• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদ ভবনে মধ্যাহ্নভোজ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৫ শিক্ষার্থী ও চার শিক্ষক প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। রবিবার (২৮ জুন) সংসদ সচিবালয়ের ভিজিট শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ শিক্ষা সফর প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্মরণীয়, অনুপ্রেরণাদায়ী ও স্বপ্নপূরণের অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।

সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাদের শুভেচ্ছা বিনিময়। তিনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল চর্চার প্রতি সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। স্মরণীয় মুহূর্ত এভাবে ধারণ করতে পেরে তারা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন এবং এটিকে তাদের সংসদ সফরের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, নীলকান্ত সরকারি কলেজ, নাথেরপেটুয়া ডিগ্রি কলেজ এবং শাহ শরীফ ডিগ্রি কলেজ।

জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রথমে এলডি হল পরিদর্শন করেন। এরপর বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত সংসদ ভবনের নান্দনিক স্থাপত্য ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তারা চলমান বাজেট অধিবেশন সরাসরি উপভোগ করেন। পাশাপাশি সংসদের উত্তর ও দক্ষিণ প্লাজা, মনোরম ক্রিসেন্ট লেক, অধিবেশন কক্ষ এবং সমৃদ্ধ সংসদ গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন।

সফরকালে তারা মনোহরগঞ্জের কৃতী সন্তান, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশ নেন। সংসদ ভবনে আয়োজিত ব্রিফিং সেশনে জাতীয় সংসদ ভবনের ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করে শিক্ষার্থীরা গভীর আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত ‘শুভেচ্ছা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন কেবল একটি স্থাপত্য নিদর্শন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে রাষ্ট্র পরিচালনা, সংসদীয় গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দিতে এ ধরনের শিক্ষা সফরের গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে তারা শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সততা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের আহ্বান জানান।

সফরের অংশ হিসেবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাফেটেরিয়ায় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

অনেক শিক্ষার্থী জানান, এতদিন তারা সংসদ ভবন সম্পর্কে শুধু পাঠ্যপুস্তক, সংবাদমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে জেনেছেন, এখন বাস্তবে সংসদ ভবনে এসে ঘুরে দেখার সুযোগ তাদের কাছে আজীবন মনে রাখার মতো এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ পরিবারের সন্তানদের জন্য এই সফর ভবিষ্যৎ জীবনে দেশ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে জানার আগ্রহ বৃদ্ধি করবে এবং বড় স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সফররত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যকে সরাসরি দেখার সুযোগ পান।

পে স্কেল বাস্তবায়নে ৫ সিদ্ধান্ত, কমতে পারে ভাতা

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল বাস্তবায়নে ৫ সিদ্ধান্ত, কমতে পারে ভাতা
ছবি: কালের কণ্ঠ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে এই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকে পাঁচটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি মূল বেতন বাড়ানো ও বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিন্যাসের চিন্তাভাবনা করছে সরকার। 

প্রাথমিক পরিকল্পনায় তিন ধাপে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও, কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখন মাত্র দুই ধাপে পুরো পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

আর্থিক চাপ বিবেচনায় ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই ৬০ শতাংশ সুবিধা প্রদানের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বর্ধিত বেতন প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য দূর করতে একটি বিশেষ রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। মূল বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়েছে।

পে-স্কেল ঘোষণার পর যেন কোনো আইনি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা না দেয়, সে জন্য আইনি ভেটিং এবং বিধিমালা সংশোধনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেতন নির্ধারণ বা ফিক্সেশনের প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল করার কারিগরি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।


জানা গেছে, সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই পে স্কেল কার্যকর করার চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কারণে কর্মচারীদের হাতে বর্ধিত বেতন পৌঁছাতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগলেও, ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর গণ্য হবে এবং পরবর্তী সময়ে বকেয়া বা অ্যারিয়ার্স হিসেবে সেই অর্থ প্রদান করা হবে।

তবে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। ফলে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি ভাতা সমন্বয় বা পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বাড়িভাড়া ভাতা। বর্তমানে কর্মস্থল ও অঞ্চলভেদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িভাড়া ভাতা পেয়ে থাকেন। নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলে একই হারে বাড়িভাড়া ভাতা বহাল রাখলে সরকারি ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। এজন্য বাড়িভাড়া ভাতার হার কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে আনার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে।

চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমানে সব গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসিক এক হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারিত চিকিৎসা ভাতা পান। নতুন কাঠামোয় এই ভাতার পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ অথবা সর্বোচ্চ একটি সীমা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের শিক্ষা সহায়ক ভাতাও পুনর্বিবেচনার আওতায় এসেছে। বর্তমানে দুই সন্তানের জন্য যে শিক্ষা সহায়ক ভাতা দেওয়া হয়, সেটির ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ বা ভাতা কাঠামোয় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানিয়েছে, যাতায়াত ভাতা, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা এবং অন্যান্য কিছু ভাতা সমন্বয়ের পাশাপাশি অপ্রাসঙ্গিক বা কম ব্যবহৃত ভাতা বিলুপ্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
 

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’ রবিবার (২৮ জুন) সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, আজ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের আয়োজনে জাতীয় সংসদ ভবনে মধ্যাহ্নভোজ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীরা।

তিনি আরো জানান, মধ্যাহ্নভোজে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’র মাধ্যমে আসা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ২১ জন এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ ১৬ জন অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে এবং নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবন পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। এ ছাড়া সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশন এবং সংসদ অধিবেশন কক্ষে সংসদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছে তারা।

তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভুয়া : ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভুয়া : ডিএমপি
সংগৃহীত ছবি

তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রবিবার (২৮ জুন) এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপি ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, জনমনে ভয় ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ডিএমপি এলাকার মধ্যে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনও একই কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে সাতজন নিখোঁজ হওয়ার দাবি ভিত্তিহীন। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

জনগণকে এ ধরনের বিভান্তিকর সংবাদে বিশ্বাস না করা অনুরোধ জানিয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার বলেন, ‘রাজনৈতিক রং জড়িয়ে কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহল বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।’

শামীমা পারভীন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে ৭ জন নিখোঁজের কোনো ঘটনা জানে না পুলিশ। সুমন ও রনি নামে দুজনের মরদেহের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে নিখোঁজের ঘটনা এক নয়। সুমন ও রনির মৃত্যু অন্যভাবে হয়েছে।’

এর আগে শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, তুরাগ নদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।