ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো।

আরো যে মরদেহগুলো আছে সেগুলো হলো, তার মেয়ের জামাই মেসবাহ উল হুদা বাঘেরি, তার সবচেয়ে বড় মেয়ে সৈয়দা বুশরা হোসেইনি খামেনি, তার ছেলের বউ ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির স্ত্রী জাহরা হাদ্দাদ আদেলের। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আলি খামেনি এবং তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন। এরপর থেকেই দেশজুড়ে শোক পালন করা হচ্ছে এবং তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হচ্ছেন।

ছয় দিনব্যাপী দাফন অনুষ্ঠানের জন্য খামেনির মরদেহ শুক্রবার তেহরানে আনা হয়। এই সময় তার মরদেহ ইরান ও প্রতিবেশী ইরাকের বিভিন্ন শহরে নেওয়া হবে।

শনিবার সকালে জনসাধারণের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা খুলে দেওয়ার আগে শুক্রবার রাত থেকেই শত শত সমর্থক সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে শুধু তেহরানেই ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে। আজ সকালে ফটক খোলার পরই হাজার হাজার মানুষ জানাজা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভেতরে প্রবেশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই বিশাল প্রাঙ্গণ শোকাহত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, অনেক শোকাহত ব্যক্তি লাল ব্যানার বহন করছিলেন, যা প্রতিশোধের দাবির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এ সময় তারা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দেন।

২৭ বছর বয়সী এক শোকাহত ব্যক্তি বলেন, ‘আমি আমার প্রিয় নেতা আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছি। এমন দিন দেখতে হবে, কখনো ভাবিনি। এই মর্মান্তিক ঘটনার আগে যদি আমি মারা যেতাম!’

শুক্রবার ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি মোহাম্মদ বাগের গালিবাফকে আবেগাপ্লুত ও অশ্রুসিক্ত অবস্থায় দেখা যায়।

জানাজা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন আহমদ ওয়াহিদি। একই হামলায় তার পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর তিনি ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। ভারতের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করছেন সৈয়দ আতা হাসনাইন এবং পবিত্র মার্গারিটা।

প্রয়াত নেতা আলী খামেনির কফিন সোমবার পর্যন্ত তেহরানে রাখা হবে। ওই দিন রাজধানীজুড়ে একটি শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মঙ্গলবার মরদেহ নেওয়া হবে ধর্মীয় নগরী কোমে। বুধবার তা প্রতিবেশী ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে নিয়ে যাওয়া হবে। সবশেষে বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের নিজ শহর মাশহাদে আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।

তাপপ্রবাহে ফ্রান্স-বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডসে অন্তত ৩৭০০ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
তাপপ্রবাহে ফ্রান্স-বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডসে অন্তত ৩৭০০ জনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জুন মাসে তীব্র তাপপ্রবাহে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে। ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাবে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে তারা সতর্ক করে বলেছে, এই সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চলা এই তাপপ্রবাহ ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহগুলোর একটি। এই সময়ে অতিরিক্ত গরমের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিভিন্ন অবকাঠামোতে চাপ পড়ে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে যায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই চরম তাপমাত্রার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা প্রায় নিশ্চিত।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট জানিয়েছেন, শুধু ফ্রান্সেই তাপপ্রবাহের সময় ২ হাজার ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে।

ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে বাড়িতে মৃত্যুর সংখ্যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯১ শতাংশ বেড়ে যায়। একই সময়ে নার্সিং হোম ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে মৃত্যুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এই প্রাথমিক হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

বেলজিয়ামের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৯ জুনের মধ্যে দেশটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩০ জনের বয়স ছিল ৮৫ বছর বা তার বেশি। আর ৬৫ বছরের নিচে বয়সীদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে।

বেলজিয়াম সরকার বলেছে, তাদের দেশে এত বেশি সংখ্যক মৃত্যু আগে কখনো হয়নি। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একই সময়ে দেশে প্রায় ৪৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন ৮০ বছরের বেশি বয়সী।