• ই-পেপার

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপিআই ঝড়!

৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া
ছবি : ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হনেছে। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দেশটির একাংশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এরপর শক্তিশালী আফটারশকও অনুভূত হয়েছে। 

ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনিটি মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরে এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে তীব্রভাবে অনুভূত হয়। শহরটিতে প্রায় ৪ লাখ মানুষ বসবাস করেন। এ ঘটনায় বিক্ষিপ্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল পালু শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। পরবর্তী সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫.২, ৫.০ এবং ৪.৯।

ইন্দোনেশিয়া বেশ কয়েকটি সক্রিয় ভূকম্পন চ্যুতির ওপর অবস্থিত। তাই দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয় এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতও একটি সাধারণ ঘটনা।

এর আগে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের মামুজু শহরের কাছে ৬.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে অন্তত ১০০ জন নিহত হন এবং আফটারশকের ভয়ে হাজার হাজার মানুষ দিনের পর দিন খোলা আকাশের নিচে ঘুমিয়েছিলেন। 

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ও এর পর সৃষ্ট প্রায় ৩ মিটার উঁচু সুনামিতে পালু এবং আশপাশের এলাকায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
 

অবৈধ ইসরায়েলি বসতি টিকিয়ে রাখতে অর্থ দিচ্ছে ইউরোপ- প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক
অবৈধ ইসরায়েলি বসতি টিকিয়ে রাখতে অর্থ দিচ্ছে ইউরোপ- প্রতিবেদন
ছবি: রয়টার্স

এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলো টিকিয়ে রাখতে অর্থের জোগান দিতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখছে ইউরোপ। তদন্তে দেখা গেছে, দখল করা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং সিরিয়ার গোলান মালভূমির অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত ফল ও সবজি নিয়মিতভাবে ইসরায়েলে উৎপাদিত বলে ঘোষণা করেন ইসরায়েলি রপ্তানিকারকেরা। এরপর সেগুলো ইউরোপের বাজারে পাঠানো হয়।

আইনি সহায়তাভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল ইকো’ ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ৩০ হাজারের বেশি রপ্তানি নথি পরীক্ষা করেছে। এসব নথি বিদেশে পাঠানো ৬ হাজার ৮০০টির বেশি চালানের সঙ্গে সম্পর্কিত।

‘ইমপোর্টিং অকুপেশন’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে পাঠানো প্রতি প্রায় ছয়টির মধ্যে একটি চালানে বসতিতে উৎপাদিত পণ্য ছিল। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নে পাঠানো প্রতি প্রায় পাঁচটি চালানের মধ্যে  একটিতে এমন পণ্য পাওয়া গেছে। এর বড় অংশই ইসরায়েলে উৎপাদিত বলে ভুল তথ্য দিয়ে পাঠানো হয়েছে।

কানাডার আইন বিশেষজ্ঞ এবং ফিলিস্তিনবিষয়ক জাতিসংঘের সাবেক বিশেষ প্রতিনিধি মাইকেল লিংক এই সমস্যাকে ‘পরিকল্পিতভাবে তথ্য গোপন’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, বসতিতে উৎপাদিত পণ্য প্রকাশ্যেই লুকিয়ে রাখা হচ্ছে। ভুয়া ঠিকানার মাধ্যমে সেগুলো অন্য পথে পাঠানো হচ্ছে। আবার অনেক সময় ইসরায়েলের স্বীকৃত সীমান্তের ভেতরে উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদনের আসল জায়গা গোপন করার ফলে রপ্তানিকারকেরা ইসরায়েলি পণ্যের জন্য নির্ধারিত কম বা শূন্য শুল্কের সুবিধা দাবি করতে পারেন। এর মাধ্যমে যে আয় হয়, তা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত বসতিগুলো টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে।

প্রতিবেদনে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, ইউরোপের আমদানিকারকেরা ‘ইসরায়েলি বসতি স্থাপন কার্যক্রমকে আর্থিকভাবে টিকিয়ে রাখতে’ ভূমিকা রাখছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ইউরোপের শুল্ক কর্তৃপক্ষ এসব ঠেকাতে খুব কম পদক্ষেপ নিচ্ছে।

