• ই-পেপার

শান্তি আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র নয়, মরিয়া অবস্থায় ইরান : ট্রাম্প

মোদিকে ‘ফেরেশতা’ ও ‘খুনি’ বলে প্রশংসা করলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
মোদিকে ‘ফেরেশতা’ ও ‘খুনি’ বলে প্রশংসা করলেন ট্রাম্প
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন ‘কঠিন মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রসিকতার ছলে ট্রাম্প বলেন, মোদি দেখতে ‘ফেরেশতার’ মতো হলেও কাজের ক্ষেত্রে তিনি ‘খুনি’দের মতো কঠোর। এই ধরনের মানুষ খুব কমই দেখা যায়। 

ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তির ‘খুব কাছাকাছি’ রয়েছে উল্লেখ করে ১৭ জুন ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা গত কিছু সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তিনি (মোদি) আসলে অন্যতম কঠোর একজন মধ্যস্থতাকারী।’

ট্রাম্প আরো জানান, মোদি দীর্ঘ সময় ধরে তার বন্ধু এবং তিনি ভবিষ্যতে ভারত সফর করবেন।

গত এক বছরে শুল্ক, পাকিস্তান এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনার পর দুই দেশের সম্পর্ক মেরামতের সর্বশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে।

২০২৫ সালের শুরুতে মোদির হোয়াইট হাউস সফরের পর এবারই প্রথম দুই নেতা মুখোমুখি বসলেন। বৈঠকে ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনা এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত আক্রান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করবে।’

মোদির দিকে নির্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কেউ ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে, তবে আমরা সেখানে থাকব। তবে নতুন কোনো নেতা এলে আমি সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।’

পাকিস্তান ‘ফ্রাংকেনস্টাইন রাষ্ট্র’, জাতিসংঘে ভারতের তোপ

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তান ‘ফ্রাংকেনস্টাইন রাষ্ট্র’, জাতিসংঘে ভারতের তোপ
সংগৃহীত ছবি

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে কিছুটা রেষারেষি থাকেই। তবে ভারত-পাকিস্তানের মতো উত্তেজনাকর প্রতিবেশী বিশ্বে খুব বেশি নেই। ১৯৪৭ সালে একদিন আগে-পরে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের পারস্পরিক সম্পর্ক অবিশ্বাস, আস্থাহীনতা, আর উত্তেজনায় ঠাসা। একাধিকবার যুদ্ধেও জড়িয়েছে দেশ দুটি। সীমান্তে টুকটাক সমস্যা লেগেই থাকে। তবে গতবছর পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর। এবার জাতিসংঘে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেল। 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের সভায় পাকিস্তান ও ওআইসি জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনে। ভারত তার জবাব দিয়েছে তীব্র ভাষায়। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব অনুপমা সিং পাকিস্তানকে অভিহিত করেছেন ‘ফ্রাংকেনস্টাইন রাষ্ট্র’ হিসেবে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বসেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাকমিশনের ৬২তম অধিবেশন। সেখানে পাকিস্তান-ভারতের পাল্টাপাল্টি কথার লড়াই হয়েছে। বুধবার জাতিসংঘের সভায় জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে অনুপমা সিং বলেন, ‘পাকিস্তান বছরের পর বছর ধরে জঙ্গি সংগঠনগুলোকে আশ্রয় দিয়েছে। প্রশিক্ষণ ও মদদও দিয়েছে। এই শক্তিগুলোই এখন পাকিস্তানের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ পাকিস্তানকে ‘ফ্রাংকেনস্টাইন রাষ্ট্র’ অভিহিত করে অনুপমা সিং বলেন, ‘নিজের তৈরি দানব যখন ফিরে এসে কামড়ায়, তখন অবাক হওয়ার কিছু নেই।’

অনুপমা সিং পাকিস্তানের পরিস্থিতিকে অদ্ভুত প্যারাডক্স হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি এমন একটি দেশ যেখানে খোদ প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজেই রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাদের মোতায়েন করার কথা স্বীকার করেন। অথচ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই পাকিস্তানই আবার নিজেকে সন্ত্রাসবাদের শিকার বলে দাবি করে।’

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নানা সমসা তুলে ধরে অনুপমা সিং বলেন, ‘রাওয়ালকোটে সাধারণ মানুষের ওপর দমন-পীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমিয়ে রাখার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’ তার অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মঞ্চে মানবাধিকারের কথা বললেও পাকিস্তান নিজের দেশের সমস্যাগুলো নিয়ে নীরব। 

ভারতের দাবি, সন্ত্রাসবাদকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার নীতির ফলেই পাকিস্তান আজ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সংকটের মুখে। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনুপমা।

জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের অভিযোগের জবাবে অনুপমা সিং বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব

অনলাইন ডেস্ক
ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব
ছবি : রয়টার্স

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মার্কিন প্রেসিডেন্ড ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প তৈরির অভিযোগ আনেন। ট্রাম্প একটি ইতালীয় টিভি চ্যানেলকে বলেছিলেন, ‘জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন’। তবে মেলোনি বলেছেন, ‘ট্রাম্পের এই মন্তব্যে তিনি বিস্মিত এবং এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মনগড়া।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ট্রাম্প পশ্চিমা বিশ্বের দীর্ঘদিনের মিত্রদের তুলনায় পশ্চিমের প্রতিপক্ষদের প্রতি বেশি নমনীয় ও সহানুভূতিশীল আচরণ করছেন।

