• ই-পেপার

জনবল নিয়োগ দেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস

গ্রাফিক ডিজাইনার পদে পূবালী ব্যাংকে চাকরি

অনলাইন ডেস্ক
গ্রাফিক ডিজাইনার পদে পূবালী ব্যাংকে চাকরি
সংগৃহীত ছবি

গ্রাফিক ডিজাইনার পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পূবালী ব্যাংক। আগামী ১৬ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত এ আবেদন চলবে।

চাকরির বিবরণ

পদের নাম : গ্রাফিক ডিজাইনার

পদমর্যাদা : ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার

পদসংখ্যা : ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা

স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে গ্রাফিক ডিজাইন/ফাইন আর্টসে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা। স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাফিক ডিজাইন, ফাইন আর্টস, ক্রিয়েটিভ মিডিয়া, মাল্টিমিডিয়া, ভিজ্যুয়াল কমিউনিকেশন অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অ্যাডোবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ও ইনডিজাইনের পাশাপাশি অ্যাডোবি আফটার ইফেক্টস এবং অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো সফটওয়্যারে ব্যবহারিক দক্ষতা বাধ্যতামূলক। মোশন গ্রাফিকস, ভিডিও এডিটিং, অ্যানিমেটেড টাইপোগ্রাফি, কালার গ্রেডিং, অডিও সিঙ্ক্রোনাইজেশন এবং ডিজিটাল ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরিতে দক্ষতা থাকতে হবে।

অভিজ্ঞতা

কমপক্ষে দুই বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিজ্ঞাপন সংস্থা, ডিজিটাল মিডিয়া এজেন্সি অথবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়সসীমা : ৩১ মে ২০২৬ তারিখে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন–ভাতা : প্রবেশনকালীন (১ বছর) মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা। স্থায়ী নিয়োগের পর বেতন ৪৫,৩৭৫ টাকা।

আবেদনের নিয়ম : ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় : ১৬ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:০০টা।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, এসএসসি পাসেও আবেদনের সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, এসএসসি পাসেও আবেদনের সুযোগ

জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ও আওতাধীন টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পলিটেকনিক/মনোটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহ ও আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়সমূহে রাজস্ব খাতভুক্ত ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে ২০ পদে ২৫১ কর্মচারী নিয়োগে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগামী ১ জুলাই সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ২১ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।  

প্রতিষ্ঠানের নাম : কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর;

১. পদের নাম : ফার্মাসিস্ট
পদসংখ্যা : ২টি
বেতন স্কেল : ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)

২. পদের নাম : হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা : ৪টি
বেতন স্কেল : ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৩. পদের নাম : উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা : ৪টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৪. পদের নাম : ইউডিএ-কাম-ডাটা প্রসেসর
পদসংখ্যা : ১টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৫. পদের নাম : হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা : ১টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৬. পদের নাম : কোষাধ্যক্ষ
পদসংখ্যা : ৫টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৭. পদের নাম : সাঁটমুদ্রক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা : ৫টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৮. পদের নাম : লাইব্রেরিয়ান
পদসংখ্যা : ৪টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৯. পদের নাম : কম্পাউন্ডার
পদসংখ্যা : ৪টি
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১০. পদের নাম : অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা : ২৮টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১১. পদের নাম : স্টোর কিপার (সার্ভে)
পদসংখ্যা : ১টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬);

১২. পদের নাম : ডাটা প্রসেসর
পদসংখ্যা : ২৯টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬);

১৩. পদের নাম : এলডিএ-কাম-ডাটা প্রসেসর
পদসংখ্যা : ৩টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৪. পদের নাম : হিসাব সহকারী
পদসংখ্যা : ৯টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৫. পদের নাম : এল ডি এ-কাম-ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা : ১টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৬. পদের নাম : এল ডি এ-কাম-টাইপিস্ট
পদসংখ্যা : ১টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৭. পদের নাম : সহকারী লাইব্রেরিয়ান-কাম-ক্যাটালগার
পদসংখ্যা : ১১টি
বেতন স্কেল : ৯,৩০০-২২-৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৮. পদের নাম : ক্যাশ সরকার
পদসংখ্যা : ২টি
বেতন স্কেল : ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা (গ্রেড-১৮);

১৯. পদের নাম : স্কিল্ডম্যান
পদসংখ্যা : ৮টি
বেতন স্কেল : ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড-১৯)

২০. পদের নাম : অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা : ১২৮টি
বেতন স্কেল : ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি

টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে সার্ভিস চার্জসহ আবেদন ফি বাবদ ১ নম্বর পদের জন্য ১৬৮ টাকা, ২ থেকে ১৭ নম্বর পদের জন্য ১১২ টাকা, ১৮ থেকে ২০ নম্বর পদের জন্য ৫৬ টাকা অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় : আগামী ২১ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৫টা।

জুনে হচ্ছে না ৪৭তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, পদ বাড়ানোর দাবি চাকরিপ্রার্থীদের

অনলাইন ডেস্ক
জুনে হচ্ছে না ৪৭তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, পদ বাড়ানোর দাবি চাকরিপ্রার্থীদের
সংগৃহীত ছবি

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষার প্রহর আরো কিছুটা দীর্ঘ হতে যাচ্ছে। পিএসসির পূর্ববর্তী কিছু সূত্র অনুযায়ী, 

চলতি জুন মাসের মধ্যে ৪৭তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলেও এখন তা আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত হতে পারে। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষার প্রহরও কিছুটা দীর্ঘ হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম জানিয়েছেন, ৪৭তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বর্তমানে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই ও নম্বর সংকলনের কারিগরি কাজগুলো চলছে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কমিশন।

এদিকে ৪৭তম বিসিএসে অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদসংখ্যা বাড়ানোর জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বিসিএসে ৩,৪৮৭টি ক্যাডার পদ ও ২০১টি নন-ক্যাডার পদ মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৬৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, পূর্ববর্তী বিসিএসগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এবারও যেন ফলাফল প্রকাশের আগে শূন্য পদ বৃদ্ধি করা হয়। বিগত ৩৮তম বিসিএসে ৪০০টি এবং ৪১তম বিসিএসে ৫২০টি ক্যাডার পদ পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে বাড়ানো হয়েছিল।

চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, বিগত বিসিএসগুলোতে ফলাফল প্রকাশের আগে সব সময়ই শূন্য পদ বাড়ানো হয়েছে। এই বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া পার হতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে আরো অনেক পদ শূন্য হয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত ফলাফলের আগে পদসংখ্যা বৃদ্ধি করা হোক।

চাকরিপ্রার্থীদের আরো দাবি, ক্যাডার সার্ভিসে কর্মসংস্থান বাড়াতে আগের বিসিএসে ক্যাডার হওয়া প্রার্থীরা যেন পুনরায় একই বা নিচের পদের ক্যাডারে সুপারিশ না পান, সেটি কার্যকর করতে হবে। এ ছাড়া এই দীর্ঘ সময়ে অনেকেই অন্য সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ায় নন-ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে পুনরায় পছন্দক্রম বা ‘রিচয়েস’ অপশন দেওয়ার দাবিও জানান তারা।

পদ বাড়ানোর এই দাবির বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ক্যাডার পদ বাড়ানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সিদ্ধান্ত পিএসসিকে জানানো হয়নি। মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক চাহিদা না এলে পিএসসির এককভাবে পদ বাড়ানোর সুযোগ নেই।

এদিকে ৪৭তম বিসিএসের ক্যাডার পদ বাড়ানোর কোনো সম্ভাবনা আছে কি না, এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব আকনুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে পদ বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে এখনো একধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। মে মাস থেকে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়। নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে ‘ওয়ান বিসিএস, ওয়ান ইয়ার’ রোডম্যাপ নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে, যা ৫০তম বিসিএস থেকে পুরোপুরি কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে পিএসসি।

যোগদান-পদায়নের উদ্যোগ

সুখবর পাচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ জন শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক
সুখবর পাচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ জন শিক্ষক

নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও পাঁচমাস ধরে ঝুলে আছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষক। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তড়িঘড়ি নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া এবং অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে কয়েক ধাপে যাচাই করা হয়। অবশেষে তাদের যোগদান ও পদায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে রোববার (২৮ জুন) সভা ডেকেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে নতুন এ সহকারী শিক্ষকদের বদলি ও পদায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন।

২৪ জুন এক চিঠির মাধ্যমে এ সভা ডাকা হয়। এতে বলা হয়েছে, সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন, কর্মরত সব শিক্ষকের বদলি-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যালোচনা করে নিষ্পত্তিকরণের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় কমিটির সভা আগামী ২৮ জুন বিকেল ৩টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে তার অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে ২২ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা, পর্যালোচনা এবং নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সে হিসেবে এটিই এ কমিটির প্রথম সভা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, ‘নতুন একটি কমিটি হয়েছে। সেটার প্রথম সভা হবে। এখানে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করা হবে। তবে এদিনই যে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, সেটি বলা সম্ভব নয়।’

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনো যোগদান করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক। এ নিয়ে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলনে নামেন তারা। এরপর তাদের প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।