• ই-পেপার

ঘানাকে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো
পর্তুগালের অধিনায়ক রোনালদো। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ জ্বরে এখন কাঁপছে পৃথিবী। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে মাতোয়ারা  থাকার কথা ছিল আন্দ্রেস মিয়েলেসেরও। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন ১০ বছর বয়সী শিশুটি।

আন্দ্রেসের এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী ভেনেজুয়েলায় হয়ে যাওয়া দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। অনেকের মতো যার জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। ভূমিকম্পে পুরো পরিবার হারানো আন্দ্রেস নিজের এক পা হারিয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এমন কঠিন সময়ে আন্দ্রেসের চাওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর একটি স্টিকার। প্রিয় খেলোয়াড়ের স্টিকারটি বিশ্বকাপের অ্যালবামে সাজিয়ে রাখবেন। শিশুটির চাওয়া কোনোভাবে পৌঁছে যায় পর্তুগিজ কিংবদন্তির কাছে। ইচ্ছা পূরণে শিশুটির কাছে একটি ভিডিও বার্তা পাঠান রোনালদো।

স্টিকারটি ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছে আন্দ্রেস। সঙ্গে নিজের সই করা একটি জার্সিও পাঠিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। তার পাঠানো উপহার পাওয়ার বিষয়টি সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন সাংবাদিক গ্যাবি আরোচার। 

ভিডিও বার্তায় আন্দ্রেসকে নিজের একটি ম্যাচ দেখতে আসার জন্য বলেছেন রোনালদো। ‘সিআর সেভেন বলেছেন, ‘হ্যালো আন্দ্রেস, তুমি কেমন আছো? তোমাকে ভালোবাসা পাঠানোর জন্যই ভিডিওটি করেছি। জানি, তুমি আমার খুব বড় ভক্ত। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো। আমি চাই তুমি আমার একটা ম্যাচ দেখতে আসো। একসঙ্গে উপভোগ করব। তোমার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম। সাহস রেখো বন্ধু।’

 

পা হারানো ছোট্ট আন্দ্রেসের স্বপ্ন পূরণ করায় এখন প্রশংসায় ভাসছেন রোনালদো। মানবিকতার হাত বাড়ানো অবশ্য এবারই প্রথম নয় তার। আগেও অনেকবার এমন কাজ করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী।

শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি

ক্রীড়া ডেস্ক
শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি
প্রতীকী ছবি

কলম্বিয়া-ঘানা ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে ৩২-এর লড়াই। কানসাস সিটির ম্যাচে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে পরের রাউন্ডে জায়গা পেয়েছে কলম্বিয়া। এতে শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি হচ্ছে তা ঠিক হয়েছে।

আজ রাত থেকেই শুরু হবে শেষ ষোলোর ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে স্বাগতিক কানাডা। ম্যাচটি রাত ১১টায়। রাত ২টায় মাঠে নামবে প্যারাগুয়ে-ফ্রান্সও।

চলুন দেখে নেওয়া যাক শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি—

৪ জুলাই : কানাডা বনাম মরক্কো — হিউস্টন, রাত ১১টা।
৫ জুলাই : প্যারাগুয়ে বনাম ফ্রান্স — ফিলাডেলফিয়া, রাত ৩টা।
৬ জুলাই : ব্রাজিল বনাম নরওয়ে — নিউ ইয়র্ক, রাত ২টা।
৬ জুলাই : মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড — মেক্সিকো সিটি, সকাল ৬টা।
৭ জুলাই : পর্তুগাল বনাম স্পেন — ডালাস, রাত ১টা।
৭ জুলাই : যুক্তরাষ্ট্র বনাম বেলজিয়াম — সিয়াটল, সকাল ৬টা।
৭ জুলাই : আর্জেন্টিনা বনাম মিসর — আটলান্টা, রাত ১০টা।
৮ জুলাই : সুইজারল্যান্ড বনাম কলম্বিয়া — ভ্যাঙ্কুভার, রাত ২টা।

