• ই-পেপার

সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় আইএসের শীর্ষ নেতা নিহত

ভারত থেকে আবারও আসছে ট্রেনের বগি

অনলাইন ডেস্ক
ভারত থেকে আবারও আসছে ট্রেনের বগি
সংগৃহীত ছবি

ভারত থেকে আবারও রেল কোচ (বগি) আমদানি শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী জুলাই মাসে প্রায় ২০টি রেল কোচের একটি চালান রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা।

বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতের পর বাংলাদেশে এটি হবে ভারতের প্রথম রেল কোচ রপ্তানি।

এর আগেও বাংলাদেশকে ১২০টি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ, ৩৬টি ব্রড-গেজ লোকোমোটিভ এবং ১০টি মিটার-গেজ লোকোমোটিভ সরবরাহ করেছে নয়াদিল্লি।

ভারতীয় রেলওয়ের রপ্তানি সংস্থা (আরআইটিইএস) বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহের একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করছে। এগুলো ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৯১৫ কোটি রুপির এই প্রকল্পটি ২০২৪ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় ঢাকাকে নতুন চালান সরবরাহ করবে নয়াদিল্লি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ভারতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘নতুন চুক্তির আওতায় প্রথম রেকটি জুলাই মাসে প্রস্তুত হবে। কোচগুলো হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।’

চুক্তি অনুযায়ী, শুধু কোচ সরবরাহই নয়, আরআইটিইএস নকশা সহায়তা, যন্ত্রাংশ সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণও দেবে। পুরো প্রকল্পে ৩৬ মাসের সরবরাহ ও কমিশনিং সময়সীমা রয়েছে, এরপর ২৪ মাসের ওয়ারেন্টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আরআইটিইএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহুল মিথাল বলেন, ‘নতুন অর্থবছরে বাংলাদেশে রেল কোচের সরবরাহ শুরু হলে আমাদের রাজস্ব আরো বাড়বে।’

এদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পে কিছু বিলম্ব হয়েছে, তবে এখন তা আবার স্বাভাবিক পথে ফিরে এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দরজা বন্ধ করা নিয়ে বিতর্ক, চলন্ত ট্রেনে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
দরজা বন্ধ করা নিয়ে বিতর্ক, চলন্ত ট্রেনে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাতের অন্ধকারে চলছে ট্রেন, এর মধ্যে বাইরে ঝুমবৃষ্টি। এ অবস্থায় চলন্ত ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু করেন দুই ব্যাক্তি। এক পর্যায়ে ২১ বছর বয়সী এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে অন্য জনের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে ভারতের মুম্বাইয়ে গোরেগাঁও ও কান্দিভালি স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিহত যুবকের নাম ময়াঙ্ক লোহার। তিনি ওই ট্রেনের চার্চগেট-নালাসোপারা ফাস্ট লোকাল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির বগিতে ভ্রমণ করছিলেন। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে গোরেগাঁও ও কান্দিভালি স্টেশনের মাঝামাঝি সময়ে আরেক যাত্রীর সঙ্গে ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে তার বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। 

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরে কালো পোশাক পরা অভিযুক্ত হাতে ছুরি নিয়ে হামলার পর বগির ভেতর দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে। ট্রেনের আসনের ওপর রক্তের দাগও দেখা যায়। 

ভিডিওটিতে আতঙ্কিত যাত্রীদের বলতে শোনা যায়, ‘সে তাকে মেরে ফেলেছে।’ এ ঘটনায় অভিযুক্ত রোশন সুবর্ণাকে পরে মুম্বাইয়ের কুরলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।

পশ্চিম রেলওয়ে পুলিশের তথ্য মতে, তর্ক এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং কয়েকজন যাত্রী অভিযুক্তকে মারধর করতে শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোশন তার ব্যাগ থেকে একটি ছুরি বের করে ময়াঙ্কের ওপর হামলা চালায়।

বোরিভালি রেলওয়ে পুলিশের সিনিয়র পুলিশ পরিদর্শক দত্তা খুপরেকর বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় অভিযুক্ত ছুরি দিয়ে ভুক্তভোগীকে আঘাত করে এবং পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’

পুলিশ জানিয়েছে, ময়াঙ্ক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঘটনার পর শোকে ভেঙে পড়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। ময়াঙ্কের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, তার ছেলে কখনো কারো সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়াত না।

নিহতের বোনও অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টার সময় এত মানুষ ছিল, কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। আজ যদি শাস্তি না হয়, কাল আবার কেউ এভাবে নিহত হবে।’

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ভারত

নির্মীয়মাণ ভবনের ছাদধসে নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক
নির্মীয়মাণ ভবনের ছাদধসে নিহত ৩
সংগৃহীত ছবি

ভারতের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মীয়মাণ একটি ভবনের ছাদধসে অন্তত তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরের এ দুর্ঘটনায় অন্তত আরো ৪০ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনতলা বিশিষ্ট নির্মীয়মাণ ভবনটির ছাদ হঠাৎ ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে নির্মাণকাজ চলছিল এবং বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন।

দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সদস্যরা যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এখন পর্যন্ত ছয় থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের বের করে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ভবন নির্মাণে কোনো ত্রুটি বা নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ তদারকিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্থানীয় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক রাখা হয়েছে।

খামেনির শেষ বিদায়ে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির শেষ বিদায়ে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় ও জানাজা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

আগামী জুলাই মাসে তেহরান ও মাশহাদে অনুষ্ঠিতব্য বহু-শহরভিত্তিক এই শোকানুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিয়েছে। দূতাবাসটি দুই দিন আগে আমন্ত্রণপত্রটি গ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে এই শোকানুষ্ঠান শুরু হবে এবং তা চলবে ৬ জুলাই পর্যন্ত এবং ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান শেষ হবে।

প্রসঙ্গত, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় তার দাফন অনুষ্ঠান মার্চ থেকে পিছিয়ে জুলাইয়ে নির্ধারণ করা হয়।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের পক্ষ থেকে চীন, রাশিয়া, কাতার, ফ্রান্স, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল অংশ নেবে।