• ই-পেপার

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

গোবিপ্রবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গোবিপ্রবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বসুন্ধরা টিস্যুর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টায় বসুন্ধরা শুভসংঘ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বনজ, ফলদ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রজাতির গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে লাইব্রেরি ভবনের সামনে একটি দেশি নিমগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। আয়োজনে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিমন রহমান তন্বী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক ও তিতুমীর হলের প্রভোস্ট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। 

বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায় থেকেও ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, নির্বিচারে গাছ কাটার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তূর্য রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু বিশ্বাস ও রাজীব মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক তুসি আক্তার, কার্যকরী সদস্য সীমান্ত পাল, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, যুব সাধারণ সম্পাদক ফাহিম ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল করিম, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সুমন বৈদ্য, ক্রীড়া সম্পাদক রমিজ মৃধা, তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রুম্মান মোল্লা, কার্যকরী সদস্য জাহিদুল ইসলাম নয়ন, মোহাম্মদ সিয়াম হোসেন, নাঈমুল ইসলাম, মো. তারেক, হামিদুর রহমান, সালমান আহমেদ, তায়েফ হাসান, তানভীর সরদার, নিশান আলী, আসাদুজ্জামান, সিফাত, জুবায়ের, জাকারিয়া, রাকিবুল, রবিউল, জয়ন্ত, তামিম, ইনু, মাহি, আদিব, পলাশ, আশিক, শাকিল ও আহাদ।

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ
ছবি: কালের কণ্ঠ

১০ দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হন হাফিজুর রহমান। কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা শেষ না করাতেই বাড়ি ফিরে আসেন। এমন অবস্থায় চিকিৎসা খরচ তো দূরের কথা, বাড়িতে স্বামী ও পাঁচ সন্তানের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে স্ত্রীকে। পরিবারের অন্য সদস্যরাও দরিদ্র হওয়ায় হাফিজুরকে আর্থিক সহযোগিতা করতে পারছেন না কেউ।

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় মঙ্গলবার (২৪ জুন) হাফিজের চিকিৎসার সহযোগিতায় পাশে দাঁড়িয়েছেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

শাখার উপদেষ্টা ডক্টর জাহিদ হাসানের সার্বিক সহযোগিতায় শুভসংঘের সদস্যরা হাফিজুরের বাবা নুরুল ইসলামের হাতে ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাকিব খান ও সহ-সভাপতি আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন সদস্য এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের সরদারপাড়া মহল্লার বাসিন্দা হাফিজুর একটি সিগারেট কম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। এই কাজের উদ্দেশ্যে গত ১৩ জুন কম্পানির একটি মোটরসাইকেলে তিনি পাবনা শহরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বাঘাবাড়ি-টেবুনিয়া সড়কের আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। এতে হাফিজুরের হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাড় ভেঙে যায়। স্থানীয়রা হাফিজুরকে উদ্ধার করে পাবনার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা করার মতো আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় হাফিজুর মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসে। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জনের কাছে সহযোগিতা চাচ্ছেন। এ অবস্থায় হাফিজুরের পাশে দাঁড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ।

হাফিজুর রহমানের বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, ছেলেটা শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে আছে। চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছি। খুব দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে সবার। এমন সময় এই সহযোগিতা আমাদের খুব উপকারে আসবে। কৃতজ্ঞ জানাই এমন উদার ও মানবিক মনের মানুষদের।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা শুভসংঘের সভাপতি আরিফুল ইসলাম বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। এমন নীতির ভিত্তিতে শুভসংঘের ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। আর এসব কাজের সার্বিক সহযোগিতা করছেন শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী ডক্টর জাহিদ হাসান। তার অনুপ্রেরণা এবং সহযোগিতা আমাদেরকে সব কাজে উদ্বুদ্ধ করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় শিক্ষার্থীদের রং-পেনসিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় শিক্ষার্থীদের রং-পেনসিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
ছবি: কালের কণ্ঠ

আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা, টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ আর প্রকৃতির সবুজ সাজ—বর্ষার এই অপরূপ রূপ এবার ধরা দিল শিশুদের আঁকা ছবিতে। কাগজের পাতায় কেউ ফুটিয়ে তুলেছে বৃষ্টিভেজা গ্রাম, কেউ নদী-নালা, কেউ বা বর্ষার প্রকৃতির নানান রূপ।

শিশুদের সৃজনশীলতার বিকাশ ও শিল্পকলায় উৎসাহ দিতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ উপজেলা শাখার উদ্যোগে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলার বুড়িমুটকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

বর্ষার রূপ নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে শিশুদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। ছোট্ট শিল্পীদের কল্পনার রঙে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় দুটি গ্রুপে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘ক’ গ্রুপ এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘খ’ গ্রুপে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে দুই গ্রুপের বিজয়ী মোট ছয় শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম লিটন। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বুড়িমুটকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ঝর্ণা আক্তারসহ অন্য শিক্ষকরা।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোসাম্মৎ সেলিনা পারভিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ সারা দেশের মতো তেঁতুলিয়াতেও নিয়মিত ভালো কাজ করে যাচ্ছে। এমন আয়োজন শিশুদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে।’

উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম লিটন বলেন, ‘শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে আমরা নিয়মিত বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছি। এরই ধারাবাহিকতায় বর্ষা উপলক্ষে এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে উপজেলার আরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের আয়োজন করা হবে।’

শুধু প্রতিযোগিতা নয়—শিশুদের ভাবনা, কল্পনা ও সৃজনশীলতাকে বিকশিত করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে জানান আয়োজকেরা। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আগামীতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইউআইটিএসে মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ইউআইটিএসে মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনাসভা। ছবি : কালের কণ্ঠ

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) ক্যাম্পাসে ‘মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বসুন্ধরা শুভসংঘ ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে আলোচনাসভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. রশিদুল হাসান। 

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজের সামনে সবচেয়ে বড় সামাজিক ও মানসিক সংকটগুলোর মধ্যে মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি অন্যতম। মাদকাসক্তি যেমন একজন ব্যক্তির জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, তেমনি অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, সৃজনশীলতা, সামাজিক যোগাযোগ এবং মানসিক সুস্থতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. রশিদুল হাসান বলেন, ‘প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার সমাজে নতুন সংকট সৃষ্টি করছে। বর্তমানে অনেক তরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন গেম এবং বিভিন্ন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করায় বাস্তব জীবনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে তাদের মধ্যে একাকীত্ব, উদ্বেগ, হতাশা এবং বিভিন্ন মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই প্রযুক্তিকে জীবনের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, জীবনের বিকল্প হিসেবে নয়।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ইউআইটিএস শাখার সভাপতি এ ই এম ফাহিম হাসান বলেন, ‘মাদকাসক্তি প্রতিরোধে পারিবারিক বন্ধন, নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম। একজন তরুণ যদি সঠিক দিকনির্দেশনা, ইতিবাচক পরিবেশ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ পায়, তাহলে সে সহজেই মাদক ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে দূরে রাখতে সক্ষম হবে।’ এজন্য শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বই পড়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উপস্থিত শিক্ষার্থীরা মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরে বলেন, শুধু আইন বা শাস্তি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং সচেতনতা সৃষ্টি, পারিবারিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং তরুণদের জন্য ইতিবাচক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে অভ্যস্ত সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।