• ই-পেপার

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা স্বপ্নের মতো : স্কটল্যান্ড অধিনায়ক

ঘানার তারকা মিডফিল্ডারকে কেন ঢুকতে দিল না কানাডা?

ক্রীড়া ডেস্ক
ঘানার তারকা মিডফিল্ডারকে কেন ঢুকতে দিল না কানাডা?
ফাইল ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে ভক্তদের ঢোলের বাড়ি পড়ার আগেই বড় ধাক্কা খেল ঘানাশিবির। আইনি জটিলতার কারণে কানাডায় প্রবেশাধিকার পাননি দলটির তারকা মিডফিল্ডার টমাস পার্টে। ফলে আগামী বুধবার টরন্টোতে পানামার বিপক্ষে ব্ল্যাক স্টারদের বিশ্বকাপ মিশন শুরুর ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না ৩২ বছর বয়সী এই সাবেক আর্সেনাল তারকা।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ফিফা জানায়, ‘আমরা নিশ্চিত করছি যে টমাস পার্টে যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে ঘানার বেসক্যাম্প থেকে কানাডা ভ্রমণ করতে পারবেন না। আগামী ১৭ জুন পানামার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের জন্য তার করা ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে কানাডিয়ান সরকার।’ তবে ভিসা বা অভিবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের কোনো হাত নেই বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে ফিফা।

যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক কানাডা। কিন্তু পার্টের ওপর থাকা গুরুতর ফৌজদারি মামলার কারণেই তাকে দেশে ঢোকার অনুমতি দেয়নি কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগ (আইআরসিসি)।

ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালে খেলার সময় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ওঠে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ তার বিরুদ্ধে পাঁচটি ধর্ষণ ও একটি যৌন নিপীড়নের মামলা করে। সে বছরের সেপ্টেম্বরে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন পার্টে। তবে চলতি বছরের (২০২৬) ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে নতুন করে আরো দুটি ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এপ্রিল মাসেও আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন বর্তমানে স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ারিয়ালে খেলা এই মিডফিল্ডার।

যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে কোনো সমস্যা না হলেও কানাডা সরকার তাদের নিয়মে অনড়। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (আইআরসিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কানাডিয়ানদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ব্যক্তির প্রোফাইল বা টুর্নামেন্টে তার ভূমিকা কী, তা বিবেচনা না করে সবার জন্য সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হয়। কোনো ব্যক্তি দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে তাকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয় না।’

গ্রুপ ‘এল’-এ ঘানার বাকি দুটি ম্যাচ অবশ্য অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ২৩ জুন বস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ২৭ জুন ফিলাডেলফিয়ায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পার্টের খেলতে কোনো বাধা নেই। দেশের হয়ে ৫৮ ম্যাচে ১৬ গোল করা এই অভিজ্ঞ তারকার প্রথম ম্যাচে অনুপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই পোড়াবে ঘানাকে। 
 

প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা
সংগৃহীত ছবি

শুরু হয়ে গেছে ফিফা বিশ্বকাপ মহারণ। আর্জেন্টিনার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ তারকার চোট সমস্যা ভাবিয়ে তুলছে কোচ স্কালোনিকে। তবে চোট থেকে সবাই ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৭ ও ২২ জুনের ম্যাচে খেলতে পারবেন না নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। 

ক্রীড়া সাংবাদিক ফার্নান্দো সিজে জানিয়েছেন, বাম পায়ের সোলিয়াস পেশিতে হালকা টান লেগেছে তালিয়াফিকোর। তাতে প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে নাও পারেন এই তারকা।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ এবং মেডিকেল টিম সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তালিয়াফিকো দলের সঙ্গেই থাকবেন এবং আগামী রবিবার পর্যন্ত প্রতিটি অনুশীলনের পর তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। আলজেরিয়া বা অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলবেন না বলে যোগ করেন তিনি।

আর্জেনন্টিনা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জে’ তে আলজেরিয়া, অষ্ট্রিয়া এবং জর্ডানের মুখোমুখি হবে। আগামী ১৭ জুন দলটি তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে।

মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ

ক্রীড়া ডেস্ক
মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ
ছবি : রয়টার্স

মরক্কোর বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই মাঠে নামতে পারেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের।

সম্ভাব্য ৪-৪-২ ছকে গোলবারের নিচে থাকবেন অভিজ্ঞ আলিসন বেকার। রক্ষণভাগে দেখা যেতে পারে রজার ইবানেজ, মারকিনিওস, গ্যাব্রিয়েল ও ডগলাস সান্তোসকে। চোটের কারণে ওয়েসলি না থাকায় রাইট-ব্যাক পজিশনে ইবানেজের খেলার সম্ভাবনা বেশি।

মধ্যমাঠে ব্রাজিলের ভরসা হতে পারেন লুকাস পাকেতা, ব্রুনো গিমারেস ও কাসেমিরো। অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মিশেলে এই চার ফুটবলারের ওপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করতে পারে।

আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুসের সঙ্গী হিসেবে দেখা যেতে পারে রাফিনিয়া ও ইগর থিয়াগোকে। 

ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ (৪-৪-২):
আলিসন বেকাার (গোলরক্ষক) রজার ইবানেজ, মারকিনিওস, গ্যাব্রিয়েল, ডগলাস সান্তোস, লুকাস পাকেতা, ব্রুনো গিমারেস, কাসেমিরো, রাফিনিয়া; ইগর থিয়াগো, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

দর্শকরা ভাঙতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপের সব রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
দর্শকরা ভাঙতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপের সব রেকর্ড
ছবি : রয়টার্স

ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হলেই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয় অন্যরকম উন্মাদনা। দর্শকপ্রিয়তার দিক থেকে এই আসর এগিয়ে অন্য যেকোন স্পোর্টস ইভেন্ট থেকে। 

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখেছেন প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ মানুষ। অন্যদিকে অন্যতম জনপ্রিয় সুপার বোলের গড় লাইভ দর্শক সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ কোটির মধ্যে।

বিশ্বকাপ ২০২৬ এ দলসংখ্যা ৩২ থেকে বেড়ে ৪৮ এবং ম্যাচসংখ্যা ১০৪ হওয়ায় দর্শকসংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ বিশ্বকাপে টেলিভিশন, স্ট্রিমিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মিলিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ যুক্ত ছিলেন। এবারে সেই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল জনপ্রিয়তা তুলনামূলক কম হলেও বিশ্বকাপ ঘিরে আগ্রহ বাড়ছে। ২০২২ সালের ফাইনাল দেশটিতে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দেখেছেন। তবে বিশ্বের অন্যান্য ফুটবলপ্রধান দেশের তুলনায় এটি কম।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ায় দেশটিতে ফুটবলের দর্শকসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে। বিশ্বকাপের বৈশ্বিক আবেদন এবং দর্শকসংখ্যার দিক থেকে এটি এখনও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।