• ই-পেপার

১৪ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

পুলিশের পোশাকের রং ফের পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশের পোশাকের রং ফের পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও পরিবর্তন এনেছে সরকার। গাঢ় নীল এবং হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাক বহাল করা হয়েছে। এছাড়া সবার প্যান্টের রং হবে খাকি। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশের ইউনিফর্মের পরিবর্তন এনে পুলিশ সদর দফতর থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হয় শুক্রবার (১৯ জুন)।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পূর্বে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল রঙের টিসি (সাধারণ বুননের) কাপড়ের শার্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে শার্ট হবে লাইট অলিভ রঙের টিসি কাপড়ের। এ ছাড়া কফি রঙের ট্রাউজারের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, পূর্বে নির্ধারিত আয়রন রঙের জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের পরিবর্তে গাঢ় নীল রঙের জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভার ব্যবহার করা হবে। তবে মহানগর পুলিশের জ্যাকেট হবে লাইট অলিভ রঙের।

নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। জেলা পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, বিশেষায়িত পুলিশ ব্যাটালিয়ন, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের নারী সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শাড়ি ও গাঢ় নীল ব্লাউজ নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানগর পুলিশের নারী সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ রঙের ব্লাউজ নির্ধারণ করা হয়েছে। হেড কভার অনুমোদিত গাঢ় নীল রঙের হতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধানে গ্রীষ্মকালে অর্ধহাতা এবং শীতকালে পূর্ণহাতা শার্ট পরার বিধান বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী নারী পুলিশ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন।

এর আগে গত মে মাসের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের কথা জানিয়েছিলেন। সেদিন তিনি বলেছিলেন, সরকার পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের ওপরের অংশ আগে যেটা ছিল মেট্রোর জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা বহাল রাখা হয়েছে। তবে প্যান্ট, পায়জামা সেটা আমরা খাকি ড্রেস দিয়েছি।

পোশাক পরিবর্তনে কারণ সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ করেছি সারা দেশে এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যে বিদ্যমান পোশাক আছে এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না এবং এটার যেটা দৃশ্যমান যে এই পোশাকটা আসলে ওয়াইডলি একসেপ্টেডও হয়নি। মানানসই না শুদ্ধ বাংলায়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টা বিবেচনা করেছি যে এই ড্রেসটা কিভাবে হয়।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে পুলিশ অবস্থান নেয় বলে অভিযোগ ওঠে। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশে সংস্কারের দাবি ওঠে। কেউ কেউ পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের দাবিও করেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। পুলিশের সব সদস্যের জন্য নির্ধারিত হয় আয়রন (লোহা) রঙের পোশাক। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর নতুন পোশাকে মাঠে নামে পুলিশ।

সেই পোশাক নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেক পুলিশ সদস্য পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তারাও পোশাকের রং নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, এই রঙের পোশাক দেখতে ভালো লাগছে না। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল হওয়ায় তারা অস্বস্তি বোধ করেন।

বিএনপি সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পুলিশের পোশাক আরেক দফা পরিবর্তন আনল। বর্তমানে যে পোশাক পুলিশের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিএনপির আগের মেয়াদে (২০০১-২০০৬) একই পোশাক ছিল।

হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার হাজি, ৫৪ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার হাজি, ৫৪ জনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

এ বছর সৌদি আরবে হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। আর হজ পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সবশেষ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত মোট ফিরতি ফ্লাইটের সংখ্যা ১৫২টি। এসব ফ্লাইটে সরকারি মাধ্যমে যাওয়া হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমের ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ৩ জন হাজি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

এ বছর সাড়ে ৭৮ হাজার লোক সৌদি আরবে হজ করতে গেছেন। গত ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

এদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত যে ৫৪ জন হজযাত্রী ও হাজির মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারীরা। মক্কায় ৩৭ এবং মদিনায় ১৬ এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ও জেদ্দায় কোনো হাজির মৃত্যুর তথ্য নেই।