গ্লোবাল ইকো জানিয়েছে, তারা এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।


 

প্রত্যাশার চেয়ে ১০ বিলিয়ন ডলার বেশি সংগ্রহ করল স্পেসএক্স

অনলাইন ডেস্ক
প্রত্যাশার চেয়ে ১০ বিলিয়ন ডলার বেশি সংগ্রহ করল স্পেসএক্স
ছবি : রয়টার্স

প্রাথমিক ধারণার চেয়েও আরো অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার (৭.৫ বিলিয়ন পাউন্ড) সংগ্রহ করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও) সম্পন্ন করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কম্পানি স্পেসএক্স। নিউইয়র্কের নাসডাক স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মানুষের কাছে শেয়ার বিক্রি করে কম্পানির মোট সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫.৭ বিলিয়ন ডলার। এই অভাবনীয় সাফল্যের পর ব্লুমবার্গের হিসাব অনুযায়ী স্পেসএক্স-এর প্রধান ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ বা লক্ষ কোটিপতির মর্যাদা লাভ করেছেন।

স্পেসএক্স-এর শেয়ারের জন্য বাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী। এই বিপুল চাহিদা সামাল দিতে আইপিও-র দায়িত্বে থাকা গোল্ডম্যান স্যাক্স, ব্যাংক অব আমেরিকা ও জেপি মরগ্যানের মতো বড় ব্যাংকগুলো ‘গ্রিনশু’ নামক একটি বিশেষ আর্থিক ধারা প্রয়োগ করে। এই নিয়মের অধীনে ব্যাংকগুলো সরাসরি কোম্পানির কাছ থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ৩৩ লাখ শেয়ার কিনে নেয়, যার ফলে মূল পরিকল্পনার চেয়েও এই ১০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। 

আইপিও চালুর পর সোমবার (১৫ জুন) শেয়ার বাজারে স্পেসএক্স-এর জয়জয়কার বজায় ছিল। প্রথম দিকে বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলার প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা কোম্পানির বাজার মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। কিন্তু চাহিদা বাড়ায় সোমবার কম্পানির শেয়ারের দাম ১৯ শতাংশেরও বেশি বেড়ে প্রতিটির মূল্য ১৯২ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়।

যেহেতু ইলন মাস্কের সম্পদের বেশিরভাগ অংশই সরাসরি স্পেসএক্স-এর শেয়ারে বিনিয়োগ করা, তাই তার এই নতুন ট্রিলিয়নেয়ার মর্যাদা পুরোপুরি শেয়ার বাজারের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল। শেয়ারের দাম কমলে তিনি দ্রুত এই খেতাব হারাতেও পারেন। বাজার বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতে দিন দিন প্রতিযোগিতা এবং সরকারি নজরদারি বাড়ছে। এই অবস্থায় কম্পানিটি তাদের এই আকাশচুম্বী প্রবৃদ্ধি কতদিন ধরে রাখতে পারবে, তা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

যুদ্ধ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত বিবরণ এখনো পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। চুক্তির নথি কবে প্রকাশ করা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটি সম্ভবত খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। তবে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা এতে কী কী  বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন। 

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার জানিয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান ঘটবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।

উভয় পক্ষই জানিয়েছে, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মেয়াদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি নিয়ে আলোচনা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘শুক্রবার হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’ অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স বলেছেন, ‘এই ৬০ দিনের মেয়াদে জলপথে যান চলাচলের ওপর কোনো টোল আরোপ করা হবে না।’

এদিকে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দকৃত ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দিতে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়েছে।’

কিন্তু ভ্যান্স তা অস্বীকার করে মার্কিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ওয়াশিংটন বা তার মিত্রদের পক্ষ থেকে এক ডলারও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়নি বা জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ানো হয়নি।’ ভ্যান্স আরো বলেন, ‘সমঝোতা স্মারকটি একটি সাধারণ নথি। প্রায় দেড় পৃষ্ঠার। এর বিস্তারিত বিবরণ শীঘ্রই প্রকাশ করা হতে পারে।’

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চুক্তিটির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।