• ই-পেপার

বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল

তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো নক আউটে যাবে যেভাবে

ক্রীড়া ডেস্ক
তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো নক আউটে যাবে যেভাবে
সংগৃহীত ছবি

চলছে বিশ্বকাপের মহারণ। এবারের বিশ্বকাপ বেশ কিছু নতুন নিয়ম যুক্ত করেছে ফিফা। সেই সাথে পরিবর্তন আনা হয়েছে কাঠামোগত। যার ফলে ১৯৯৪ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপের তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর জন্যও নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

চলমান বিশ্বকাপ দল সংখ্যা ৪৮। যা আগে ৩২ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হত। এতে ফিফা প্রতিযোগিতার ফরম্যাটেও পরিবর্তন এনে অতিরিক্ত যোগ্যতা অর্জনের পথ তৈরি করেছে এবং নতুন করে “রাউন্ড অব থার্টিটু” চালু করেছে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগের ৮টি গ্রুপের পরিবর্তে এবার আছে ১২টি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে উঠে যাবে।

তবে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলো সাথে সাথেই বিদায় নেবে না। বরং গ্রুপ পর্ব ২৭ জুন শেষ হওয়া পর ১২টি গ্রুপের ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের মধ্যে সেরা ৮টি দলও নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে।

ফলে রাউন্ড অব ৩২ গঠিত হবে ১২টি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলসহ মোট ২৪টি দল এবং সেরা ৮টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দল নিয়ে।

মোট ৩২টি দেশ নকআউট পর্বে খেলবে, যার ফলে আরও বেশি দল টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় লড়াইয়ে টিকে থাকার সুযোগ পাবে।

তবে সব তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পরের রাউন্ডে উঠতে পারবে না। ফিফা ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলকে একটি আলাদা সামগ্রি টেবিলে র‌্যাঙ্ক করবে এবং সেখান থেকে সেরা ৮টি দলই নকআউট পর্বে যাবে।

যদি একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হয় তাহলে ক্রমান্বয়ে নিচের মানদন্ডগুলো বিবেচনা করা হবে :

গোল ব্যবধান, মোট গোলসংখ্যা, ফেয়ার প্লে রেকর্ড, ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে রাউন্ড অব থার্টি টুতে উন্নীত করবে।

এই সম্প্রসারিত ফরম্যাটের কারণে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দলগুলো এখন শুধু নিজেদের গ্রুপে শীর্ষ দুইয়ে থাকার জন্যই নয়, বরং টুর্নামেন্টের সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর মধ্যে জায়গা পাওয়ার জন্যও লড়াই করছে।

ফলে কোনো দল শুরুতে খারাপ ফল করলেও তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন পুরোপুরি শেষ হয়ে যাচ্ছে না। সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ এখনও থাকছে।

মেসির ১৮ গোলের ১৬টিই বিশ্বকাপ না জেতা দলের বিপক্ষে

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির ১৮ গোলের ১৬টিই বিশ্বকাপ না জেতা দলের বিপক্ষে
লিওনেল মেসি। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৮-তে উন্নীত করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এই কীর্তিতে তিনি পেছনে ফেলেছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে (১৬)।

তবে মেসির এই ১৮ গোলের মধ্যে লুকিয়ে আছে একটি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান। বিশ্বকাপে তার করা ১৮ গোলের ১৬টিই এসেছে এমন সব দলের বিপক্ষে, যারা কখনো বিশ্বকাপ জিততে পারেনি।

২০০৬ সালে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন মেসি। এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, ইরান ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে চার গোল করেন। ২০১৮ সালে আবারও নাইজেরিয়ার জালে বল পাঠান তিনি।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরব, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করেন মেসি। এর মধ্যে সৌদি আরব, নেদারল্যান্ডস ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তার গোল গুলো ছিল পেনাল্টি থেকে। আর ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে করেন জোড়া গোল। এর একটি ছিল পেনাল্টি থেকে। আর চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করেছেন আরো দুটি গোল।