‘নকআউটে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয় না’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘নকআউটে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয় না’
কেপ ভার্দের প্রশংসা করেছেন মেসি। ছবি : রয়টার্স

জয়টা পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে আজ মায়ামিতে মানুষের হৃদয় জিতেছে কেপ ভার্দে। সেই তালিকায় আছেন খোদ লিওনেল মেসিও। তাই তো ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের প্রশংসা করতে ভুলেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

শেষ ৩২-য়ের ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে হারার আগে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে কেপ ভার্দে। প্রতিপক্ষের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী বলেছেন, ‘জানতাম ম্যাচটা অনেক কঠিন হতে যাচ্ছে। স্পেন ও উরুগুয়ের কাছে হারেনি তারা। তবে সবচেয়ে কঠিন কাজটি প্রথমে করতে পেরেছিলাম। তা হলো প্রথম গোলটি করা। এরপর ভেবেছিলাম চেনা ছন্দ খুঁজে পেয়ে স্বস্তিতে খেলব। কিন্তু হয়েছে ঠিক উল্টো। নিজেদের সবটুকু তারা মাঠে নিংড়ে দিয়েছে।’

 

নকআউটের ম্যাচে কেউ কাউকে ছাড় দেয় না বলে জানান মেসি। ৩৯ বছর বয়সী প্লেমেকার বলেছেন, ‘নকআউটের ম্যাচে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয় না। নামের কারণে অনেকে হয়তো প্রতিপক্ষকে কম শক্তিশালী ভাবতে পারে। তবে আমরা জানতাম ম্যাচটা মোটেও সহজ হবে না। এটাই বিশ্বকাপকে বিশেষ করে তুলেছে। সব দলই খুব কাছাকাছি মানের এবং প্রতিটি ম্যাচই কঠিন।

মায়ামির ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে কাজে লাগাতে চান মেসি। ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক বলেছেন, ‘বরাবরের মতোই আমরা প্রচুর পরিশ্রম করেছি। নিজেদের সেরাটা দিতে পারি আর না পারি। 

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ্রাম নেওয়া। পরের ম্যাচটি নিয়ে ভাবা। আর আজকের লড়াই থেকে ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করা।’

শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ মিশর। ম্যাচটি আগামী ৭ জুলাই আটলান্টা স্টেডিয়ামে হবে। শুরু হবে রাত ১০টায়।

রুদ্ধশ্বাস জয়ের ম্যাচে মেসির যত রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
রুদ্ধশ্বাস জয়ের ম্যাচে মেসির যত রেকর্ড
কেপ ভার্দের বিপক্ষে এক গোল করে অনেক রেকর্ড গড়েছেন মেসি। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের মালিক আগেই হয়েছেন লিওনেল মেসি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রথম গোলটি করে আজ সংখ্যাটা ২০ করেছেন তিনি। ৩-২ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়ের ম্যাচে আরও কিছু কীর্তি গড়েছেন ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীরা। চলুন দেখে নেওয়া যাক—

৩০
বিশ্বকাপের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৩০ ম্যাচ খেললেন মেসি।
২০
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ২০ গোল করেছেন মেসি।

১৪
রেকর্ড ১৮ দলের বিপক্ষে গোল করা প্রথম ফুটবলার মেসি।

১২
বিশ্বকাপের নকআউটে ১২ গোলে অবদান রাখলেন মেসি। যা সর্বোচ্চ (সমান ৬টি করে গোল ও অ্যাসিস্ট)। ১১ গোলে অবদান রেখে দুইয়ে আছেন পেলে ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। 

৮ 
বিশ্বকাপে টানা ৮ ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলারও মেসি।

৭+
একাধিক আসরে ৭ গোল করা প্রথম ফুটবলার মেসি। কাতার বিশ্বকাপের পর এবারও ৭ গোল করলেন তিনি।