ট্রাম্পের মন্তব্যে ইতালি সরকারের ক্ষোভ কতটা গভীর, তা বোঝাতে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করছেন।

সাম্প্রতিক এই বাকযুদ্ধ দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। মাত্র কয়েক দিন আগেই জি-৭ সম্মেলনে এমন লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, ইরান যুদ্ধ নিয়ে চলতি বছরের মতবিরোধের পর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক আবার কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। কিন্তু ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর সেই সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনের মুখে পড়েছে।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের ভিডিওতে দেখা গেছে, মেলোনি ও ট্রাম্প একটি ছোট সোফায় পাশাপাশি বসে গভীর আলোচনায় মগ্ন ছিলেন। তবে ট্রাম্প পরে এমন ইঙ্গিত দেন যে, তিনি মূলত মেলোনির অনুরোধেই তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

ইতালির টিভি চ্যানেনকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি বলে তিনি খুশি। আমার তো তার সঙ্গে কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।’ উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাক্ষাৎকারের সময় ইতালির প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে প্রশ্নটি সাংবাদিক নয়, ট্রাম্প নিজেই তুলেছিলেন।

লা সেভেনের চ্যানেলের অনুযায়ী ট্রাম্প বলেন, ‘মেলোনি আমার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিল। আমার সঙ্গে একটি ছবি পাওয়ার জন্য সে খুবই আগ্রহী ছিল। আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু তার জন্য আমার মায়া হয়েছিল।’ তবে চ্যানেলটি ট্রাম্পের মূল অডিও প্রকাশ করেনি। 

মেলোনি জবাবে বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য পুরোপুরি মনগড়া। সত্যি বলতে আমি বিস্মিত। আমি জানি না কেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। তবে এটি প্রথমবার নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুঃখজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষদের ক্ষেত্রে তিনি একই ধরনের কঠোর অবস্থান দেখান না। বরং তাদের নেতাদের প্রতি তিনি অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন।’ মেলোনি যোগ করেন, ‘একটি বিষয় তার মনে রাখা উচিত, আমি বা ইতালি কখনো কারো কাছে অনুরোধ বা মিনতি করি না।’
 

ইরানবিরোধী গোষ্ঠীর সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিল ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক
ইরানবিরোধী গোষ্ঠীর সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিল ফ্রান্স
রয়টার্স ছবি

প্যারিসভিত্তিক ইরানবিরোধী জোট ন্যাশনাল কাউন্সিল অব রেজিস্ট্যান্স অব ইরানের (এনসিআরআই) পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ আয়োজনে বাধা দিয়েছে ফ্রান্স পুলিশ।

পুলিশের দাবি, বিপরীতমুখী মতাদর্শের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। তবে এনসিআরআই এই যুক্তিকে ‘ভুয়া ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে টেলিফোনে আলোচনার কয়েক ঘণ্টা পর এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তটি দেওয়া হয়।

এনসিআরআই অভিযোগ করেছে, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের ফলেই তাদের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনার সময় এই বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করেননি বা এটি বাতিলের কোনো অনুরোধও জানাননি।’

লাখো মানুষের সমাবেশ

প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ায় জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তাদের ভাষায়, ‘বিপরীতমুখী মতাদর্শের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে, যা জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার জন্য হুমকি হতে পারে।

অন্যদিকে এনসিআরআই দাবি করেছে, শনিবার প্রায় এক লাখ মানুষের অংশগ্রহণে ইরানে রাজনৈতিক মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে সমাবেশটি আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। এর জন্য গত দুই মাস ধরে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে এর মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিআরআই। 

নিষেধাজ্ঞা

এর আগে ২০২৩ সালেও প্যারিস পুলিশ নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বলে এনসিআরআইয়ের একটি সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। পরে আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে।

এনসিআরআই হলো ইরানের পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজেশনের (এমইকে) রাজনৈতিক শাখা। বহু বছর ধরে তারা প্যারিসে বড় বড় সমাবেশ আয়োজন করে আসছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও আরব বিশ্বের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও অংশ নিয়েছেন।

ইরানের ভেতরে এনসিআরআই নিষিদ্ধ। তেহরান দীর্ঘদিন ধরে প্যারিস, ওয়াশিংটন ও রিয়াদে সংগঠনটির কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

যদিও ইরানের অভ্যন্তরে সংগঠনটির প্রকৃত জনসমর্থন কতটা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নির্বাসিত শাহপুত্র রেজা পাহলভির সমর্থকদের পাশাপাশি এনসিআরআইকে ইরানবিরোধী রাজনীতির অন্যতম সংগঠিত শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইরানিদের প্রতি সমর্থন

এদিকে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো বলেছেন, ‘যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ইরানের সাধারণ জনগণ।’

ইরান একটি মহান জাতি হিসেবে উল্লেখ তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের জনগণ এবং ইরানি শাসনব্যবস্থার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করি।’

তবে নির্বাসিত শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ দিতে ফ্রান্স একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলছে বলেও জানান তিনি।