সব মিলিয়ে মেসির ১৮ গোলের মধ্যে মাত্র দুটি এসেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে— দুটিই ২০২২ সালের ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে। বাকি ১৬ গোল এসেছে এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে, যাদের কারও বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস নেই।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডও এখন মেসির দখলে। সর্বোচ্চ তিনটি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড আছে তার। 

৩৮ বছর বয়সেও মেসির রেকর্ড ভাঙার অভিযান থেমে নেই। বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি যেন প্রতিটি ম্যাচেই নতুন করে ইতিহাস লিখছেন। আর তার ১৮ গোলের এই অনন্য পরিসংখ্যানও সেই ইতিহাসেরই আরেকটি নতুন অধ্যায়।

সেই রজার মিলা কেন রোনালদোর সঙ্গে আলোচনায়

ক্রীড়া ডেস্ক
সেই রজার মিলা কেন রোনালদোর সঙ্গে আলোচনায়
ক্যামেরুন কিংবদন্তি রজার মিলা ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে ইতিহাস গড়েছেন। ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়স্ক গোলদাতা হয়েছেন। আর সেই কারণেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি নাম— রজার মিলা।

ফুটবলপ্রেমীদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়তো রজার মিলাকে মাঠে খেলতে দেখেননি। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার যে রেকর্ডটি আজও অটুট, সেটির মালিক এই ক্যামেরুন কিংবদন্তি।

১৯৫২ সালের ২০ মে ক্যামেরুনে জন্ম নেওয়া রজার মিলা ছিলেন আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম পথিকৃৎ। আশির দশকে ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার পাশাপাশি জাতীয় দলের জার্সিতেও নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি।

তবে মিলাকে বিশ্ব ফুটবলে অমর করে রেখেছে ১৯৯০ ও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ। ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে ৩৮ বছর বয়সে খেলতে নেমে চার গোল করেন তিনি এবং ক্যামেরুনকে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে তার বিখ্যাত নাচের উদযাপনও সেই আসরে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতার রেকর্ডটি প্রথম গড়েন ১৯৯০ সালেই। কিন্তু চার বছর পর যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নিজের সেই রেকর্ড নিজেই ভেঙে দেন। ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৪২ বছর ৩৯ দিন। আজও বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত বেশি বয়সে আর কেউ গোল করতে পারেননি।

মজার ব্যাপার হলো, ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছিলেন মিলা। পরে ক্যামেরুনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পল বিয়ার অনুরোধে জাতীয় দলে ফিরে আসেন তিনি। সেই প্রত্যাবর্তনই বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম অনন্য কাহিনিতে পরিণত হয়।

রোনালদো এখন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী গোলদাতা হলেও রজার মিলার রেকর্ড এখনো অনেকটাই নিরাপদ। তবে পর্তুগিজ তারকা এই বিশ্বকাপে যতবার গোল করছেন, ততবারই নতুন প্রজন্মের সামনে ফিরে আসছে ক্যামেরুনের সেই কিংবদন্তির নাম।

এদিকে রোনালদোর এই গোল আরেকটি ইতিহাসও গড়েছে। তিনি বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েছেন। ২০০৬ থেকে ২০২৬— টানা ছয় বিশ্বকাপেই জালের দেখা পেয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ বয়সী গোলদাতাদের তালিকায় এখন শীর্ষ পাঁচে আছেন রজার মিলা, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, পেপে, লিওনেল মেসি এবং সুইডেনের গুন্নার গ্রেন। 

বিশ্বকাপে ইরান দলের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে ইরান দলের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি : রয়টার্স

