আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এগুলো সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সেমিনার কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গেপ্তার হয়েছেন বলে গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দ্রুত তাকে দেশে ফেরানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের এখানে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের একটা মামলার বিচার চলছে। শাপলা চত্ত্বর মামলায় তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। এ ছাড়া কমিশনার একরাম হত্যা মামলায় ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ আমরা রেডি করেছি। এটা সাবমিট করবো খুব শিগগিরই।”
ছয় থেকে সাতটি মামলার তদন্ত চলছে বেনজীরের বিরুদ্ধে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অসংখ্য গুমের অপরাধের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আছে। তার বিরুদ্ধে আমাদের ট্রাইব্যুনালের বাইরেও ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইমের অসংখ্য অভিযোগ আছে।
তিনি জানান, “ইন্টারপোলের কাছে ওয়ারেন্টের কপি যাবে। সেই কপি চেয়ে আমাদের পক্ষ থেকে সরকার ইতোমধ্যে আমার জানামতে তাকে প্রত্যর্পণ চেয়ে, তাকে বিনিময় চেয়ে ইতোমধ্যে তাকে ফেরত চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।”
আমিনুল ইসলাম বলেন, “কূটনৈতিক চ্যানেলে এই প্রক্রিয়া শেষ হলে সেখানে আমরা যতটুকু জানি একমাস সময় লাগে। হয়তো একমাসের মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকার তাকে বাংলাদেশে ফেরত দিবে। তিনি ফেরত আসা সাপেক্ষে আমাদের এখানের চলমান মামলাগুলোতে তাকে আদালতে আনা হবে”।
তিনি জানান, বাংলাদেশে ফেরানোর পর বিভিন্ন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করবে ট্রাইব্যুনাল।




