• ই-পেপার

বেতন বাড়ছে সরকারি চাকরীজীবীদের, কার লাভ কত?

সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
সংসদের অধিবেশন শুরু
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। রবিবার (১৫ জুন)বিকেল ৩টায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে শুরু হয়।

পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।

দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

বাসস
দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকার আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।’

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ শীর্ষক পলিসি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সামগ্রিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে কৃষিকে শক্তিশালী করতে হবে। সে লক্ষ্যে সরকার বাস্তবমুখী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

তিনি বলেন, ‘কৃষকরা উৎপাদন করলেও অনেক ক্ষেত্রে সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে ন্যায্যমূল্য পান না। বিশেষ করে সবজি ও পচনশীল কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে মৌসুমে দাম কমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে কৃষকদের দোরগোড়ায় সংরক্ষণ সুবিধা পৌঁছে দিতে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ১৫ থেকে ২০ জন কৃষককে নিয়ে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় এসব কোল্ড স্টোরেজ পরিচালিত হবে এবং এগুলো সৌরবিদ্যুৎচালিত হবে। ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পে এ ব্যবস্থার সফলতা পাওয়া গেছে। ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা গেলে প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি এর সুবিধা পাবেন।’

আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজার চাহিদার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে সরকার ডাটাবেসভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এতে কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারবেন এবং ভোক্তারাও সারা বছর তুলনামূলক স্থিতিশীল দামে কৃষিপণ্য পাবেন।’

সভায় সূচনা বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বাংলাদেশ এন্ড ভূটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের জেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. মানসুর আহমেদ এবং গবেষণা বিশ্লেষক জোনায়েদ সহল। এতে বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক প্রতিনিধি ড. ডিনা উমালি ডেইনিঙ্গারসহ নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নতুন আয়কর কাঠামো মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে

অনলাইন ডেস্ক
নতুন আয়কর কাঠামো মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে
সংগৃহীত ছবি

নতুন আয়কর কাঠামো মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, ‘বাজেটে সম্পদ কর আরোপ করা উচিত ছিল।’

সোমবার (১৫ জুন) সকালে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাজেটের হিসাব মেলানোর জন্য এনবিআরকে বড় লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সুশাসন না থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব।’ বাজেটে মূল্যস্ফীতি, জিডিপি ও রাজস্ব আহরণের তথ্য উপাত্তে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরো বলেন, ‘যার বেশি সম্পদ আছে তাকেই বেশি কর দিতে হবে, অথচ সরকার ভ্যাট নির্ভর কর কাঠামোর দিকে আগাচ্ছে। যে চাপ স্বল্প আয়ের মানুষের ওপরেই পড়বে।’
 

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিশালী করাই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিশালী করাই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ : অর্থমন্ত্রী

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং পরে তা সমৃদ্ধিশালী করাই এই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (১৫ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনে যেন কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এবং তারা যেন ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

এদিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি ছয় মাস পর পর তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এটির কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি যুক্ত থাকবেন না জানিয়ে তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসকসহ সরকারি কর্মকর্তারাই এর বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।