বৈরী কূটনৈতিক সম্পর্ক ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই ফুটবল বিশ্বকাপ মাতাতে মেক্সিকো অবস্থান করছে ইরান দল। তবে ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ায় ও মার্কিন প্রশাসনের কঠোর কড়াকড়ির কারণে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই মাঠ এবং মাঠের বাইরে বেশ ভুগতে হচ্ছিল এশিয়ান জায়ান্টদের। অবশেষে কিছুটা বরফ গলেছে। ইরানের বিশ্বকাপ দলের ওপর আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিজেদের পরবর্তী ম্যাচের দুই দিন আগেই ভেন্যু শহর সিয়াটলে ভ্রমণের অনুমতি পাচ্ছে ইরান দল। গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলেও ম্যাচ শেষেই তল্পিতল্পা গুটিয়ে ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে বলে জানিয়েছেন ডিএইচএসের এক মুখপাত্র। আগামী শুক্রবারের ম্যাচটি খেলেই তারা মেক্সিকোর টিজুয়ানায় অবস্থিত তাদের বেস ক্যাম্পে ফিরে যাবে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনও নিশ্চিত করেছে যে, ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে বুধবারই তারা সিয়াটলের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, ‘পরিকল্পনাটি আমাদের আগে থেকেই ছিল। আমরা মূলত দেখতে চেয়েছিলাম প্রথম দুই ম্যাচে তাদের যাতায়াত কেমন হয়। যেহেতু সব কিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাদের বাড়তি একদিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

চলতি বছরের মার্চ মাসেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিজেদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান। কিন্তু অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর অনুমতি মিললেও মার্কিন মুলুকে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের। দলের বেশ কয়েকজন অফিশিয়াল ও সাপোর্ট স্টাফকে তো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমিতই দেয়নি মার্কিন প্রশাসন।

লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলা প্রথম দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে ম্যাচের মাত্র এক দিন আগে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছিল ইরান। এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই। গত রোববার বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর এক দোভাষীর মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রিকভারি (ক্লান্তি দূর করা)। কিন্তু আমাদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন করে তোলা হয়েছে।’

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের এক দিন আগে ভেন্যুতে পৌঁছানো স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, টিজুয়ানা থেকে সিয়াটলের দূরত্ব প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতেই বাড়তি সময় চেয়েছিল ইরান। দলের অধিনায়ক আলিরেজা জাহানবখশ আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমরা তো বেশি কিছু চাইনি। বাকি ৪৭টি দল যে সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, আমরাও শুধু সেটাই চেয়েছি।’

ইরান দল মাঠের রাজনীতি থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করলেও যুদ্ধক্ষেত্রের নির্মমতা ঠিকই বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শুরুতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৬৮ জন শিক্ষার্থীর স্মরণে বিশেষ প্রতীক ব্যবহার করছেন ফুটবলাররা।

গত ৭ জুন মেক্সিকোতে পৌঁছানোর পর থেকেই খেলোয়াড়দের জ্যাকেটে ‘১৬৮’ লেখা গোল্ডেন রঙের পিন দেখা গেছে। এমনকি গত রোববার সোফাই স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিশ্বশান্তির আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠিও রেখে আসে দলটি, যেখানে হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা ছিল ‘১৬৮’ এবং স্কুলের নাম ‘মিনাব’। গত মঙ্গলবার টিজুয়ানায় ইরানের শেষ অনুশীলনেও মাঠের ঘাসে ‘১৬৮’ লেখা চারটি ছোট পতাকা পুঁতে রাখা হতে দেখা যায়।

এদিকে ইরানের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মিসর ও সিয়াটলে আগেভাগে পৌঁছানোর আবেদন জানিয়েছিল। ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারানোর পর তারা সরাসরি সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি চায় ফিফার কাছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থার অভাব দেখিয়ে মিসরের সেই আবেদন নাকচ করে দেয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা। ফলে বাধ্য হয়েই সিয়াটল থেকে ৪৫ মিনিটের দূরত্বের স্পোকেন ভেন্যুর বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হয়েছে মোহাম্মদ সালাহদের দেশকে।