সবশেষ গেল মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা আকলিমা আক্তার মদিনায় অবস্থানকালে মৃত্যুবরণ করেন। ৪৪ বছর বয়সী আকলিমা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে গেল ১৯ মে সৌদি আরবের জেদ্দায় পৌঁছান। আগের বছর হজে গিয়ে ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৩ সালে হজে গিয়ে ১২১ জন হাজি ও হজযাত্রী মারা যান, যা কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, সৌদি আরবের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ৪১৫ জন হাজি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন হাজি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বছর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ৩০টি লিড হজ এজেন্সির আওতায় সরকারি কোটায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি কোটায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী হজের কার্যক্রমে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সৌদি আরবের উদ্দেশে প্রথম প্রাক হজ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে এবং শেষ ফ্লাইট পৌঁছায় ২১ মে।

প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা খাত আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষা খাত আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শিক্ষা খাত আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। এই আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে।”

এরই অংশ হিসেবে পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য।’

শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই
সংগৃহীত ছবি

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কবি আল মুজাহিদী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ২টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল্লাহ মানসুর।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যাসহ হৃদরোগে ভুগছিলেন কবি আল মুজাহিদী। গত এক বছর আগে চিকুনগুনিয়া হওয়ায় তখন থেকেই তিনি একেবারে বিছানায় পড়ে যান। তিনি এক সময় দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবনে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি।

তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা অনেক। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- হেমলকের পেয়ালা, ধ্রুপদ ও টেরাকোটা, যুদ্ধ নাস্তি, মৃত্তিকা অতি-মৃত্তিকা, প্রিজন ভ্যান, দিদেলাস ও ল্যাবিরিস্থ, ঈডের হ্যামলেট, ‎প্রাচ্য পৃথিবী, পৃথিবীর ধুলো, সৌর জোনাকি, ‎ভিতা নুওভা, অ্যাকাডেমাসের বাগান, আল মুজাহিদীর শ্রেষ্ঠ কবিতা, আল মুজাহিদীর প্রেমের কবিতা, সন্ধ্যার বৃষ্টি, কালেরবন্দীতে, ‎পাখির পৃথিবী, ‎আলবাট্রাস, ‎ভঙুর গোলাপ, ‎কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি ও ‎পালকি চলে দুলকি তালে প্রভৃতি।

উপন্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে প্রথম প্রেম, ‎চাঁদ ও চিরকুট, ‎মিলু এট ও স্যোন্যাটা, ‎লাল বাতির হরিণ, ‎রুপোলি রোদ্দুর, ‎আলোর পাখিটা, ‎ছুটির ছুটি, খোকার আকাশ ও খোকার যুদ্ধ। গল্পগ্রন্থ- ‎প্রপঞ্চের পাখি, ‎বাতাবরণ ও ভরা কটাল মরা কটালের চাঁদ। এছাড়া শিশুসাহিত্যের মধ্যে রয়েছে- হালুম হুলুম, ‎তালপাতার সেপাই, শেকল কাটে খাঁচার পাখি, সোনার মাটি রূপোর মাটি ও ‎ইস্টিশানে হুইসেল।

এ ছাড়া প্রবন্ধগ্রন্থ- সমাজ ও সমাজতত্ত্ব। ‎অনুবাদগ্রন্থ- ‎কাইফি আজমির কবিতা, ‎পৃথিবীর কবিতা, ‎আহমদ ফরাজের কবিতা, ‎উর্দু কবিতা, হিন্দি কবিতা ও ‎হাইনরীশ হাইনের কবিতা। গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- কালান্তরের যাত্রী।

কবি আল মুজাহিদী জীবন ও কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার, ‎কবি জসীম উদ্‌দীন একাডেমি পুরস্কার, ‎মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার, ‎জয়বাংলা সাহিত্য পুরস্কার, বাসাসপ কাব্যরত্ন পদক ও একুশে পদক লাভ করেন।